ঢাকা ০৮:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক লন্ডনে কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার জন্মদিন পালন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে নেতাকর্মীদের মিলনমেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে চার শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

দেশে নতুন গণতান্ত্রিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা করতে হবে”- জোনায়েদ সাকি

ফয়সল আহমেদ খান, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:১৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
  • / ৪৮২ বার পড়া হয়েছে

ছবি প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে আজ বৃহস্পতিবার(২৬ জুন) বিকালে উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নে দলীয় কার্যালয় উদ্ধোধন করেন। উদ্ধোধন শেষে এক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে যেয়ে জোনায়েদ সাকি বলেন, রাষ্ট্রের মূলনীতি নিয়ে এখনো ঐকমত্য হয়নি। এ বিষয়ে নতুন একটি প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংবিধানের মূলনীতিতে কী কী অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে, সে বিষয়ে ঐকমত্য কমিশনের সাথে আলোচনা হয়েছে। সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সুবিচার, গণতন্ত্র এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা, সম্প্রীতি ও পক্ষপাতহীনতা—এই পাঁচ বিষয়কে সমর্থন করেছেন তাঁরা।

জোনায়েদ সাকি বলেন, ভবিষ্যতে অন্তত এই পাঁচ বিষয় সংবিধানে থাকতে হবে—এই রকম একটি ঐকমত্যে পৌঁছানোর বিষয়ে তিনি আশাবাদী।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, দেশে নতুন গণতান্ত্রিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, বিচার বিভাগসহ রাষ্ট্রের সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে গণতান্ত্রিক করে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক সংস্কার ও রূপান্তর ঘটাতে হবে। যাতে জনগণ, রাষ্ট্র, সমাজ সবক্ষেত্রে গণক্ষমতায়ন হয়, ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা হয়।

 

জনগণের বৃহত্তর স্বার্থের বাইরে গণসংহতি আন্দোলনের আর কোনো স্বার্থ নাই উল্লে­খ করে জোনায়েদ সাকি বলেন, আমরা দেশের মানুষের মর্যাদা, সামাজিক অর্থনৈতিক মুক্তি, ভোটাধিকারসহ জনগণের সার্বিক মুক্তির জন্য সংগ্রাম করছি। এই রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা জনগণকে রক্ষা করতে ভূমিকা নিতে হবে। ভারতের আধিপত্য আগ্রাসন পুনরায় ফিরতে দেওয়া হবে না।

 

বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমন্ধয়ক শামিম শিবলী ছাড়াও সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন মাতু ডাক্তার, মো: রকিবুল ইসলাম, মহিউদ্দিন,আল আমিন মাস্টার, রাকিব মাস্টার,মো: ইলিয়াস, মো: মাঈনুদ্দিন,মো: মোস্তাক, আব্দুর রিশিদ,মো: সুজন, বাবুল সরকার,মো: মানিক মিয়া প্রমূখ।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

দেশে নতুন গণতান্ত্রিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা করতে হবে”- জোনায়েদ সাকি

আপডেট সময় : ০৬:১৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে আজ বৃহস্পতিবার(২৬ জুন) বিকালে উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নে দলীয় কার্যালয় উদ্ধোধন করেন। উদ্ধোধন শেষে এক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে যেয়ে জোনায়েদ সাকি বলেন, রাষ্ট্রের মূলনীতি নিয়ে এখনো ঐকমত্য হয়নি। এ বিষয়ে নতুন একটি প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংবিধানের মূলনীতিতে কী কী অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে, সে বিষয়ে ঐকমত্য কমিশনের সাথে আলোচনা হয়েছে। সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সুবিচার, গণতন্ত্র এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা, সম্প্রীতি ও পক্ষপাতহীনতা—এই পাঁচ বিষয়কে সমর্থন করেছেন তাঁরা।

জোনায়েদ সাকি বলেন, ভবিষ্যতে অন্তত এই পাঁচ বিষয় সংবিধানে থাকতে হবে—এই রকম একটি ঐকমত্যে পৌঁছানোর বিষয়ে তিনি আশাবাদী।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, দেশে নতুন গণতান্ত্রিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, বিচার বিভাগসহ রাষ্ট্রের সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে গণতান্ত্রিক করে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক সংস্কার ও রূপান্তর ঘটাতে হবে। যাতে জনগণ, রাষ্ট্র, সমাজ সবক্ষেত্রে গণক্ষমতায়ন হয়, ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা হয়।

 

জনগণের বৃহত্তর স্বার্থের বাইরে গণসংহতি আন্দোলনের আর কোনো স্বার্থ নাই উল্লে­খ করে জোনায়েদ সাকি বলেন, আমরা দেশের মানুষের মর্যাদা, সামাজিক অর্থনৈতিক মুক্তি, ভোটাধিকারসহ জনগণের সার্বিক মুক্তির জন্য সংগ্রাম করছি। এই রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা জনগণকে রক্ষা করতে ভূমিকা নিতে হবে। ভারতের আধিপত্য আগ্রাসন পুনরায় ফিরতে দেওয়া হবে না।

 

বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সমন্ধয়ক শামিম শিবলী ছাড়াও সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন মাতু ডাক্তার, মো: রকিবুল ইসলাম, মহিউদ্দিন,আল আমিন মাস্টার, রাকিব মাস্টার,মো: ইলিয়াস, মো: মাঈনুদ্দিন,মো: মোস্তাক, আব্দুর রিশিদ,মো: সুজন, বাবুল সরকার,মো: মানিক মিয়া প্রমূখ।