ঢাকা ১১:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার ডুয়েট শিক্ষার্থী নাহিদ।। মুক্তিপণ আদায়ের পর মুক্ত  ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে জেলা পরিষদ প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নানা অনিয়মের দায়ে অচি মেমোরিয়াল ও পদ্মা মা ও শিশু হাসপাতালকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা হাইকোর্টের নির্দেশে বন্ধ হলো বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৬৫টি কচ্ছপ উদ্ধার, সালদানদীতে অবমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজীপাড়ায় মাদকবিরোধী সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত নদী-খাল-বিলে মাছ রক্ষায় অবৈধ রিংজাল বন্ধে সচেতনতার আহ্বান জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের এফ এ টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে জেলা পরিষদের আর্থিক অনুদান প্রদান ঢেউ’র আহবায়ক সোহেল সদস্য সচিব আইফাত  তিতাস তীরের কৃষিজমি ও জলাশয় দখলমুক্তে উচ্ছেদ অভিযান

আশুগঞ্জে হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, ১ লাখ টাকা জরিমানা ও কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৬৬ বার পড়া হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায় অনুমোদনহীনভাবে পরিচালিত একটি হাসপাতালের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) উপজেলার সদর ইউনিয়নের আশুগঞ্জ বাজার রোডে অবস্থিত নিউ গ্রীন লাইফ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার-এ এ অভিযান পরিচালনা করেন আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাফে মোহাম্মদ ছড়া।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জলিল কায়সার এবং প্রসিকিউটর শাহেদ আহমেদ।

অভিযান চলাকালে দেখা যায়, হাসপাতালটির লাইসেন্স ২০১৮-১৯ সালে এক বছরের জন্য অনুমোদিত হলেও পরবর্তীতে তা আর নবায়ন করা হয়নি। অথচ দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর ধরে অনুমোদন ছাড়াই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়ে আসছিল।

এছাড়া হাসপাতালটিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছিল না, এক্স-রে পরিচালনার জন্য নিয়োজিত টেকনোলজিস্টের কোনো নিয়োগপত্র বা বৈধ সনদ পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবার মূল্য তালিকাও প্রদর্শন করা হয়নি এবং সার্বিক পরিবেশও ছিল অস্বাস্থ্যকর।

অভিযানের সময় হাসপাতালের শেয়ারহোল্ডার ও চিকিৎসক ডা. মাসুদ রানাকে উপস্থিত পাওয়া যায়।

আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাফে মোহাম্মদ ছড়া বলেন, মেডিকেল প্র্যাক্টিস ও বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৮২-এর ৬, ৭ ও ৮ ধারা এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারা অনুযায়ী হাসপাতালটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ না করা পর্যন্ত হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আশুগঞ্জে হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, ১ লাখ টাকা জরিমানা ও কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায় অনুমোদনহীনভাবে পরিচালিত একটি হাসপাতালের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) উপজেলার সদর ইউনিয়নের আশুগঞ্জ বাজার রোডে অবস্থিত নিউ গ্রীন লাইফ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার-এ এ অভিযান পরিচালনা করেন আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাফে মোহাম্মদ ছড়া।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জলিল কায়সার এবং প্রসিকিউটর শাহেদ আহমেদ।

অভিযান চলাকালে দেখা যায়, হাসপাতালটির লাইসেন্স ২০১৮-১৯ সালে এক বছরের জন্য অনুমোদিত হলেও পরবর্তীতে তা আর নবায়ন করা হয়নি। অথচ দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর ধরে অনুমোদন ছাড়াই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়ে আসছিল।

এছাড়া হাসপাতালটিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছিল না, এক্স-রে পরিচালনার জন্য নিয়োজিত টেকনোলজিস্টের কোনো নিয়োগপত্র বা বৈধ সনদ পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবার মূল্য তালিকাও প্রদর্শন করা হয়নি এবং সার্বিক পরিবেশও ছিল অস্বাস্থ্যকর।

অভিযানের সময় হাসপাতালের শেয়ারহোল্ডার ও চিকিৎসক ডা. মাসুদ রানাকে উপস্থিত পাওয়া যায়।

আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাফে মোহাম্মদ ছড়া বলেন, মেডিকেল প্র্যাক্টিস ও বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৮২-এর ৬, ৭ ও ৮ ধারা এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারা অনুযায়ী হাসপাতালটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ না করা পর্যন্ত হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।