ঢাকা ০১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
​কসবায় ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ মিছিল: সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন বন্ধের দাবি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত নাটাই উত্তরের রাজঘর-থলিয়ারায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ব্রিটেন কনজারভেটিভ পার্টির ইলিং সাউথল আসনে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতি সন্তান ইব্রাহিম ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে যাত্রীসেবায় জেলা পরিষদের উদ্যোগ, বসানো হবে ২০টি ফ্যান ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা সরাইলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে যাত্রীবাহী বাস, নিহত ৪; আহত অন্তত ১০ ঢোলভাঙ্গায় পানি নেই, আছে দূষন,দখল আর আবর্জনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতি সন্তান আবদাল আহমদ প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৪:১০:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১২৩ বার পড়া হয়েছে

সরকারের সচিব পদমর্যাদায় (গ্রেড-১) তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (পিআইও) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সিনিয়র সাংবাদিক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ। রবিবার (২৬ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে তাকে তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য অফিসার (গ্রেড-১) পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার নাসিরপুর গ্রামের সন্তান সৈয়দ আবদাল আহমদ দেশের সাংবাদিকতা অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। জাতীয় প্রেসক্লাবের দুবারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন ছাড়াও তিনি ১৯৯২-৯৬ মেয়াদে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপ-প্রেসসচিব (সরকারের উপ-সচিব পদমর্যাদা) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

অনুসন্ধানী রিপোর্টের জন্য তিনি ১৯৮৯ সালে মর্যাদাপূর্ণ ফিলিপস পুরস্কার, এসকাপ-এফইজেবি পুরস্কার এবং ২০২৫ সালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির আজীবন সম্মাননা লাভ করেন।

১৯৬২ সালের ২৮ নভেম্বর জন্মগ্রহণকারী সৈয়দ আবদাল আহমদ শায়েস্তাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও হবিগঞ্জের বৃন্দাবন সরকারি কলেজে পড়াশোনা শেষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে বিএসসি (অনার্স) ও এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৮২ সালে দৈনিক বাংলায় বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। পরে দৈনিক আমার দেশ ছাড়াও তিনি বাসস, দৈনিক জনকণ্ঠ, দৈনিক দিনকাল, সাপ্তাহিক বিচিত্রাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন।
তিনি ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া বাংলা একাডেমির জীবন সদস্য এবং প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

বর্তমানে তিনি দৈনিক আমার দেশের নির্বাহী সম্পাদক ও কিশোর মাসিক টুনটুনির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সৈয়দ আবদাল আহমদ ২০টিরও বেশি বইয়ের লেখক। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে— নন্দিত নেত্রী খালেদা জিয়া, বুড়িগঙ্গা তীরের রহস্যনগরী, কিংবদন্তির জিয়া, মহান ভাষা আন্দোলন, জলবায়ু পরিবর্তন, নবীজি (সা.), গণতন্ত্রের সংগ্রাম, পাঁচটি গণ আন্দোলন, প্যারিস আইফেল টাওয়ার মোনালিসা, বিজয় ও স্বাধীনতাসহ আরও বহু গ্রন্থ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এই কৃতি সন্তানের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগে জেলার সাংবাদিক মহলে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি প্রকাশ করা হয়েছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতি সন্তান আবদাল আহমদ প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন

আপডেট সময় : ০৪:১০:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

সরকারের সচিব পদমর্যাদায় (গ্রেড-১) তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (পিআইও) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সিনিয়র সাংবাদিক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ। রবিবার (২৬ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে তাকে তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য অফিসার (গ্রেড-১) পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার নাসিরপুর গ্রামের সন্তান সৈয়দ আবদাল আহমদ দেশের সাংবাদিকতা অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। জাতীয় প্রেসক্লাবের দুবারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন ছাড়াও তিনি ১৯৯২-৯৬ মেয়াদে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপ-প্রেসসচিব (সরকারের উপ-সচিব পদমর্যাদা) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

অনুসন্ধানী রিপোর্টের জন্য তিনি ১৯৮৯ সালে মর্যাদাপূর্ণ ফিলিপস পুরস্কার, এসকাপ-এফইজেবি পুরস্কার এবং ২০২৫ সালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির আজীবন সম্মাননা লাভ করেন।

১৯৬২ সালের ২৮ নভেম্বর জন্মগ্রহণকারী সৈয়দ আবদাল আহমদ শায়েস্তাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও হবিগঞ্জের বৃন্দাবন সরকারি কলেজে পড়াশোনা শেষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে বিএসসি (অনার্স) ও এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৮২ সালে দৈনিক বাংলায় বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। পরে দৈনিক আমার দেশ ছাড়াও তিনি বাসস, দৈনিক জনকণ্ঠ, দৈনিক দিনকাল, সাপ্তাহিক বিচিত্রাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন।
তিনি ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া বাংলা একাডেমির জীবন সদস্য এবং প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

বর্তমানে তিনি দৈনিক আমার দেশের নির্বাহী সম্পাদক ও কিশোর মাসিক টুনটুনির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সৈয়দ আবদাল আহমদ ২০টিরও বেশি বইয়ের লেখক। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে— নন্দিত নেত্রী খালেদা জিয়া, বুড়িগঙ্গা তীরের রহস্যনগরী, কিংবদন্তির জিয়া, মহান ভাষা আন্দোলন, জলবায়ু পরিবর্তন, নবীজি (সা.), গণতন্ত্রের সংগ্রাম, পাঁচটি গণ আন্দোলন, প্যারিস আইফেল টাওয়ার মোনালিসা, বিজয় ও স্বাধীনতাসহ আরও বহু গ্রন্থ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এই কৃতি সন্তানের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগে জেলার সাংবাদিক মহলে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি প্রকাশ করা হয়েছে।