ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা বিএনপির ১৪ ইউনিটের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের সৌজন্য সাক্ষাৎ তিতাসের বুকে দুই বছর পর নৌকা বাইচ, অর্ধলক্ষাধিক দর্শকের উচ্ছ্বাস বিজয়নগর মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি মাইনুদ্দিন রুবেল,সাধারণ সম্পাদক এস এম টিপু চৌধুরী পলিথিন বর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে শাহীন ভাইস চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমান সেক্রেটারি বণিকপাড়ার সড়কে জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা আনন্দ মিছিল মৎস্য অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নদী-প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপির

কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশির লাশ ১৮ ঘণ্টা পর হস্তান্তর

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৪:৪২:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • / ২২৮ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার ক্ষিরনাল সীমান্তের মেইন পিলার ২০৩৬ এলাকায় বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠক শেষে মরদেহ দুটি হস্তান্তর করা হয়।

নিহতরা হলেন উপজেলার ধজনগর গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে মো. মুরসালিন (২০) এবং মধুপুর গ্রামের মহরম আলীর ছেলে নবীর হোসেন (৫৫)।

সুলতানপুর-৬০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এস এম শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ফেরত আনার জন্য বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগের পর পতাকা বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠক শেষে বিএসএফ নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে।

মরদেহ হস্তান্তরের সময় বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম ও নাজনীন সুলতানা। ভারতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিএসএফের ৪৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল অজিত কুমার সিংসহ বিশালগড় থানার কর্মকর্তারা।

এ ঘটনায় বিএসএফকে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি দিয়েছে বিজিবি।

এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ধজনগর-পাথারিয়াদ্বার সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের ছোড়া ছররা গুলিতে মুরসালিন ও নবীর হোসেন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের ভারতের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় বলে বিএসএফ কর্তৃপক্ষ বিজিবিকে জানিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে সীমান্ত এলাকায় একদল লোক অবস্থান করলে বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে আরও কয়েকজন আহত হন। একই ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে সকালে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি জানায়, প্রায় ১৫ জন বাংলাদেশি চোরাকারবারি ভারতীয় চোরাকারবারিদের সহায়তায় চোরাচালানের উদ্দেশ্যে ভারতের প্রায় ২০০ গজ অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। পরে বিএসএফের বাধার মুখে উভয়পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে বিএসএফ দুটি ছররা গুলি ছোড়ে।

বিজিবি জানিয়েছে, ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিএসএফকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশির লাশ ১৮ ঘণ্টা পর হস্তান্তর

আপডেট সময় : ০৪:৪২:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার ক্ষিরনাল সীমান্তের মেইন পিলার ২০৩৬ এলাকায় বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠক শেষে মরদেহ দুটি হস্তান্তর করা হয়।

নিহতরা হলেন উপজেলার ধজনগর গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে মো. মুরসালিন (২০) এবং মধুপুর গ্রামের মহরম আলীর ছেলে নবীর হোসেন (৫৫)।

সুলতানপুর-৬০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এস এম শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ফেরত আনার জন্য বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগের পর পতাকা বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠক শেষে বিএসএফ নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে।

মরদেহ হস্তান্তরের সময় বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম ও নাজনীন সুলতানা। ভারতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিএসএফের ৪৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল অজিত কুমার সিংসহ বিশালগড় থানার কর্মকর্তারা।

এ ঘটনায় বিএসএফকে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি দিয়েছে বিজিবি।

এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ধজনগর-পাথারিয়াদ্বার সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের ছোড়া ছররা গুলিতে মুরসালিন ও নবীর হোসেন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের ভারতের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় বলে বিএসএফ কর্তৃপক্ষ বিজিবিকে জানিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে সীমান্ত এলাকায় একদল লোক অবস্থান করলে বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে আরও কয়েকজন আহত হন। একই ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে সকালে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি জানায়, প্রায় ১৫ জন বাংলাদেশি চোরাকারবারি ভারতীয় চোরাকারবারিদের সহায়তায় চোরাচালানের উদ্দেশ্যে ভারতের প্রায় ২০০ গজ অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। পরে বিএসএফের বাধার মুখে উভয়পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে বিএসএফ দুটি ছররা গুলি ছোড়ে।

বিজিবি জানিয়েছে, ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিএসএফকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।