প্রেসক্লাবের আয়োজনে: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহানকে বিদায়ী সংবর্ধনা
- আপডেট সময় : ০৪:৩১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
- / ৭১ বার পড়া হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন আক্তার জাহানকে বিদায়ী সংবর্ধনা জানিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রেসক্লাব সভাপতি জাবেদ রহিম বিজনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংবর্ধিত অতিথি শারমিন আক্তার জাহান।
সাংবাদিক শাহাদৎ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে।
বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক মনজুরুল আলম, শেখ সহিদুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান সাদাত, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আল-আমীন শাহীন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দ মো. আকরাম, সাবেক কোষাধ্যক্ষ মো. আশিকুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক মো. এমদাদুল হক প্রমুখ।
স্বাগত বক্তব্য রাখন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা।
সভায় বক্তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৪ মাস কর্মকালে জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহানের বিভিন্ন কাজের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সুষ্ঠ ও নিরপক্ষভাবে ত্রয়াদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন করেছেন। তিনি জলবায়ু, নদী ও প্রকৃতি নিয়ে কাজ করেছেন। তিনি একজন সাংবাদিক বান্ধব মানুষ। তিনি বালু সন্ত্রাসী ও মাটিখাঁকদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে জেলাবাসীর মন জয় করেছেন।
সংবর্ধনার জবাবে বিদায়ী জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান বলেন, আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যোগদানের আগে নড়াইলর জেলা প্রশাসক ছিলাম। আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যোগদান করেই ভূমিদস্যু ও বালুখাঁকদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা শুরু করি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরকে ময়লা আবর্জনামুক্ত করি। তিনি বলেন, শহরের টাউন খাল ইতিমধ্যেই খনন কাজ শুরু হয়েছে। তিতাস নদীর পাড়ের অবধ বসতি উচ্ছেদ করার জন্য আমি নির্দেশ দিয়েছি। আমি সততা ও স্বছভাবে প্রশাসনকে পরিচালনা করেছি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংবাদিকরা আমার সকল কাজে আকুন্ঠভাবে সহযোগীতা করেছেন।
তিনি বলেন, নড়াইল থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বড় জেলা। ত্রয়াদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করাটা ছিলা আমার বড় চ্যালেঞ্জ। আমি সকলের সহযাগীতায় সুষ্ঠ ও নিরপক্ষভাবে নির্বাচনটা সম্পন করতে পেরছি। তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ কোমল হৃদয়ের। দায়িত্বকালে তাদের সহযোগীতা ও ভালাবাসা পেয়েছি। যা আমার সারা জীবন মনে থাকবে।
তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কর্মকালীন অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “একটা সময় ছিলো বুঝতামই না কে নেতা। এখানে মব, সেখান আন্দোলন। তখন অফিস সহকারি বদল করতে গিয়ে দেখি চেয়ার যায় যায়। এখন তো একটা দল ক্ষমতায়। তিন বছরের অধিক সময় চাকরি করছেন এমন চাকরিজীবীদের তালিকা করছিলাম বদলির জন্য। কিন্তু বদলি হয়ে যাচ্ছি বলে এটা করিনি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ ও জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে বিদায়ী জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহানকে প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা, শুভেচ্ছা ক্রেস্ট ও উপহার প্রদান করা হয়।
সংবাদটি শেয়ার করুন


























