ঢাকা ১১:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার ডুয়েট শিক্ষার্থী নাহিদ।। মুক্তিপণ আদায়ের পর মুক্ত  ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে জেলা পরিষদ প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নানা অনিয়মের দায়ে অচি মেমোরিয়াল ও পদ্মা মা ও শিশু হাসপাতালকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা হাইকোর্টের নির্দেশে বন্ধ হলো বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৬৫টি কচ্ছপ উদ্ধার, সালদানদীতে অবমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজীপাড়ায় মাদকবিরোধী সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত নদী-খাল-বিলে মাছ রক্ষায় অবৈধ রিংজাল বন্ধে সচেতনতার আহ্বান জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের এফ এ টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে জেলা পরিষদের আর্থিক অনুদান প্রদান ঢেউ’র আহবায়ক সোহেল সদস্য সচিব আইফাত  তিতাস তীরের কৃষিজমি ও জলাশয় দখলমুক্তে উচ্ছেদ অভিযান

বাঞ্ছারামপুরে গণ অধিকার পরিষদ নেতার “টাকার বান্ডেল” প্রদর্শন করে বললেন ‘টাকা দিয়া সিসা খাইবা’ এলাকায় তোলপাড়

ফয়সল আহমেদ খান , বাঞ্ছারামপুর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:১৪:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৩১৪ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার গন অধিকার পরিষদের আহবায়ক এসকে শফিকুল ইসলাম শুভ নিজের ফেসবুক আইডিতে গতকাল রাতে একাধিক টাকার বান্ডেল প্রদর্শন করে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিওটি পোস্ট হওয়ার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয় এবং তাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক ও সমালোচনা।এলাকায় শুরু হয় তোলপাড়।

ভিডিওতে দেখা যায়- এসকে শফিকুল ইসলাম টাকার বান্ডেলগুলো আলাদা আলাদা ভাগে সাজিয়ে রেখে বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ দেয়ার কথা বলছেন।

তিনি বলেন, “নির্বাচন প্রচারণার জন্য এই চার বান্ডেল দিলাম ব্যানার–ফেস্টুনের জন্য। আর এটি লাগাইবা শুধু মোটরসাইকেল বহরের জন্য। আর এটি রাখো নির্বাচনের দিন চা–সিগারেট খাওয়াইবার জন্য মানুষকে। এই ৭/৮ বান্ডেল যেগুলো আছে—এগুলো দিয়ে সকাল বেলা সিসা খাইবা, বইসা বইসা। আমি পায়া করবো না, সমস্যা নাই, ফেল করবো।”

ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে থাকে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এমনভাবে টাকার বান্ডেল প্রদর্শন করাকে অনেকেই ‘অশোভন’, ‘নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন’ ও ‘অসুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ’ হিসেবে মন্তব্য করছেন।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন , আমি ভিপি নূরের গণঅধিকার পরিষদকে বাঞ্ছারামপুর পরিচিত করিয়েছি। দলের জন্য বান্ডেল বান্ডেল টাকা খরচ করেছি।দলের জন্য হামলা মামলার স্বীকার হয়েছি।দলে ডোনেশন দিয়েছি।দলকে এলাকায় পরিচিত করালাম।এখন আমাকে বাদ দিয়ে আরেক প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়ে দিলো!!

ভিডিওটি পোস্ট নিয়ে বলেন, “একটি পক্ষ গন অধিকার পরিষদের আমার লিডারের কাছে বলেছে আমার নাকি টাকা-পয়সা নাই, আমাকে কেন নমিনেশন দিবে। হয়তো বিরোধী দলের প্রার্থী এই কথা পৌঁছাইছে। তাহলে আমার টাকা-পয়সা নেই—এই শব্দ তারা কোথায় থেকে পেলো? আমি ২টা কোম্পানির মালিক—এইডা কি তাদের জানার দরকার নাই? আমি সরকারকে যেই ট্যাক্স গুলো দিছি, এই টাকা দলের ফান্ডেও ছিল না।”

তিনি আরও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—
“বাঞ্ছারামপুরে প্রতিষ্ঠিত করেছি গন অধিকার পরিষদ। সেই জায়গা থেকে আমাকে নিয়ে আলোচনা করলে ত আমার একটা ক্ষোভ থেকেই আসবে। এজন্যই এই টাকার বান্ডেল ফেসবুকে প্রদর্শন করা। আমার টাকা নেই—আয় দেখ, টাকা আছে কি বা নাই।”

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

বাঞ্ছারামপুরে গণ অধিকার পরিষদ নেতার “টাকার বান্ডেল” প্রদর্শন করে বললেন ‘টাকা দিয়া সিসা খাইবা’ এলাকায় তোলপাড়

আপডেট সময় : ০৬:১৪:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার গন অধিকার পরিষদের আহবায়ক এসকে শফিকুল ইসলাম শুভ নিজের ফেসবুক আইডিতে গতকাল রাতে একাধিক টাকার বান্ডেল প্রদর্শন করে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিওটি পোস্ট হওয়ার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয় এবং তাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক ও সমালোচনা।এলাকায় শুরু হয় তোলপাড়।

ভিডিওতে দেখা যায়- এসকে শফিকুল ইসলাম টাকার বান্ডেলগুলো আলাদা আলাদা ভাগে সাজিয়ে রেখে বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ দেয়ার কথা বলছেন।

তিনি বলেন, “নির্বাচন প্রচারণার জন্য এই চার বান্ডেল দিলাম ব্যানার–ফেস্টুনের জন্য। আর এটি লাগাইবা শুধু মোটরসাইকেল বহরের জন্য। আর এটি রাখো নির্বাচনের দিন চা–সিগারেট খাওয়াইবার জন্য মানুষকে। এই ৭/৮ বান্ডেল যেগুলো আছে—এগুলো দিয়ে সকাল বেলা সিসা খাইবা, বইসা বইসা। আমি পায়া করবো না, সমস্যা নাই, ফেল করবো।”

ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে থাকে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এমনভাবে টাকার বান্ডেল প্রদর্শন করাকে অনেকেই ‘অশোভন’, ‘নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন’ ও ‘অসুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ’ হিসেবে মন্তব্য করছেন।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন , আমি ভিপি নূরের গণঅধিকার পরিষদকে বাঞ্ছারামপুর পরিচিত করিয়েছি। দলের জন্য বান্ডেল বান্ডেল টাকা খরচ করেছি।দলের জন্য হামলা মামলার স্বীকার হয়েছি।দলে ডোনেশন দিয়েছি।দলকে এলাকায় পরিচিত করালাম।এখন আমাকে বাদ দিয়ে আরেক প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়ে দিলো!!

ভিডিওটি পোস্ট নিয়ে বলেন, “একটি পক্ষ গন অধিকার পরিষদের আমার লিডারের কাছে বলেছে আমার নাকি টাকা-পয়সা নাই, আমাকে কেন নমিনেশন দিবে। হয়তো বিরোধী দলের প্রার্থী এই কথা পৌঁছাইছে। তাহলে আমার টাকা-পয়সা নেই—এই শব্দ তারা কোথায় থেকে পেলো? আমি ২টা কোম্পানির মালিক—এইডা কি তাদের জানার দরকার নাই? আমি সরকারকে যেই ট্যাক্স গুলো দিছি, এই টাকা দলের ফান্ডেও ছিল না।”

তিনি আরও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—
“বাঞ্ছারামপুরে প্রতিষ্ঠিত করেছি গন অধিকার পরিষদ। সেই জায়গা থেকে আমাকে নিয়ে আলোচনা করলে ত আমার একটা ক্ষোভ থেকেই আসবে। এজন্যই এই টাকার বান্ডেল ফেসবুকে প্রদর্শন করা। আমার টাকা নেই—আয় দেখ, টাকা আছে কি বা নাই।”