ঢাকা ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার ডুয়েট শিক্ষার্থী নাহিদ।। মুক্তিপণ আদায়ের পর মুক্ত  ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে জেলা পরিষদ প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নানা অনিয়মের দায়ে অচি মেমোরিয়াল ও পদ্মা মা ও শিশু হাসপাতালকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা হাইকোর্টের নির্দেশে বন্ধ হলো বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৬৫টি কচ্ছপ উদ্ধার, সালদানদীতে অবমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজীপাড়ায় মাদকবিরোধী সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত নদী-খাল-বিলে মাছ রক্ষায় অবৈধ রিংজাল বন্ধে সচেতনতার আহ্বান জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের এফ এ টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে জেলা পরিষদের আর্থিক অনুদান প্রদান ঢেউ’র আহবায়ক সোহেল সদস্য সচিব আইফাত  তিতাস তীরের কৃষিজমি ও জলাশয় দখলমুক্তে উচ্ছেদ অভিযান

কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশির লাশ ১৮ ঘণ্টা পর হস্তান্তর

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৪:৪২:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • / ১৬১ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার ক্ষিরনাল সীমান্তের মেইন পিলার ২০৩৬ এলাকায় বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠক শেষে মরদেহ দুটি হস্তান্তর করা হয়।

নিহতরা হলেন উপজেলার ধজনগর গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে মো. মুরসালিন (২০) এবং মধুপুর গ্রামের মহরম আলীর ছেলে নবীর হোসেন (৫৫)।

সুলতানপুর-৬০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এস এম শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ফেরত আনার জন্য বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগের পর পতাকা বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠক শেষে বিএসএফ নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে।

মরদেহ হস্তান্তরের সময় বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম ও নাজনীন সুলতানা। ভারতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিএসএফের ৪৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল অজিত কুমার সিংসহ বিশালগড় থানার কর্মকর্তারা।

এ ঘটনায় বিএসএফকে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি দিয়েছে বিজিবি।

এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ধজনগর-পাথারিয়াদ্বার সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের ছোড়া ছররা গুলিতে মুরসালিন ও নবীর হোসেন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের ভারতের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় বলে বিএসএফ কর্তৃপক্ষ বিজিবিকে জানিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে সীমান্ত এলাকায় একদল লোক অবস্থান করলে বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে আরও কয়েকজন আহত হন। একই ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে সকালে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি জানায়, প্রায় ১৫ জন বাংলাদেশি চোরাকারবারি ভারতীয় চোরাকারবারিদের সহায়তায় চোরাচালানের উদ্দেশ্যে ভারতের প্রায় ২০০ গজ অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। পরে বিএসএফের বাধার মুখে উভয়পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে বিএসএফ দুটি ছররা গুলি ছোড়ে।

বিজিবি জানিয়েছে, ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিএসএফকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশির লাশ ১৮ ঘণ্টা পর হস্তান্তর

আপডেট সময় : ০৪:৪২:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার ক্ষিরনাল সীমান্তের মেইন পিলার ২০৩৬ এলাকায় বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠক শেষে মরদেহ দুটি হস্তান্তর করা হয়।

নিহতরা হলেন উপজেলার ধজনগর গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে মো. মুরসালিন (২০) এবং মধুপুর গ্রামের মহরম আলীর ছেলে নবীর হোসেন (৫৫)।

সুলতানপুর-৬০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এস এম শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ফেরত আনার জন্য বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগের পর পতাকা বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠক শেষে বিএসএফ নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে।

মরদেহ হস্তান্তরের সময় বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম ও নাজনীন সুলতানা। ভারতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিএসএফের ৪৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল অজিত কুমার সিংসহ বিশালগড় থানার কর্মকর্তারা।

এ ঘটনায় বিএসএফকে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদলিপি দিয়েছে বিজিবি।

এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ধজনগর-পাথারিয়াদ্বার সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের ছোড়া ছররা গুলিতে মুরসালিন ও নবীর হোসেন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের ভারতের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় বলে বিএসএফ কর্তৃপক্ষ বিজিবিকে জানিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে সীমান্ত এলাকায় একদল লোক অবস্থান করলে বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে আরও কয়েকজন আহত হন। একই ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে সকালে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি জানায়, প্রায় ১৫ জন বাংলাদেশি চোরাকারবারি ভারতীয় চোরাকারবারিদের সহায়তায় চোরাচালানের উদ্দেশ্যে ভারতের প্রায় ২০০ গজ অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। পরে বিএসএফের বাধার মুখে উভয়পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে বিএসএফ দুটি ছররা গুলি ছোড়ে।

বিজিবি জানিয়েছে, ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিএসএফকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।