ঢাকা ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক লন্ডনে কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার জন্মদিন পালন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে নেতাকর্মীদের মিলনমেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে চার শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

নির্বাচন নিয়ে তালবাহানা করলে দেশের জনগণ মেনে নেবে নাঃ কয়ছর এম আহমেদ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:২১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
  • / ৩৫০ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কয়ছর এম আহমেদ বলেছেন, দেশের মানুষ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি এ সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন দেবে। আর যদি নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তালবাহানা করে তাহলে এ দেশের জনগণ তা সহজে মেনে নেবে না। আমরা বিশ্বাস করি সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন দিয়ে মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেবে।

কয়ছর এম আহমেদ আরো বলেন, ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে ছাত্র-জনতা। শুধু শেষ হাসিনা নয়, তার দলের অসংখ্য নেতাকর্মীও পালিয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত বিএনপির কোনো নেতাকর্মী দেশ থেকে পালায়নি। বরং এ দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে যতগুলো আন্দোলন সংগ্রাম হয়েছে সেই সকল আন্দোলন সংগ্রামে বিএনপির নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেছে। সকলের সম্মিলিত আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মাফিয়া শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে। জনগণ ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগকে বয়কট করা শুরু করেছে।

তিনি আরো বলেন, দেশের মানুষের মূল যে দাবি দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন দেওয়া, তার কারণ হচ্ছে এ দেশের মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর স্বৈরাচার শেখ হাসিনার আমলে ভোট দিতে পারেনি। এই মাফিয়া শেখ হাসিনা মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছিল। যার কারণে মানুষ এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে বারবার দাবি জানিয়ে আসছে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন দেওয়ার। তারা একটি অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ভোট দিতে চায়। এ সরকার যে সংস্কার সংস্কার করছেন, আমরা বলব সংস্কারের অন্যতম মূল বিষয় হচ্ছে নির্বাচন।
উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ আজমল হুসেন সভাপতিত্বে ও উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম ও সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. রাহিন তালুকদারের যৌথ সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন— জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দিন আহমদ সোহেল, অ্যাডভোকেট জিয়াউর রহিম শাহীন, এম এ মুকিত, জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু হুরায়রা সাদ মাস্টার, বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মতিনসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নির্বাচন নিয়ে তালবাহানা করলে দেশের জনগণ মেনে নেবে নাঃ কয়ছর এম আহমেদ

আপডেট সময় : ০৮:২১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কয়ছর এম আহমেদ বলেছেন, দেশের মানুষ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি এ সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন দেবে। আর যদি নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তালবাহানা করে তাহলে এ দেশের জনগণ তা সহজে মেনে নেবে না। আমরা বিশ্বাস করি সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন দিয়ে মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেবে।

কয়ছর এম আহমেদ আরো বলেন, ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে ছাত্র-জনতা। শুধু শেষ হাসিনা নয়, তার দলের অসংখ্য নেতাকর্মীও পালিয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত বিএনপির কোনো নেতাকর্মী দেশ থেকে পালায়নি। বরং এ দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে যতগুলো আন্দোলন সংগ্রাম হয়েছে সেই সকল আন্দোলন সংগ্রামে বিএনপির নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেছে। সকলের সম্মিলিত আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মাফিয়া শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে। জনগণ ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগকে বয়কট করা শুরু করেছে।

তিনি আরো বলেন, দেশের মানুষের মূল যে দাবি দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন দেওয়া, তার কারণ হচ্ছে এ দেশের মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর স্বৈরাচার শেখ হাসিনার আমলে ভোট দিতে পারেনি। এই মাফিয়া শেখ হাসিনা মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছিল। যার কারণে মানুষ এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে বারবার দাবি জানিয়ে আসছে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন দেওয়ার। তারা একটি অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ভোট দিতে চায়। এ সরকার যে সংস্কার সংস্কার করছেন, আমরা বলব সংস্কারের অন্যতম মূল বিষয় হচ্ছে নির্বাচন।
উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ আজমল হুসেন সভাপতিত্বে ও উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম ও সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. রাহিন তালুকদারের যৌথ সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন— জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দিন আহমদ সোহেল, অ্যাডভোকেট জিয়াউর রহিম শাহীন, এম এ মুকিত, জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু হুরায়রা সাদ মাস্টার, বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মতিনসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।