জোনায়েদ সাকী প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় বাঞ্ছারামপুরে মিষ্টি বিতরণ। এলাকায় আনন্দের বন্যা
- আপডেট সময় : ০৪:০৫:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ৫৯ বার পড়া হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য জননেতা জোনায়েদ সাকী প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করায় আনন্দ উদযাপন করেছে উপজেলা যুবদল ও পৌর যুবদল এবং গণসংহতি আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। এ উপলক্ষে পুরো উপজেলায় মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এলাকাজুড়ে বইছে আনন্দের বন্যা।
মঙ্গলবার বিকালে বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় আয়োজিত তাৎক্ষণিক আনন্দ কর্মসূচিতে মিষ্টি বিতরণ করেন যুবদল,ছাত্রদল এবং গণসংহতি আন্দোলনের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা।
অন্যদিকে, নতুন প্রতিমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান,
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, সাধারণ সম্পাদক ভিপি একেএম মুছা, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম এ খালেক পিএসসি, এডভোকেট জিয়াউদ্দিন জিয়া, এডভোকেট রফিক শিকদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছালে মুছা,গণসংহতি আন্দোলন উপজেলা সমন্বয়ক শামিম শিবলীসহ বিভিন্ন নেতাকর্মী।
এর আগে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসন থেকে নবনির্বাচিত এমপি হিসেবে সকালে জাতীয় সংসদে শপথ বাক্য পাঠ করেন জননেতা জোনায়েদ সাকী। পরে বিকালে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক মন্ত্রীসভা গঠনকালে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। এতে তিনি অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। যুবদল নেতারা বলেন, জননেতা জোনায়েদ সাকীর নেতৃত্বে এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শপথের পর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি তার ভেরিফাইড ফেসবুকে লিখেন বলেন,
“আজকে যে সংসদ তৈরি হলো, নতুন সরকার গঠিত হলো, আমরা এই নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানসহ মন্ত্রীসভার সদস্যবৃন্দ এবং পুরো সংসদের সকলকে আমাদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামে যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, হাজার হাজার তরুণ যারা আহত হয়েছেন, এদেশের ছাত্র-শ্রমিক-জনতার যে অভ্যুত্থান, রাজনৈতিক দলগুলোর দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের পাটাতনের ওপর দাঁড়িয়ে যে অভ্যুত্থান তৈরি হয়েছে– সেই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা, শহীদদের আকাঙ্ক্ষা, আহত যোদ্ধাদের আকাঙ্ক্ষা, তাদের সকল আকাঙ্ক্ষাই এই সংসদের মধ্য দিয়ে পূরণ হবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। দেশের রাষ্ট্রব্যবস্থার বদল ঘটবে, একটা নতুন বন্দোবস্ত তৈরি হবে, আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে দেশের জনগণ তার ন্যায্য হিস্যা পাবে।”
সংবাদটি শেয়ার করুন














