ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন নিয়াজ মোহাম্মদ স্টেডিয়ামের প্রধান ফটক নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন পাবলিক লাইব্রেরিকে জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করতে হবে — জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ মায়ের দল আওয়ামী লীগ, মেয়ের পথ বিএনপি।। মনোনয়ন ঘিরে কৌতূহল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈশাখী উৎসবের সমাপনী: আবৃত্তি, সঙ্গীত ও আলোচনা সভায় সংস্কৃতিচর্চার আহ্বান টিকেট কালোবাজারি রোধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন রেলওয়ে ফাঁড়ি ইনচার্জ শাহ আলম তিতাসে দেশের সর্বোচ্চ গভীর কূপ ‘তিতাস-৩১’ খনন শুরু, প্রতিদিন মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পিবিআইয়ের চৌকস তদন্তে উন্মোচিত নিশাত হত্যা রহস্য: ‘ঘুরতে নেওয়ার প্রলোভন’, তারপর শ্বাসরোধে নৃশংস হত্যার চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের দুইদিন পর স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজের মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা

মাদক কারবারির বাড়িতে সিসি ক্যামেরা: নজরদারিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৬:৫১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫
  • / ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার সীমান্তঘেষা সেনারবাদী গ্রামে চিহ্নিত মাদক কারবারি ‘ফেন্সি কালু’ তার বাড়িতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি নজরদারিতে রাখছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১৫ জুন) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজিব মিয়ার নেতৃত্বে আখাউড়া থানা পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) একটি দল কালুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সিসি ক্যামেরাগুলো জব্দ করে।

উপজেলার আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মাসিক বৈঠকে ৬০ বিজিবি আখাউড়া ক্যাম্প কমান্ডার জানান, কালু ও তার গ্যাং সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় মাদকের আস্তানা গড়ে তুলেছে। বিজিবির নজরদারিতে বাধা দিতে তারা বাড়িতে সিসি ক্যামেরা বসায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কালুর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, ফেনসিডিল, মদ ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তারা একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগও করেছেন। সম্প্রতি কালুর ভাই শাহাদাত সীমান্ত এলাকা থেকে মাদক ও ভারতীয় অবৈধ পণ্যসহ বিজিবির হাতে গ্রেপ্তার হন।

এ বিষয়ে একটি অনলাইনে ‘অগ্রযাত্রা এক্সক্লুসিভ’ নামের একটি পেইজে বিজিবির বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করে ঘটনাকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

কালুর মা স্বীকার করেছেন, তারা আগে মাদকের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং এখন আর নেই। তিনি জানান, কেউ যাতে হয়রানি না করতে পারে, সে জন্যই বাড়িতে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল।

আখাউড়া থানার ওসি মো. ছমিউদ্দিন জানান, মাদক সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় সিসি ক্যামেরাগুলো খুলে ফেলা হয়েছে।

এলাকাবাসী মাদক চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

মাদক কারবারির বাড়িতে সিসি ক্যামেরা: নজরদারিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

আপডেট সময় : ০৬:৫১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার সীমান্তঘেষা সেনারবাদী গ্রামে চিহ্নিত মাদক কারবারি ‘ফেন্সি কালু’ তার বাড়িতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি নজরদারিতে রাখছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১৫ জুন) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজিব মিয়ার নেতৃত্বে আখাউড়া থানা পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) একটি দল কালুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সিসি ক্যামেরাগুলো জব্দ করে।

উপজেলার আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মাসিক বৈঠকে ৬০ বিজিবি আখাউড়া ক্যাম্প কমান্ডার জানান, কালু ও তার গ্যাং সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় মাদকের আস্তানা গড়ে তুলেছে। বিজিবির নজরদারিতে বাধা দিতে তারা বাড়িতে সিসি ক্যামেরা বসায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কালুর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, ফেনসিডিল, মদ ও গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তারা একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগও করেছেন। সম্প্রতি কালুর ভাই শাহাদাত সীমান্ত এলাকা থেকে মাদক ও ভারতীয় অবৈধ পণ্যসহ বিজিবির হাতে গ্রেপ্তার হন।

এ বিষয়ে একটি অনলাইনে ‘অগ্রযাত্রা এক্সক্লুসিভ’ নামের একটি পেইজে বিজিবির বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করে ঘটনাকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

কালুর মা স্বীকার করেছেন, তারা আগে মাদকের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং এখন আর নেই। তিনি জানান, কেউ যাতে হয়রানি না করতে পারে, সে জন্যই বাড়িতে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল।

আখাউড়া থানার ওসি মো. ছমিউদ্দিন জানান, মাদক সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় সিসি ক্যামেরাগুলো খুলে ফেলা হয়েছে।

এলাকাবাসী মাদক চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।