ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢোলভাঙ্গায় পানি নেই, আছে দূষন,দখল আর আবর্জনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিএনপির জয়, সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে শীর্ষে খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল

আবু নাছের রতন
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৮০ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং একটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন।

ফলাফলে দেখা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর–বিজয়নগর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে জেলার মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ৯ হাজার ৬৩৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী মো. আতাউল্লাহ পেয়েছেন ৬২ হাজার ৫৪৭ ভোট। এ আসনে ভোটের ব্যবধান দাঁড়ায় ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯ ভোট, যা জেলায় সর্বোচ্চ।

অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ হান্নান ধানের শীষ প্রতীকে ৬৮ হাজার ৯২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এ কে এম কামরুজ্জামান মামুন ঘোড়া প্রতীকে পান ৩৫ হাজার ২২০ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। তিনি মোট ১ লাখ ২৫ হাজার ৫০০ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবিব পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৮২৩ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সচিব মুশফিকুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৪২ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো. আতাউর রহমান সরকার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৯১ হাজার ৭৯৬ ভোট।

সবচেয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে। এখানে বিএনপি প্রার্থী এম এ মান্নান ৮৫ হাজার ৭৬৯ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপস ফুটবল প্রতীকে পান ৮৪ হাজার ৭০৮ ভোট। ভোটের ব্যবধান মাত্র ১ হাজার ৬১ ভোট।

এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি মাথাল প্রতীকে ৯৫ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহসীন পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৯৭৬ ভোট।
সব মিলিয়ে, এবারের নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বিএনপি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। বিশেষ করে সর্বোচ্চ ভোট ও ব্যবধানে জয়ী হয়ে খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল জেলার নির্বাচনী ফলাফলে সবচেয়ে আলোচিত প্রার্থী হিসেবে উঠে এসেছেন।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিএনপির জয়, সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে শীর্ষে খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল

আপডেট সময় : ০৮:০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং একটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন।

ফলাফলে দেখা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর–বিজয়নগর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে জেলার মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ৯ হাজার ৬৩৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী মো. আতাউল্লাহ পেয়েছেন ৬২ হাজার ৫৪৭ ভোট। এ আসনে ভোটের ব্যবধান দাঁড়ায় ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯ ভোট, যা জেলায় সর্বোচ্চ।

অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ হান্নান ধানের শীষ প্রতীকে ৬৮ হাজার ৯২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এ কে এম কামরুজ্জামান মামুন ঘোড়া প্রতীকে পান ৩৫ হাজার ২২০ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। তিনি মোট ১ লাখ ২৫ হাজার ৫০০ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবিব পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৮২৩ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সচিব মুশফিকুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৪২ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো. আতাউর রহমান সরকার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৯১ হাজার ৭৯৬ ভোট।

সবচেয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে। এখানে বিএনপি প্রার্থী এম এ মান্নান ৮৫ হাজার ৭৬৯ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপস ফুটবল প্রতীকে পান ৮৪ হাজার ৭০৮ ভোট। ভোটের ব্যবধান মাত্র ১ হাজার ৬১ ভোট।

এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি মাথাল প্রতীকে ৯৫ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহসীন পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৯৭৬ ভোট।
সব মিলিয়ে, এবারের নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বিএনপি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। বিশেষ করে সর্বোচ্চ ভোট ও ব্যবধানে জয়ী হয়ে খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল জেলার নির্বাচনী ফলাফলে সবচেয়ে আলোচিত প্রার্থী হিসেবে উঠে এসেছেন।