ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পাবলিক লাইব্রেরিকে জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করতে হবে — জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ মায়ের দল আওয়ামী লীগ, মেয়ের পথ বিএনপি।। মনোনয়ন ঘিরে কৌতূহল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈশাখী উৎসবের সমাপনী: আবৃত্তি, সঙ্গীত ও আলোচনা সভায় সংস্কৃতিচর্চার আহ্বান টিকেট কালোবাজারি রোধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন রেলওয়ে ফাঁড়ি ইনচার্জ শাহ আলম তিতাসে দেশের সর্বোচ্চ গভীর কূপ ‘তিতাস-৩১’ খনন শুরু, প্রতিদিন মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পিবিআইয়ের চৌকস তদন্তে উন্মোচিত নিশাত হত্যা রহস্য: ‘ঘুরতে নেওয়ার প্রলোভন’, তারপর শ্বাসরোধে নৃশংস হত্যার চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের দুইদিন পর স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজের মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা প্রবর্তক একাডেমি ও ঢেউ আয়োজিত আনন্দ শোভাযাত্রা যেমন খুশি তেমন সাজে লোকজ পুরস্কার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজকে গণসংবর্ধনা

আশুগঞ্জে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ৩০ জন

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৩:০২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫
  • / ২৭৫ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে ফুল ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৭ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৪ জুন) রাতে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় দোকানপাট, বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয় এবং একটি বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। আহতদের আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বুধবার (২৫ জুন) সকাল থেকে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১০-১২ দিন আগে মহাজন বাড়ি ও সরকার বাড়ির মধ্যে ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হলে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। কিন্তু মঙ্গলবার বিকেলে বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ওই দুই পক্ষের ছেলেদের মধ্যে আবার ফুটবল খেলা চলাকালে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়।

এ সময় মহাজন বাড়ির নুরুল হকের ছেলে ইয়াছিন পাশের কবরস্থান থেকে একটি ফুল ছেঁড়ে আনেন। পরে সরকার বাড়ির ফাইজুর রহমানের ছেলে আসিফ স্কুলের আঙিনা থেকে ফুল ছেঁড়ার চেষ্টা করলে দুইজনের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়, যা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এরপর ঘটনাটি দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

রাতে মহাজন বাড়ির পক্ষ থেকে মোল্লা বাড়ি ও আছিরের বাড়ি এবং সরকার বাড়ির পক্ষ থেকে জাকির মিয়ার বাড়ির লোকজন দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন, যার মধ্যে ৭ জন পুলিশ সদস্যও রয়েছেন। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে গেলে পুলিশ ইটপাটকেলের মুখে পড়ে এবং তাদের একটি সরকারি গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খাইরুল আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং সেনাবাহিনীর সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আশুগঞ্জে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ৩০ জন

আপডেট সময় : ০৩:০২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে ফুল ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৭ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৪ জুন) রাতে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় দোকানপাট, বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয় এবং একটি বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। আহতদের আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বুধবার (২৫ জুন) সকাল থেকে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১০-১২ দিন আগে মহাজন বাড়ি ও সরকার বাড়ির মধ্যে ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হলে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। কিন্তু মঙ্গলবার বিকেলে বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ওই দুই পক্ষের ছেলেদের মধ্যে আবার ফুটবল খেলা চলাকালে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়।

এ সময় মহাজন বাড়ির নুরুল হকের ছেলে ইয়াছিন পাশের কবরস্থান থেকে একটি ফুল ছেঁড়ে আনেন। পরে সরকার বাড়ির ফাইজুর রহমানের ছেলে আসিফ স্কুলের আঙিনা থেকে ফুল ছেঁড়ার চেষ্টা করলে দুইজনের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়, যা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এরপর ঘটনাটি দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

রাতে মহাজন বাড়ির পক্ষ থেকে মোল্লা বাড়ি ও আছিরের বাড়ি এবং সরকার বাড়ির পক্ষ থেকে জাকির মিয়ার বাড়ির লোকজন দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন, যার মধ্যে ৭ জন পুলিশ সদস্যও রয়েছেন। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে গেলে পুলিশ ইটপাটকেলের মুখে পড়ে এবং তাদের একটি সরকারি গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খাইরুল আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং সেনাবাহিনীর সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।