ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তিতাসের বুকে দুই বছর পর নৌকা বাইচ, অর্ধলক্ষাধিক দর্শকের উচ্ছ্বাস বিজয়নগর মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি মাইনুদ্দিন রুবেল,সাধারণ সম্পাদক এস এম টিপু চৌধুরী পলিথিন বর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে শাহীন ভাইস চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমান সেক্রেটারি বণিকপাড়ার সড়কে জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা আনন্দ মিছিল মৎস্য অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নদী-প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপির বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ গ্যাস সংকটে বন্ধ সার কারখানা চালুর দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্দন ও বিক্ষোভ

মাদক কারবারির বাড়িতে সিসি ক্যামেরা: নজরদারিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৬:৫১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫
  • / ৩১৩ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার সীমান্তঘেষা সেনারবাদী গ্রামে চিহ্নিত মাদক কারবারি ‘ফেন্সি কালু’ তার বাড়িতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি নজরদারিতে রাখছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১৫ জুন) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজিব মিয়ার নেতৃত্বে আখাউড়া থানা পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) একটি দল কালুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সিসি ক্যামেরাগুলো জব্দ করে।

উপজেলার আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মাসিক বৈঠকে ৬০ বিজিবি আখাউড়া ক্যাম্প কমান্ডার জানান, কালু ও তার গ্যাং সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় মাদকের আস্তানা গড়ে তুলেছে। বিজিবির নজরদারিতে বাধা দিতে তারা বাড়িতে সিসি ক্যামেরা বসায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কালুর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, ফেনসিডিল, মদ ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তারা একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগও করেছেন। সম্প্রতি কালুর ভাই শাহাদাত সীমান্ত এলাকা থেকে মাদক ও ভারতীয় অবৈধ পণ্যসহ বিজিবির হাতে গ্রেপ্তার হন।

এ বিষয়ে একটি অনলাইনে ‘অগ্রযাত্রা এক্সক্লুসিভ’ নামের একটি পেইজে বিজিবির বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করে ঘটনাকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

কালুর মা স্বীকার করেছেন, তারা আগে মাদকের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং এখন আর নেই। তিনি জানান, কেউ যাতে হয়রানি না করতে পারে, সে জন্যই বাড়িতে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল।

আখাউড়া থানার ওসি মো. ছমিউদ্দিন জানান, মাদক সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় সিসি ক্যামেরাগুলো খুলে ফেলা হয়েছে।

এলাকাবাসী মাদক চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

মাদক কারবারির বাড়িতে সিসি ক্যামেরা: নজরদারিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

আপডেট সময় : ০৬:৫১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার সীমান্তঘেষা সেনারবাদী গ্রামে চিহ্নিত মাদক কারবারি ‘ফেন্সি কালু’ তার বাড়িতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি নজরদারিতে রাখছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১৫ জুন) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজিব মিয়ার নেতৃত্বে আখাউড়া থানা পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) একটি দল কালুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সিসি ক্যামেরাগুলো জব্দ করে।

উপজেলার আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মাসিক বৈঠকে ৬০ বিজিবি আখাউড়া ক্যাম্প কমান্ডার জানান, কালু ও তার গ্যাং সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় মাদকের আস্তানা গড়ে তুলেছে। বিজিবির নজরদারিতে বাধা দিতে তারা বাড়িতে সিসি ক্যামেরা বসায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কালুর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, ফেনসিডিল, মদ ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তারা একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগও করেছেন। সম্প্রতি কালুর ভাই শাহাদাত সীমান্ত এলাকা থেকে মাদক ও ভারতীয় অবৈধ পণ্যসহ বিজিবির হাতে গ্রেপ্তার হন।

এ বিষয়ে একটি অনলাইনে ‘অগ্রযাত্রা এক্সক্লুসিভ’ নামের একটি পেইজে বিজিবির বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করে ঘটনাকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

কালুর মা স্বীকার করেছেন, তারা আগে মাদকের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং এখন আর নেই। তিনি জানান, কেউ যাতে হয়রানি না করতে পারে, সে জন্যই বাড়িতে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল।

আখাউড়া থানার ওসি মো. ছমিউদ্দিন জানান, মাদক সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় সিসি ক্যামেরাগুলো খুলে ফেলা হয়েছে।

এলাকাবাসী মাদক চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।