ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার ডুয়েট শিক্ষার্থী নাহিদ।। মুক্তিপণ আদায়ের পর মুক্ত  ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে জেলা পরিষদ প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নানা অনিয়মের দায়ে অচি মেমোরিয়াল ও পদ্মা মা ও শিশু হাসপাতালকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা হাইকোর্টের নির্দেশে বন্ধ হলো বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৬৫টি কচ্ছপ উদ্ধার, সালদানদীতে অবমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজীপাড়ায় মাদকবিরোধী সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত নদী-খাল-বিলে মাছ রক্ষায় অবৈধ রিংজাল বন্ধে সচেতনতার আহ্বান জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের এফ এ টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে জেলা পরিষদের আর্থিক অনুদান প্রদান ঢেউ’র আহবায়ক সোহেল সদস্য সচিব আইফাত  তিতাস তীরের কৃষিজমি ও জলাশয় দখলমুক্তে উচ্ছেদ অভিযান

নাসিরনগরে ব্যবসায়ীকে নিজ ঘরে কুপিয়ে হত্যা

নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ০৭:৩০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৩৭৮ বার পড়া হয়েছে

নাসিরনগরে ৩ সেপ্টেম্বর সকালে মো. আলম মিয়া (৫৮) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ নিজ বসতঘর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, ২ সেপ্টেম্বর রাতের কোনো এক সময়ে দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে তাকে হত্যা করে রেখে গেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ফান্দাউক বাজারের টিন-রড ব্যবসায়ী ছিলেন হাজী আলম মিয়া (৫৮)। তিনি ফান্দাউক গ্রামের মুন্সীপাড়া এলাকার ওয়াহেদ আলীর ছেলে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন। তবে বনিবনা না হওয়ায় দ্বিতীয় স্ত্রী তাকে ডিভোর্স দিয়ে চলে যান। তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। ছেলে-বৌ সিলেটে থাকেন এবং দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। তাই তিনি একাই বসবাস করতেন বাড়িতে। প্রতিদিনের মতো ২ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বাড়ি ফিরে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন আলম মিয়া।

পরদিন সকালে কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীরা ঘরের সামনে গিয়ে দেখেন, দরজা খোলা আর ভেতরে রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে। দেখা যায়, ঘরের টিন কাটা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ফাঁক দিয়েই প্রবেশ করেছিল দুর্বৃত্তরা। বুধবার সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে নাসিরনগর থানা পুলিশ।

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কে বা কারা জড়িত, সেটা জানতে কাজ করছে পুলিশ। “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি চুরির ঘটনা হতে পারে। চুরির এক পর্যায়ে হয়তো তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে অপর একটি পক্ষ বলছে এটি পারিবারিক ও পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তদন্তের পর প্রকৃত রহস্য জানা যাবে।”

ময়নাতদন্তের জন্য লাশ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নাসিরনগরে ব্যবসায়ীকে নিজ ঘরে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় : ০৭:৩০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নাসিরনগরে ৩ সেপ্টেম্বর সকালে মো. আলম মিয়া (৫৮) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ নিজ বসতঘর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, ২ সেপ্টেম্বর রাতের কোনো এক সময়ে দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে তাকে হত্যা করে রেখে গেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ফান্দাউক বাজারের টিন-রড ব্যবসায়ী ছিলেন হাজী আলম মিয়া (৫৮)। তিনি ফান্দাউক গ্রামের মুন্সীপাড়া এলাকার ওয়াহেদ আলীর ছেলে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন। তবে বনিবনা না হওয়ায় দ্বিতীয় স্ত্রী তাকে ডিভোর্স দিয়ে চলে যান। তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। ছেলে-বৌ সিলেটে থাকেন এবং দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। তাই তিনি একাই বসবাস করতেন বাড়িতে। প্রতিদিনের মতো ২ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বাড়ি ফিরে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন আলম মিয়া।

পরদিন সকালে কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীরা ঘরের সামনে গিয়ে দেখেন, দরজা খোলা আর ভেতরে রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে। দেখা যায়, ঘরের টিন কাটা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ফাঁক দিয়েই প্রবেশ করেছিল দুর্বৃত্তরা। বুধবার সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে নাসিরনগর থানা পুলিশ।

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কে বা কারা জড়িত, সেটা জানতে কাজ করছে পুলিশ। “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি চুরির ঘটনা হতে পারে। চুরির এক পর্যায়ে হয়তো তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে অপর একটি পক্ষ বলছে এটি পারিবারিক ও পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তদন্তের পর প্রকৃত রহস্য জানা যাবে।”

ময়নাতদন্তের জন্য লাশ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।