ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নদী দখল, দূষণ ও অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলার আহ্বান অসহায় পাপনের জীবনে আশার আলো হয়ে পাশে দাঁড়ালেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা বিএনপির ১৪ ইউনিটের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের সৌজন্য সাক্ষাৎ তিতাসের বুকে দুই বছর পর নৌকা বাইচ, অর্ধলক্ষাধিক দর্শকের উচ্ছ্বাস বিজয়নগর মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি মাইনুদ্দিন রুবেল,সাধারণ সম্পাদক এস এম টিপু চৌধুরী পলিথিন বর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে শাহীন ভাইস চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমান সেক্রেটারি বণিকপাড়ার সড়কে জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা

ভারতের পাহাড়ি ঢলের পানিতে আখাউড়ার সীমান্তবর্তী এলাকা প্লাবিত।।

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • / ৫০০ বার পড়া হয়েছে

ছবি নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর এলাকার আশপাশের কয়েকটি গ্রাম রাস্তা ঘাট প্লাবিত হয়েছে।

রোববার (০১ জুন) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থলবন্দরের পাশদিয়ে বয়ে চলা কলন্দি খাল, কালিকাপুর হয়ে আব্দুল্লাপুর দিয়ে জাজির গাং, বাউতলা দিয়ে মরা গাং ও মোগড়া ইউনিয়ন দিয়ে বয়ে যাওয়া হাওড়া নদী দিয়ে অস্বাভাবিকভাবে ভারতের পানি ঢোকার কারণে তলিয়ে যাচ্ছে ওই সব এলাকার গ্রামের রাস্তা-ঘাট। এতে করে উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের কালিকাপুর, বীরচন্দ্রপুর, আব্দুল্লাহপুর ও বঙ্গেরচর গ্রামের জমি ও রাস্তাঘাট মৎস্য চাষের বেশকিছু পুকুর তলিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গতকাল শনিবার রাত থেকে এসব নদী, খাল দিয়ে বাংলাদেশে প্রচন্ড বেগে পানি ঢুকছে। এতে করে এসব গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ অনেকটা বেড়েছে। পাশাপাশি মৎস্য চাষিদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনাও রয়েছে।।

আখাউড়া স্থলবন্দরের মৎস্য রপ্তানি কারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুক মিয়া বলেন, গতরাত থেকে পানি ঢুকছে। বন্দরের আশপাশে পানিতে তলিয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত রপ্তানিতে কোন প্রভাব পড়েনি। তবে পানি যে ভাবে বাড়ছে এতে করে আখাউড়া-আগরতলা সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভবাবনা রয়েছে। এতে করে দুই দেশের বাণিজ্য বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মনজুর রহমান বলেন, হাওড়া নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৩০/৪০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। তবে বিপদ সীমা পার করেনি। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিপদ সীমা থেকে ২ মিটার নিচে আছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জানতে চাইলে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিএম রাশেদুল ইসলাম জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাসহ দুপুরে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তালিকা করে প্লাবিত এলাকার পরিবার গুলোর মাঝে শুকনো খাবার ও সরকারি চাউল বিতরণসহ বেশকিছু কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। পানি বন্দি পরিবার গুলোকে পৌর ও ইউনিয়নের অন্তর্গত ১১ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আচরণ কেন্দ্রে চলে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ভারতের পাহাড়ি ঢলের পানিতে আখাউড়ার সীমান্তবর্তী এলাকা প্লাবিত।।

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর এলাকার আশপাশের কয়েকটি গ্রাম রাস্তা ঘাট প্লাবিত হয়েছে।

রোববার (০১ জুন) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থলবন্দরের পাশদিয়ে বয়ে চলা কলন্দি খাল, কালিকাপুর হয়ে আব্দুল্লাপুর দিয়ে জাজির গাং, বাউতলা দিয়ে মরা গাং ও মোগড়া ইউনিয়ন দিয়ে বয়ে যাওয়া হাওড়া নদী দিয়ে অস্বাভাবিকভাবে ভারতের পানি ঢোকার কারণে তলিয়ে যাচ্ছে ওই সব এলাকার গ্রামের রাস্তা-ঘাট। এতে করে উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের কালিকাপুর, বীরচন্দ্রপুর, আব্দুল্লাহপুর ও বঙ্গেরচর গ্রামের জমি ও রাস্তাঘাট মৎস্য চাষের বেশকিছু পুকুর তলিয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গতকাল শনিবার রাত থেকে এসব নদী, খাল দিয়ে বাংলাদেশে প্রচন্ড বেগে পানি ঢুকছে। এতে করে এসব গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ অনেকটা বেড়েছে। পাশাপাশি মৎস্য চাষিদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনাও রয়েছে।।

আখাউড়া স্থলবন্দরের মৎস্য রপ্তানি কারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুক মিয়া বলেন, গতরাত থেকে পানি ঢুকছে। বন্দরের আশপাশে পানিতে তলিয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত রপ্তানিতে কোন প্রভাব পড়েনি। তবে পানি যে ভাবে বাড়ছে এতে করে আখাউড়া-আগরতলা সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভবাবনা রয়েছে। এতে করে দুই দেশের বাণিজ্য বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মনজুর রহমান বলেন, হাওড়া নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৩০/৪০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। তবে বিপদ সীমা পার করেনি। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিপদ সীমা থেকে ২ মিটার নিচে আছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জানতে চাইলে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিএম রাশেদুল ইসলাম জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাসহ দুপুরে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তালিকা করে প্লাবিত এলাকার পরিবার গুলোর মাঝে শুকনো খাবার ও সরকারি চাউল বিতরণসহ বেশকিছু কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। পানি বন্দি পরিবার গুলোকে পৌর ও ইউনিয়নের অন্তর্গত ১১ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আচরণ কেন্দ্রে চলে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।