ঢাকা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তিতাসের বুকে দুই বছর পর নৌকা বাইচ, অর্ধলক্ষাধিক দর্শকের উচ্ছ্বাস বিজয়নগর মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি মাইনুদ্দিন রুবেল,সাধারণ সম্পাদক এস এম টিপু চৌধুরী পলিথিন বর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে শাহীন ভাইস চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমান সেক্রেটারি বণিকপাড়ার সড়কে জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা আনন্দ মিছিল মৎস্য অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নদী-প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপির বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ গ্যাস সংকটে বন্ধ সার কারখানা চালুর দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্দন ও বিক্ষোভ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই সমাজের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত শতাধিক

নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ১২:২৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • / ২২১ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নে দুই সমাজের দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নারী, পুরুষ ও শিশুসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চৌরা সমাজ ও হোনারো সমাজের মধ্যে রমজানের শুরু থেকেই উত্তেজনা বিরাজ করছিল। জাতীয় নির্বাচনের পর থেকে এই উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে কয়েকটি গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে থেমে থেমে চলা এই সংঘর্ষ বেলা ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সংঘর্ষের তীব্রতা ও বিস্তৃতি বাড়তে থাকে এবং আশপাশের অন্তত সাতটি গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। লালুয়ারটুকু, দক্ষিণদিয়া, শিবপুর, জামারবালি, মাইজখোলা ও কদমতলী গ্রামের লোকজনও এতে জড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন চৌরা সমাজের মাওলানা হাবীবুর রহমান (৪০), এবং হোনারো সমাজের আক্তার হোসেন (৫০)।
আহতদের নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, অষ্টগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আগে থেকেই সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকলেও সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এমন মর্মান্তিক ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো।

গোয়ালনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজহারুল হক চৌধুরী জানান, “দীর্ঘদিন ধরে দুই সমাজের মধ্যে বিরোধ চলছিল এবং তা মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।”

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুল ইসলাম বলেন, “পূর্বের বিরোধের জেরে সকালে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে দুইজন নিহত হয়েছেন। একজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং অন্যজনের মরদেহ পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে।”

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই সমাজের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত শতাধিক

আপডেট সময় : ১২:২৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নে দুই সমাজের দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নারী, পুরুষ ও শিশুসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চৌরা সমাজ ও হোনারো সমাজের মধ্যে রমজানের শুরু থেকেই উত্তেজনা বিরাজ করছিল। জাতীয় নির্বাচনের পর থেকে এই উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে কয়েকটি গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে থেমে থেমে চলা এই সংঘর্ষ বেলা ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সংঘর্ষের তীব্রতা ও বিস্তৃতি বাড়তে থাকে এবং আশপাশের অন্তত সাতটি গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। লালুয়ারটুকু, দক্ষিণদিয়া, শিবপুর, জামারবালি, মাইজখোলা ও কদমতলী গ্রামের লোকজনও এতে জড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন চৌরা সমাজের মাওলানা হাবীবুর রহমান (৪০), এবং হোনারো সমাজের আক্তার হোসেন (৫০)।
আহতদের নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, অষ্টগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আগে থেকেই সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকলেও সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এমন মর্মান্তিক ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো।

গোয়ালনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজহারুল হক চৌধুরী জানান, “দীর্ঘদিন ধরে দুই সমাজের মধ্যে বিরোধ চলছিল এবং তা মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।”

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুল ইসলাম বলেন, “পূর্বের বিরোধের জেরে সকালে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে দুইজন নিহত হয়েছেন। একজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং অন্যজনের মরদেহ পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে।”