ঢাকা ১২:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার ডুয়েট শিক্ষার্থী নাহিদ।। মুক্তিপণ আদায়ের পর মুক্ত  ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে জেলা পরিষদ প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নানা অনিয়মের দায়ে অচি মেমোরিয়াল ও পদ্মা মা ও শিশু হাসপাতালকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা হাইকোর্টের নির্দেশে বন্ধ হলো বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৬৫টি কচ্ছপ উদ্ধার, সালদানদীতে অবমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজীপাড়ায় মাদকবিরোধী সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত নদী-খাল-বিলে মাছ রক্ষায় অবৈধ রিংজাল বন্ধে সচেতনতার আহ্বান জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের এফ এ টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে জেলা পরিষদের আর্থিক অনুদান প্রদান ঢেউ’র আহবায়ক সোহেল সদস্য সচিব আইফাত  তিতাস তীরের কৃষিজমি ও জলাশয় দখলমুক্তে উচ্ছেদ অভিযান

সিলেট এমসি কলেজের নতুন অধ্যক্ষ প্রফেসর গোলাম আহম্মদ খান

বিশেষ প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৩:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
  • / ৬৭৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীট সিলেট মুরারীচাঁদ(এমসি) কলেজে আজ (৭ জুলাই, সোমবার) অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর গোলাম আহন্মদ খান।
গোলাম আহম্মদ খান ১৯৬৬ ইং সালের ৩১ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ সদর উপজেলার দক্ষিণ পইল গ্রামের সম্ভ্রান্ত খান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।তাঁর পিতার নাম আব্দুল মজিদ খান মাতার নাম সৈয়দা নজিমুন্নেছা।তিনি ১৯৮২ সালে হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হতে এসএসসি এবং ১৯৮৪ সালে সিলেট এমসি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।তিনি ১৯৮৭ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদ বিদ্যা বিষয়ে বিএসসি (অনার্স) এবং১৯৮৮ সালে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৯৩ সালে চতুর্দশ বিসিএস (সাধারন শিক্ষা) উত্তীর্ন হয়ে হবিগন্জ বৃন্দাবন সরকারী কলেজে অধ্যাপনা পেশায় যোগদান করেন, ২০০৮ সালে সহকারী অধ্যাপক পদে সিলেট এমসি কলেজে পদায়ন হউন, সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে ২০১৪ সালে উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে তিনি শেরপুর সরকারী কলেজে যোগদান করেন,একই বিষয়ের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে ২০১৭ইং সালে যোগদান করেন সুনামগন্জ সরকারি কলেজে ।২০১৮ ইং সালে পুনরায় সিলেট এমসি কলেজে যোগদানের পর ২০২০ সালে অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্বপালন করেন।সর্বেশষ ২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন লাভ করেন সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ সরকারি কলেজে। বিশেষ আলোচনায় প্রফেসর গোলাম আহম্মদ খান বলেন,” বৃহত্তর সিলেটের সন্তান আমি,এই কলেজের ছাত্র আমি,আমার কর্মজীবনের বড় অংশ কেটেছে এই কলেজে।এই কলেজের উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন আমার কাছে শুধুই পেশাগত দায়িত্ব পালন নয়-বলা চলে উপাসনা বা দায় মুক্তির সমতুল্য। “

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সিলেট এমসি কলেজের নতুন অধ্যক্ষ প্রফেসর গোলাম আহম্মদ খান

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

বাংলাদেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীট সিলেট মুরারীচাঁদ(এমসি) কলেজে আজ (৭ জুলাই, সোমবার) অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর গোলাম আহন্মদ খান।
গোলাম আহম্মদ খান ১৯৬৬ ইং সালের ৩১ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ সদর উপজেলার দক্ষিণ পইল গ্রামের সম্ভ্রান্ত খান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।তাঁর পিতার নাম আব্দুল মজিদ খান মাতার নাম সৈয়দা নজিমুন্নেছা।তিনি ১৯৮২ সালে হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হতে এসএসসি এবং ১৯৮৪ সালে সিলেট এমসি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।তিনি ১৯৮৭ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদ বিদ্যা বিষয়ে বিএসসি (অনার্স) এবং১৯৮৮ সালে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৯৩ সালে চতুর্দশ বিসিএস (সাধারন শিক্ষা) উত্তীর্ন হয়ে হবিগন্জ বৃন্দাবন সরকারী কলেজে অধ্যাপনা পেশায় যোগদান করেন, ২০০৮ সালে সহকারী অধ্যাপক পদে সিলেট এমসি কলেজে পদায়ন হউন, সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে ২০১৪ সালে উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে তিনি শেরপুর সরকারী কলেজে যোগদান করেন,একই বিষয়ের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে ২০১৭ইং সালে যোগদান করেন সুনামগন্জ সরকারি কলেজে ।২০১৮ ইং সালে পুনরায় সিলেট এমসি কলেজে যোগদানের পর ২০২০ সালে অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্বপালন করেন।সর্বেশষ ২০২৫ সালের ১৭ এপ্রিল অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন লাভ করেন সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ সরকারি কলেজে। বিশেষ আলোচনায় প্রফেসর গোলাম আহম্মদ খান বলেন,” বৃহত্তর সিলেটের সন্তান আমি,এই কলেজের ছাত্র আমি,আমার কর্মজীবনের বড় অংশ কেটেছে এই কলেজে।এই কলেজের উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন আমার কাছে শুধুই পেশাগত দায়িত্ব পালন নয়-বলা চলে উপাসনা বা দায় মুক্তির সমতুল্য। “