ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় বাঞ্ছারামপুরে সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ৩০ টি কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে জোড়াতালি দিয়ে।। পরিত্যক্ত ভবনে চলে মাদকসেবন কসবায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আখাউড়ায় ৪ মাসপর জামিন মিললো মানসিক ভারসাম্যহীন তিন সন্তানের জননীর। বিজয়নগরে কিশোরীর বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০ সরাইল থানার ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, পুলিশের জিডি সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে ইজারার নামে যুবদল নেতার চাঁদা আদায়ের চেষ্টা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল মণ্ডপে শোভিত প্রতিমা, কানে কানে উৎসব পৌঁছে দিচ্ছে ঢাক সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নজরুলের বাড়িতে শোকের মাতম

চাঁদাবাজির মামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই কথিত সাংবাদিকের পাঁচ বছরের সাজা

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০২:২১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • / ৩৭৬ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এস.এম আলী আজম ও আশিকুর রহমান রনি নামে দুই ব্যক্তিকে পাঁচ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মাসুদ পারভেজ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আশুগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর পূর্ব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে নিজেদের সাংবাদিক দাবি করেন ওই দুই ব্যক্তি। এসময় তারা বিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিল-ভাউচার ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র দেখতে চান। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাদের জানান, এসব নথি তদারকির জন্য নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ রয়েছে।

এরপর তারা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ উঠে। পাশাপাশি শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণও করেন তারা। একপর্যায়ে স্থানীয় জনতা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এস.এম আলী আজমকে আটক করেন। তবে আশিকুর রহমান রনি মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যান। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে আটক ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ঘটনার দিন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে আশুগঞ্জ থানায় দণ্ডবিধির ৪১৯, ৩৮৫ ও ৫০৬ ধারায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুই আসামিকে পাঁচ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দ তফসির আহমেদ তানভীর বলেন, সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে তারা বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি করতেন। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এ রায় দিয়েছেন।

আশুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম পারভেজ বলেন, প্রকৃত সাংবাদিকতা কখনো অপব্যবহারের মাধ্যম হতে পারে না। সাজাপ্রাপ্তরা মূলধারার সাংবাদিকতার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। আদালতের এ রায় ভুয়া সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

চাঁদাবাজির মামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই কথিত সাংবাদিকের পাঁচ বছরের সাজা

আপডেট সময় : ০২:২১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এস.এম আলী আজম ও আশিকুর রহমান রনি নামে দুই ব্যক্তিকে পাঁচ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মাসুদ পারভেজ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আশুগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর পূর্ব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে নিজেদের সাংবাদিক দাবি করেন ওই দুই ব্যক্তি। এসময় তারা বিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিল-ভাউচার ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র দেখতে চান। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাদের জানান, এসব নথি তদারকির জন্য নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ রয়েছে।

এরপর তারা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ উঠে। পাশাপাশি শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণও করেন তারা। একপর্যায়ে স্থানীয় জনতা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এস.এম আলী আজমকে আটক করেন। তবে আশিকুর রহমান রনি মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যান। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে আটক ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ঘটনার দিন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে আশুগঞ্জ থানায় দণ্ডবিধির ৪১৯, ৩৮৫ ও ৫০৬ ধারায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুই আসামিকে পাঁচ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দ তফসির আহমেদ তানভীর বলেন, সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে তারা বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি করতেন। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এ রায় দিয়েছেন।

আশুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম পারভেজ বলেন, প্রকৃত সাংবাদিকতা কখনো অপব্যবহারের মাধ্যম হতে পারে না। সাজাপ্রাপ্তরা মূলধারার সাংবাদিকতার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। আদালতের এ রায় ভুয়া সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে।