ঢাকা ১২:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় বাঞ্ছারামপুরে সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ৩০ টি কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে জোড়াতালি দিয়ে।। পরিত্যক্ত ভবনে চলে মাদকসেবন কসবায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আখাউড়ায় ৪ মাসপর জামিন মিললো মানসিক ভারসাম্যহীন তিন সন্তানের জননীর। বিজয়নগরে কিশোরীর বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০ সরাইল থানার ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, পুলিশের জিডি সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে ইজারার নামে যুবদল নেতার চাঁদা আদায়ের চেষ্টা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল মণ্ডপে শোভিত প্রতিমা, কানে কানে উৎসব পৌঁছে দিচ্ছে ঢাক সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নজরুলের বাড়িতে শোকের মাতম

মাদক কারবারির বাড়িতে সিসি ক্যামেরা: নজরদারিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৬:৫১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫
  • / ৩৩৩ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার সীমান্তঘেষা সেনারবাদী গ্রামে চিহ্নিত মাদক কারবারি ‘ফেন্সি কালু’ তার বাড়িতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি নজরদারিতে রাখছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১৫ জুন) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজিব মিয়ার নেতৃত্বে আখাউড়া থানা পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) একটি দল কালুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সিসি ক্যামেরাগুলো জব্দ করে।

উপজেলার আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মাসিক বৈঠকে ৬০ বিজিবি আখাউড়া ক্যাম্প কমান্ডার জানান, কালু ও তার গ্যাং সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় মাদকের আস্তানা গড়ে তুলেছে। বিজিবির নজরদারিতে বাধা দিতে তারা বাড়িতে সিসি ক্যামেরা বসায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কালুর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, ফেনসিডিল, মদ ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তারা একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগও করেছেন। সম্প্রতি কালুর ভাই শাহাদাত সীমান্ত এলাকা থেকে মাদক ও ভারতীয় অবৈধ পণ্যসহ বিজিবির হাতে গ্রেপ্তার হন।

এ বিষয়ে একটি অনলাইনে ‘অগ্রযাত্রা এক্সক্লুসিভ’ নামের একটি পেইজে বিজিবির বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করে ঘটনাকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

কালুর মা স্বীকার করেছেন, তারা আগে মাদকের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং এখন আর নেই। তিনি জানান, কেউ যাতে হয়রানি না করতে পারে, সে জন্যই বাড়িতে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল।

আখাউড়া থানার ওসি মো. ছমিউদ্দিন জানান, মাদক সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় সিসি ক্যামেরাগুলো খুলে ফেলা হয়েছে।

এলাকাবাসী মাদক চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

মাদক কারবারির বাড়িতে সিসি ক্যামেরা: নজরদারিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

আপডেট সময় : ০৬:৫১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার সীমান্তঘেষা সেনারবাদী গ্রামে চিহ্নিত মাদক কারবারি ‘ফেন্সি কালু’ তার বাড়িতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি নজরদারিতে রাখছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১৫ জুন) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজিব মিয়ার নেতৃত্বে আখাউড়া থানা পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) একটি দল কালুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সিসি ক্যামেরাগুলো জব্দ করে।

উপজেলার আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মাসিক বৈঠকে ৬০ বিজিবি আখাউড়া ক্যাম্প কমান্ডার জানান, কালু ও তার গ্যাং সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় মাদকের আস্তানা গড়ে তুলেছে। বিজিবির নজরদারিতে বাধা দিতে তারা বাড়িতে সিসি ক্যামেরা বসায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কালুর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, ফেনসিডিল, মদ ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তারা একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগও করেছেন। সম্প্রতি কালুর ভাই শাহাদাত সীমান্ত এলাকা থেকে মাদক ও ভারতীয় অবৈধ পণ্যসহ বিজিবির হাতে গ্রেপ্তার হন।

এ বিষয়ে একটি অনলাইনে ‘অগ্রযাত্রা এক্সক্লুসিভ’ নামের একটি পেইজে বিজিবির বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করে ঘটনাকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

কালুর মা স্বীকার করেছেন, তারা আগে মাদকের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং এখন আর নেই। তিনি জানান, কেউ যাতে হয়রানি না করতে পারে, সে জন্যই বাড়িতে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল।

আখাউড়া থানার ওসি মো. ছমিউদ্দিন জানান, মাদক সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় সিসি ক্যামেরাগুলো খুলে ফেলা হয়েছে।

এলাকাবাসী মাদক চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।