ঢাকা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢোলভাঙ্গায় পানি নেই, আছে দূষন,দখল আর আবর্জনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক

ঢোলভাঙ্গায় পানি নেই, আছে দূষন,দখল আর আবর্জনা

বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • / ২৬ বার পড়া হয়েছে

মেঘনার শাখা নদী তিতাস অববাহিকায় ঢোলভাঙ্গা নদীটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার জন্য ছিল অতীব গুরুত্বপূর্ণ। এলাকার প্রাণ বা নিউক্লিয়াস। কী সামাজিকভাবে, কী অর্থনৈতিক-কৃষি, কী শিল্প বা পরিবহনের জন্য কিন্তু ঢোলভাঙ্গা নদীর গতিপথ বন্ধ হয়ে গেছে কেবল ড্রেজিংয়ের অভাবে। এ ছাড়া আবর্জনা, দূষণ ও দখলের কারণে হারিয়ে যাচ্ছে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ নদীটি।

হারিয়ে যাচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার বাঞ্ছারামপুরের একসময়ের খরস্রোতা প্রাণের ঢোলভাঙ্গা নদীটি। বর্তমানে এটি বদ্ধ জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এই নদীর বেশির ভাগ স্থানে শুষ্ক মৌসুমে নৌকা চলাচলের মতো পানি থাকে না। কোথাও কোথাও একেবারে শুকিয়ে যায়।

নদ-নদী দেশের প্রাণ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ঢোলভাঙ্গা বন্ধ মানে নৌপথ বন্ধ। নৌপথ বন্ধ মানে ব্যবসায়ীরা মালামাল উচ্চ ভাড়ায় সড়ক পথে মালামাল আনছেন। যেটি আগে ছিল না।

উপজেলার পৌর এলাকার প্রধান বাজারের সব বর্জ্য এখানে নিয়মিত ফেলায় বন্ধ হয়ে গেছে নদীর গতিপথ। দূষণের গন্ধে নাকে রুমাল চেপে পারি দিতে হয় উপজেলার সংযোগ সেতুর ওপর দিয়ে।
উপজেলা পরিষদ চত্বরের সামনে বালিকা বিদ্যালয় হয়ে সমস্ত দূষিত পানি ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে উপজেলা- বাজারের সংযোগ ব্রীজের উভয় পাশে দিনভর নদীতে ফেলা হচ্ছে, প্রশাসনের নাকের ডগায়।

পরিবেশ নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা
তরী বাংলাদেশ এর মূখ্য সমন্বয়ক শামীম আহমেদের ভাষ্য, “ঢোল ভাঙ্গা নদীটি বাঁচাতে হলে আগে দূষণ- দখল – আবর্জনা বন্ধ করতে হবে।এরপর,ড্রেজিং করতে হবে।
নইলে একদিন এই নদীর জন্য মানুষ আফসোস করবে”।

পৌর শহরের চক বাজারের প্রবীণ ব্যবসায়ী মুরতুজ মিয়া বলেন, ‘আগে বাজারের ব্যবসায়ীরা নৌপথে নারায়ণগঞ্জ-নরসিংদী থেকে চাল, ডাল-আটা ময়দা, তেল-নুন সব আনত। বন্ধ হওয়াতে বাড়তি খরচ যেয়ে বর্তায় সাধারণ মানুষের ঘাড়ে। নদীটি যদি রক্ষা করা না হয়, একদিন বাঞ্ছারামপুরবাসী হারানো ঢোলভাঙ্গার জন্য কাঁদবে’।

ব্রাহ্মবাড়িয়ার জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ঢোলভাঙ্গা নদী। পানি না থাকায় স্থানীয়ভাবে আমদানি করা বিভিন্ন জিনিস আটকে আছে। আটকে আছে যাত্রীবাহী নৌকাও। নদীর তীর দখল করে প্রভাবশালীরা একটু একটু করে দখল করে মার্কেট, বাড়ি নির্মান করছেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় সমাজসেবী মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ। তিনি বলেন, আমরা প্রয়োজনে প্রশাসনের কাছে ঢোলভাঙ্গা নদী খননের জন্য হাজার-হাজার মানুষের ফরিয়াদ লিখিতকারে জমা দিব।

এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানান, আমাদের আশপাশের সব ময়লা-আবর্জনা ফেলার কোনো নির্দিষ্ট স্থান না থাকার কারণে বর্তমানে নদীতে ফেলতে হচ্ছে আমাদের সব বর্জ্য। তাই বর্তমানে আমাদের ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে ঢোলভাঙ্গা নদীর অবস্থা দিনে দিনে অনেকটইা নোংরা হয়ে যচ্ছে।
ঢোলভাঙ্গা নদীতে যেন ময়লা-আবর্জনা আর ফেলতে না হয় তার জন্য পৌরসভার কাছে দাবি জানান স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে ঢোলভাঙ্গা নদীতে। এ অবস্থায় ভরাট হয়ে যাচ্ছে নদী। বাড়ছে দূষণ। ছড়িয়ে পড়ছে রোগব্যাধি। দূষণে নদীর পানি ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। দেখা যায়, বাঞ্ছারামপুর পৌর এলাকার প্রতাবগঞ্জ বাজারের মাংসপট্টি, পোলট্রি মুরগি বিক্রির দোকান এবং কাঁচা তরকারির দোকান রয়েছে। প্রতিদিন খোলা জায়গায় জবাই করা গরু-ছাগল, মুরগির রক্ত, বিষ্ঠা, পঁচা মাছ এবং তরকারি আবর্জনা যেখানে সেখানে ফেলে রাখা হয়।

বাংলাদেশ সরকারের উপ-সচিব প্রকৌশলী আল আমীন বলেন, ‘বাঞ্ছারামপুর গ্রামে আমার জন্ম হওয়ায় কিছু দিন আগে তিতাস নদী যখন ড্রেজিং করা হয় তখন সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকের সঙ্গে এই নদীটির খনন করা যায় কিনা এ বিষয়ে চেষ্টা‌ করেছিলাম।‌ দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, যখন এ বিষয়ে আলোচনা করেছিলাম ততদিনে তিতাস নদী খননের সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদিত হয়ে যায় ফলে তিতাস নদী খননের কাজটি সঙ্গে ঢোলভাঙ্গা নদী খননের কাজটির আর অগ্রগতি করতে পারিনি।‌ পরবর্তীতে কোনো একসময় যখন আবার গ্রামে যাই তখন লোক মুখে জানতে পারি ভেকু দিয়ে দু’পাড়ের কিছু খনন হয়েছে বটে তবে নদীটির নাব্যতা ফিরে পায়নি।’

বিআইডব্লিউটিএ-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রহমান আজ মুঠোফোনে এ প্রসঙ্গে বলেন, স্থানীয় এলাকাবাসী ও ইউএনও যদি নদী খননের জন্য চাহিদাপত্র দেয়, তা হলে আমরা বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ নিব।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম সম্প্রতি খাল খনন এক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কালের কন্ঠকে বলেছিলেন, ‘ঢোলভাঙ্গা নদীর ড্রেজিংয়ের বিষয়ে আমি ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে কথা বলেছি। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদী খননের তালিকায় এটির নাম অন্তর্ভুক্ত আছে এবং খননের সুপারিশ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে মর্মে সংশ্লিষ্ট দপ্তর হতে জানান। এ ছাড়া দখল ও দূষণ প্রতিরোধে অভিযান চলমান থাকবে।’

০৫/০৬/২০২৬
ঢোলভাঙ্গা নদীর বর্তমান ছবি সংযুক্ত

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ঢোলভাঙ্গায় পানি নেই, আছে দূষন,দখল আর আবর্জনা

আপডেট সময় : ০৬:১৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

মেঘনার শাখা নদী তিতাস অববাহিকায় ঢোলভাঙ্গা নদীটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার জন্য ছিল অতীব গুরুত্বপূর্ণ। এলাকার প্রাণ বা নিউক্লিয়াস। কী সামাজিকভাবে, কী অর্থনৈতিক-কৃষি, কী শিল্প বা পরিবহনের জন্য কিন্তু ঢোলভাঙ্গা নদীর গতিপথ বন্ধ হয়ে গেছে কেবল ড্রেজিংয়ের অভাবে। এ ছাড়া আবর্জনা, দূষণ ও দখলের কারণে হারিয়ে যাচ্ছে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ নদীটি।

হারিয়ে যাচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার বাঞ্ছারামপুরের একসময়ের খরস্রোতা প্রাণের ঢোলভাঙ্গা নদীটি। বর্তমানে এটি বদ্ধ জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এই নদীর বেশির ভাগ স্থানে শুষ্ক মৌসুমে নৌকা চলাচলের মতো পানি থাকে না। কোথাও কোথাও একেবারে শুকিয়ে যায়।

নদ-নদী দেশের প্রাণ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ঢোলভাঙ্গা বন্ধ মানে নৌপথ বন্ধ। নৌপথ বন্ধ মানে ব্যবসায়ীরা মালামাল উচ্চ ভাড়ায় সড়ক পথে মালামাল আনছেন। যেটি আগে ছিল না।

উপজেলার পৌর এলাকার প্রধান বাজারের সব বর্জ্য এখানে নিয়মিত ফেলায় বন্ধ হয়ে গেছে নদীর গতিপথ। দূষণের গন্ধে নাকে রুমাল চেপে পারি দিতে হয় উপজেলার সংযোগ সেতুর ওপর দিয়ে।
উপজেলা পরিষদ চত্বরের সামনে বালিকা বিদ্যালয় হয়ে সমস্ত দূষিত পানি ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে উপজেলা- বাজারের সংযোগ ব্রীজের উভয় পাশে দিনভর নদীতে ফেলা হচ্ছে, প্রশাসনের নাকের ডগায়।

পরিবেশ নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা
তরী বাংলাদেশ এর মূখ্য সমন্বয়ক শামীম আহমেদের ভাষ্য, “ঢোল ভাঙ্গা নদীটি বাঁচাতে হলে আগে দূষণ- দখল – আবর্জনা বন্ধ করতে হবে।এরপর,ড্রেজিং করতে হবে।
নইলে একদিন এই নদীর জন্য মানুষ আফসোস করবে”।

পৌর শহরের চক বাজারের প্রবীণ ব্যবসায়ী মুরতুজ মিয়া বলেন, ‘আগে বাজারের ব্যবসায়ীরা নৌপথে নারায়ণগঞ্জ-নরসিংদী থেকে চাল, ডাল-আটা ময়দা, তেল-নুন সব আনত। বন্ধ হওয়াতে বাড়তি খরচ যেয়ে বর্তায় সাধারণ মানুষের ঘাড়ে। নদীটি যদি রক্ষা করা না হয়, একদিন বাঞ্ছারামপুরবাসী হারানো ঢোলভাঙ্গার জন্য কাঁদবে’।

ব্রাহ্মবাড়িয়ার জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ঢোলভাঙ্গা নদী। পানি না থাকায় স্থানীয়ভাবে আমদানি করা বিভিন্ন জিনিস আটকে আছে। আটকে আছে যাত্রীবাহী নৌকাও। নদীর তীর দখল করে প্রভাবশালীরা একটু একটু করে দখল করে মার্কেট, বাড়ি নির্মান করছেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় সমাজসেবী মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ। তিনি বলেন, আমরা প্রয়োজনে প্রশাসনের কাছে ঢোলভাঙ্গা নদী খননের জন্য হাজার-হাজার মানুষের ফরিয়াদ লিখিতকারে জমা দিব।

এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানান, আমাদের আশপাশের সব ময়লা-আবর্জনা ফেলার কোনো নির্দিষ্ট স্থান না থাকার কারণে বর্তমানে নদীতে ফেলতে হচ্ছে আমাদের সব বর্জ্য। তাই বর্তমানে আমাদের ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে ঢোলভাঙ্গা নদীর অবস্থা দিনে দিনে অনেকটইা নোংরা হয়ে যচ্ছে।
ঢোলভাঙ্গা নদীতে যেন ময়লা-আবর্জনা আর ফেলতে না হয় তার জন্য পৌরসভার কাছে দাবি জানান স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে ঢোলভাঙ্গা নদীতে। এ অবস্থায় ভরাট হয়ে যাচ্ছে নদী। বাড়ছে দূষণ। ছড়িয়ে পড়ছে রোগব্যাধি। দূষণে নদীর পানি ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। দেখা যায়, বাঞ্ছারামপুর পৌর এলাকার প্রতাবগঞ্জ বাজারের মাংসপট্টি, পোলট্রি মুরগি বিক্রির দোকান এবং কাঁচা তরকারির দোকান রয়েছে। প্রতিদিন খোলা জায়গায় জবাই করা গরু-ছাগল, মুরগির রক্ত, বিষ্ঠা, পঁচা মাছ এবং তরকারি আবর্জনা যেখানে সেখানে ফেলে রাখা হয়।

বাংলাদেশ সরকারের উপ-সচিব প্রকৌশলী আল আমীন বলেন, ‘বাঞ্ছারামপুর গ্রামে আমার জন্ম হওয়ায় কিছু দিন আগে তিতাস নদী যখন ড্রেজিং করা হয় তখন সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকের সঙ্গে এই নদীটির খনন করা যায় কিনা এ বিষয়ে চেষ্টা‌ করেছিলাম।‌ দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, যখন এ বিষয়ে আলোচনা করেছিলাম ততদিনে তিতাস নদী খননের সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদিত হয়ে যায় ফলে তিতাস নদী খননের কাজটি সঙ্গে ঢোলভাঙ্গা নদী খননের কাজটির আর অগ্রগতি করতে পারিনি।‌ পরবর্তীতে কোনো একসময় যখন আবার গ্রামে যাই তখন লোক মুখে জানতে পারি ভেকু দিয়ে দু’পাড়ের কিছু খনন হয়েছে বটে তবে নদীটির নাব্যতা ফিরে পায়নি।’

বিআইডব্লিউটিএ-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রহমান আজ মুঠোফোনে এ প্রসঙ্গে বলেন, স্থানীয় এলাকাবাসী ও ইউএনও যদি নদী খননের জন্য চাহিদাপত্র দেয়, তা হলে আমরা বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ নিব।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম সম্প্রতি খাল খনন এক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কালের কন্ঠকে বলেছিলেন, ‘ঢোলভাঙ্গা নদীর ড্রেজিংয়ের বিষয়ে আমি ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে কথা বলেছি। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদী খননের তালিকায় এটির নাম অন্তর্ভুক্ত আছে এবং খননের সুপারিশ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে মর্মে সংশ্লিষ্ট দপ্তর হতে জানান। এ ছাড়া দখল ও দূষণ প্রতিরোধে অভিযান চলমান থাকবে।’

০৫/০৬/২০২৬
ঢোলভাঙ্গা নদীর বর্তমান ছবি সংযুক্ত