ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিজয়নগর মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি মাইনুদ্দিন রুবেল,সাধারণ সম্পাদক এস এম টিপু চৌধুরী পলিথিন বর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে শাহীন ভাইস চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমান সেক্রেটারি বণিকপাড়ার সড়কে জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা আনন্দ মিছিল মৎস্য অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নদী-প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপির বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ গ্যাস সংকটে বন্ধ সার কারখানা চালুর দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্দন ও বিক্ষোভ দুই বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১২ সেপ্টেম্বর নৌকাবাইচ

তিতাস তীরের কৃষিজমি ও জলাশয় দখলমুক্তে উচ্ছেদ অভিযান

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৫:১৭:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
  • / ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীর, কৃষিজমি ও জলাশয় ভরাট করে গড়ে ওঠা ৩ থেকে ৪টি অবৈধ দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (১৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলা শহরের শিমরাইলকান্দি এলাকায় সিমনা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কের পাশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রিন্স সরকার, শাহরিয়া হাসান খান ও মো. আতাউর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, সিমনা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কের পাশের তিতাস নদীর তীরবর্তী কৃষিজমি ও জলাশয় ভরাট করে স্থানীয় একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দোকানঘর ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে আসছিল। এ বিষয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৩ থেকে ৪টি অবৈধ দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

তবে অভিযানের সময় অবৈধভাবে ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণের সঙ্গে জড়িত কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। ফলে কাউকে জরিমানা বা কারাদণ্ড দেওয়া সম্ভব হয়নি। এ সময় কয়েকটি দখলকৃত জমি ও স্থাপনার মালিকদের বৈধ কাগজপত্র নিয়ে ভূমি অফিসে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি অবশিষ্ট স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন বলেন, তিতাস নদীর তীরবর্তী কৃষিজমি ও জলাশয় অবৈধ দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। নদী, কৃষিজমি ও জলাশয় রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অবৈধভাবে গড়ে ওঠা অন্যান্য স্থাপনাও পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হবে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

তিতাস তীরের কৃষিজমি ও জলাশয় দখলমুক্তে উচ্ছেদ অভিযান

আপডেট সময় : ০৫:১৭:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীর, কৃষিজমি ও জলাশয় ভরাট করে গড়ে ওঠা ৩ থেকে ৪টি অবৈধ দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (১৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলা শহরের শিমরাইলকান্দি এলাকায় সিমনা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কের পাশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রিন্স সরকার, শাহরিয়া হাসান খান ও মো. আতাউর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, সিমনা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কের পাশের তিতাস নদীর তীরবর্তী কৃষিজমি ও জলাশয় ভরাট করে স্থানীয় একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দোকানঘর ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে আসছিল। এ বিষয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৩ থেকে ৪টি অবৈধ দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

তবে অভিযানের সময় অবৈধভাবে ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণের সঙ্গে জড়িত কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। ফলে কাউকে জরিমানা বা কারাদণ্ড দেওয়া সম্ভব হয়নি। এ সময় কয়েকটি দখলকৃত জমি ও স্থাপনার মালিকদের বৈধ কাগজপত্র নিয়ে ভূমি অফিসে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি অবশিষ্ট স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন বলেন, তিতাস নদীর তীরবর্তী কৃষিজমি ও জলাশয় অবৈধ দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। নদী, কৃষিজমি ও জলাশয় রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অবৈধভাবে গড়ে ওঠা অন্যান্য স্থাপনাও পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হবে।