ঢাকা ০১:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক-চাঁদাবাজ মুক্ত রাজশাহী গড়ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সন্তান পুলিশ কমিশনার ফয়েজুল কবির নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় বাঞ্ছারামপুরে সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ৩০ টি কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে জোড়াতালি দিয়ে।। পরিত্যক্ত ভবনে চলে মাদকসেবন কসবায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আখাউড়ায় ৪ মাসপর জামিন মিললো মানসিক ভারসাম্যহীন তিন সন্তানের জননীর। বিজয়নগরে কিশোরীর বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০ সরাইল থানার ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, পুলিশের জিডি সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে ইজারার নামে যুবদল নেতার চাঁদা আদায়ের চেষ্টা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল মণ্ডপে শোভিত প্রতিমা, কানে কানে উৎসব পৌঁছে দিচ্ছে ঢাক

“চুরি করতে যাচ্ছি, অসুবিধা হলে সহযোগিতা করবেন”—এএসআইকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৩:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • / ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় গরু চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তির সঙ্গে কথোপকথনের অভিযোগ ওঠায় পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) শাহ মোহাম্মদ আবদুর রউফ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে বাঞ্ছারামপুর সদর ইউনিয়নের দশানি গ্রামের বাসিন্দা মানিক মিয়ার একটি গরু চুরি হয়। পরে স্থানীয়রা ধাওয়া দিয়ে সন্দেহভাজন আলাল মিয়ার বাড়িতে গিয়ে গরুটি উদ্ধার করেন। এ সময় আলাল মিয়া চুরির ঘটনা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেন এলাকাবাসী।

জানা গেছে, আলাল মিয়ার গ্রামের বাড়ি জগন্নাথপুরে হলেও তিনি বর্তমানে পাশের বাঁশগাড়ি গ্রামে বসবাস করছেন। গরুটি উদ্ধারের সময় স্থানীয়রা তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করেন। এতে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার এএসআই মোহাম্মদ মাসুদের সঙ্গে ইমোতে ভয়েস মেসেজ, চ্যাট ও ফোনালাপের বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়।

স্থানীয়দের কাছে আলাল মিয়া জানান, তিনি পূর্বে মাদক চোরাকারবারির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং সেই সূত্রেই এএসআই মাসুদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সর্বশেষ গরু চুরির সময়ও তিনি ওই এএসআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভয়েস রেকর্ডে শোনা যায়, গরু চুরির আগে আলাল মিয়া এএসআই মাসুদকে ফোন করে বলেন, “চুরি করতে যাচ্ছি, অসুবিধা হলে সহযোগিতা করবেন।”

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এএসআই মোহাম্মদ মাসুদ। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি তাকে না চিনেই ইমোতে কথা বলেছি, এর বাইরে কিছু জানি না।”

এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন জানান, “দশানি গ্রামের গরু চুরির ঘটনায় আলাল মিয়া নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। আমাদের এক স্টাফের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়টি আমরা শুনেছি।”

জেলা পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, “একজন এএসআইয়ের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পাওয়ার পর প্রাথমিকভাবে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।”

তিনি আরও জানান, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

“চুরি করতে যাচ্ছি, অসুবিধা হলে সহযোগিতা করবেন”—এএসআইকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত

আপডেট সময় : ০৬:৪৩:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় গরু চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তির সঙ্গে কথোপকথনের অভিযোগ ওঠায় পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) শাহ মোহাম্মদ আবদুর রউফ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে বাঞ্ছারামপুর সদর ইউনিয়নের দশানি গ্রামের বাসিন্দা মানিক মিয়ার একটি গরু চুরি হয়। পরে স্থানীয়রা ধাওয়া দিয়ে সন্দেহভাজন আলাল মিয়ার বাড়িতে গিয়ে গরুটি উদ্ধার করেন। এ সময় আলাল মিয়া চুরির ঘটনা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেন এলাকাবাসী।

জানা গেছে, আলাল মিয়ার গ্রামের বাড়ি জগন্নাথপুরে হলেও তিনি বর্তমানে পাশের বাঁশগাড়ি গ্রামে বসবাস করছেন। গরুটি উদ্ধারের সময় স্থানীয়রা তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করেন। এতে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার এএসআই মোহাম্মদ মাসুদের সঙ্গে ইমোতে ভয়েস মেসেজ, চ্যাট ও ফোনালাপের বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়।

স্থানীয়দের কাছে আলাল মিয়া জানান, তিনি পূর্বে মাদক চোরাকারবারির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং সেই সূত্রেই এএসআই মাসুদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সর্বশেষ গরু চুরির সময়ও তিনি ওই এএসআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভয়েস রেকর্ডে শোনা যায়, গরু চুরির আগে আলাল মিয়া এএসআই মাসুদকে ফোন করে বলেন, “চুরি করতে যাচ্ছি, অসুবিধা হলে সহযোগিতা করবেন।”

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এএসআই মোহাম্মদ মাসুদ। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি তাকে না চিনেই ইমোতে কথা বলেছি, এর বাইরে কিছু জানি না।”

এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন জানান, “দশানি গ্রামের গরু চুরির ঘটনায় আলাল মিয়া নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। আমাদের এক স্টাফের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়টি আমরা শুনেছি।”

জেলা পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, “একজন এএসআইয়ের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পাওয়ার পর প্রাথমিকভাবে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।”

তিনি আরও জানান, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।