মায়ের দল আওয়ামী লীগ, মেয়ের পথ বিএনপি।। মনোনয়ন ঘিরে কৌতূহল
- আপডেট সময় : ০৬:৫০:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
- / ২৯ বার পড়া হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শে অবস্থান নেওয়া একই পরিবারের দুই প্রজন্মকে ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল। জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন সম্পৃক্ত এক নেত্রীর মেয়ে এবার বিএনপি থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) পদে মনোনয়ন পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
জানা গেছে, বিজয়নগর উপজেলার বাসিন্দা নাদিয়া পাঠান পাপন বিএনপি থেকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষরিত তালিকায় তার নাম রয়েছে ৩২ নম্বরে।
নাদিয়া পাঠান পাপন বিজয়নগরের চান্দুরা ইউনিয়নের চান্দুরা গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেনের মেয়ে। তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য। তার এই মনোনয়নকে ঘিরে আলোচনার মূল কারণ তার মা সৈয়দা নাখলু আক্তার দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সৈয়দা নাখলু আক্তার একসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। এছাড়া তিনি বিজয়নগর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, উপজেলা পরিষদের আওয়ামী লীগ মনোনীত ভাইস চেয়ারম্যান এবং জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
এ বিষয়ে সৈয়দা নাখলু আক্তার বলেন, আমি আগে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলাম, বর্তমানে ওই দায়িত্বে নেই। আমার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমার মেয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। তবে ভিন্ন তথ্য দিয়েছেন বিজয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর মৃধা। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, সৈয়দা নাখলু আক্তার এখনও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তার পোস্টে তিনি লেখেন, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। মা সৈয়দা নাখলু আক্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি, বিজয়নগর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, উপজেলা পরিষদের দলীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদের সদস্য ছিলেন। অথচ তার মেয়ে নাদিয়া পাঠান পাপন বর্তমানে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। যা-ই হোক, বিজয়নগরের সন্তান হিসেবে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য নাদিয়া পাঠান পাপনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
সংবাদটি শেয়ার করুন



























