ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক-চাঁদাবাজ মুক্ত রাজশাহী গড়ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সন্তান পুলিশ কমিশনার ফয়েজুল কবির নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় বাঞ্ছারামপুরে সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ৩০ টি কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে জোড়াতালি দিয়ে।। পরিত্যক্ত ভবনে চলে মাদকসেবন কসবায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আখাউড়ায় ৪ মাসপর জামিন মিললো মানসিক ভারসাম্যহীন তিন সন্তানের জননীর। বিজয়নগরে কিশোরীর বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০ সরাইল থানার ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, পুলিশের জিডি সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে ইজারার নামে যুবদল নেতার চাঁদা আদায়ের চেষ্টা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল মণ্ডপে শোভিত প্রতিমা, কানে কানে উৎসব পৌঁছে দিচ্ছে ঢাক

বাড়ীর ভূয়া দলিলে ১৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ: প্রতারক নুর আলম পলাতক

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৯১ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার কাজীপাড়া ঈদগা মাঠ সংলগ্ন একটি বাড়ি বিক্রয়ের নামে ভয়াবহ প্রতারণার ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযুক্ত নুর আলম বাবু (পিতা: আবু মিয়া), যিনি পেশায় স্ক্র্যাপ (বাঙারি) ব্যবসায়ী, বর্তমানে একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ও পলাতক বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. নিশাদুল ইসলাম জানান, প্রায় দুই বছর আগে নুর আলম বাবু তাকে উক্ত বাড়ি বিক্রির প্রস্তাব দেন। বিশ্বাস অর্জনের জন্য তিনি একটি দলিল প্রদর্শন করে বায়না বাবদ ১৪ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। তবে পরবর্তীতে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে দলিল যাচাই করতে গেলে তা সম্পূর্ণ ভূয়া বলে প্রমাণিত হয়।

ঘটনার পর টাকা ফেরতের দাবি জানালে অভিযুক্ত নুর আলম বাবু ইসলামী ব্যাংক ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার মাধ্যমে মোট ১৪ লাখ টাকার তিনটি চেক প্রদান করেন—যথাক্রমে ১০ লাখ, ২ লাখ ও ২ লাখ টাকা। কিন্তু ভুক্তভোগী ব্যাংকে চেক জমা দিলে জানা যায়, অভিযুক্তের হিসাবে কোনো অর্থ নেই। ফলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেকগুলো ডিজঅনার করে ।

এ ঘটনায় সাংবাদিক মো. নিশাদুল ইসলাম আইনের আশ্রয় নিয়ে প্রতারণা ও চেক ডিজঅনারের অভিযোগে আদালতে ২টি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলা ২ টিতে প্রতারকের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করে , এ খবর জানার পর প্রতারক নুর আলম বাবু গা ডাকা দেয়,

অনুসন্ধানে জানা যায়, নুর আলম বাবুর বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, এসব মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক রয়েছেন।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত নুর আলম বাবু কে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

বাড়ীর ভূয়া দলিলে ১৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ: প্রতারক নুর আলম পলাতক

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার কাজীপাড়া ঈদগা মাঠ সংলগ্ন একটি বাড়ি বিক্রয়ের নামে ভয়াবহ প্রতারণার ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযুক্ত নুর আলম বাবু (পিতা: আবু মিয়া), যিনি পেশায় স্ক্র্যাপ (বাঙারি) ব্যবসায়ী, বর্তমানে একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ও পলাতক বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. নিশাদুল ইসলাম জানান, প্রায় দুই বছর আগে নুর আলম বাবু তাকে উক্ত বাড়ি বিক্রির প্রস্তাব দেন। বিশ্বাস অর্জনের জন্য তিনি একটি দলিল প্রদর্শন করে বায়না বাবদ ১৪ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। তবে পরবর্তীতে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে দলিল যাচাই করতে গেলে তা সম্পূর্ণ ভূয়া বলে প্রমাণিত হয়।

ঘটনার পর টাকা ফেরতের দাবি জানালে অভিযুক্ত নুর আলম বাবু ইসলামী ব্যাংক ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার মাধ্যমে মোট ১৪ লাখ টাকার তিনটি চেক প্রদান করেন—যথাক্রমে ১০ লাখ, ২ লাখ ও ২ লাখ টাকা। কিন্তু ভুক্তভোগী ব্যাংকে চেক জমা দিলে জানা যায়, অভিযুক্তের হিসাবে কোনো অর্থ নেই। ফলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেকগুলো ডিজঅনার করে ।

এ ঘটনায় সাংবাদিক মো. নিশাদুল ইসলাম আইনের আশ্রয় নিয়ে প্রতারণা ও চেক ডিজঅনারের অভিযোগে আদালতে ২টি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলা ২ টিতে প্রতারকের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করে , এ খবর জানার পর প্রতারক নুর আলম বাবু গা ডাকা দেয়,

অনুসন্ধানে জানা যায়, নুর আলম বাবুর বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, এসব মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক রয়েছেন।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত নুর আলম বাবু কে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।