ঢাকা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রমজান উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাজার মনিটরিং: ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ প্রতিষ্ঠানকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে প্রেস কাউন্সিলের সেমিনার: বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর জোর ইমারত নির্মাণ কমিটিতে না রাখায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীকে শাসালেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কুয়েতে বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আমিনুলসহ চার বাংলাদেশি আহত শহীদ জিয়াউর রহমান ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা খামেনির মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা সৃজনশীল চর্চায় মেধার বিকাশ, প্রযুক্তি প্রশিক্ষণে দক্ষ প্রজন্ম গড়ার আহ্বান- ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপি কাজীপাড়ায় পাওয়ার অফ ইউনিটির ক্রিকেট প্রিমিয়ার লিগ-২৬ সিজন-১ উদ্বোধন বুড়িগঙ্গার আদলে দখল ও দূষণমুক্ত করা হবে তিতাস নদী সাংবাদিকদের জন্য শিগগিরই অবসর সুবিধা ঘোষণা হবে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন

৫৫ বছরে সরাইল-আশুগঞ্জে হয়নি ভাগ্যের পরিবর্তন, এবার বৃত্ত ভাঙার ডাক রুমিন ফারহানার

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০২:০৭:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১১২ বার পড়া হয়েছে

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও সরাইল ও আশুগঞ্জের মানুষের ভাগ্যের মৌলিক কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, “এই অঞ্চলের মানুষ বারবার আশ্বাস পেয়েছে, কিন্তু উন্নয়ন পায়নি। এবার সেই বৃত্ত ভাঙার সময় এসেছে।”

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের আশুগঞ্জ উপজেলার মৈইশাল গ্রামে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্র পাহারার বিষয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, “১১ তারিখ বিকাল থেকে ১২ তারিখ বিকাল পর্যন্ত, ফলাফল ঘোষণা ও স্বাক্ষর সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কেউ কেন্দ্র ছাড়বেন না। কেউ যদি ফাউল করার চেষ্টা করে, কেউ যদি হাঁস চুরি বা হাঁসের ডিম খাওয়ার স্বপ্ন দেখে—তাদের উচিত জবাব দিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “এখন থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত মার্কা একটাই—হাঁস মার্কা। পরিবর্তনের সূচনা এই মাটি থেকেই শুরু হবে, ইনশাআল্লাহ।”

আশুগঞ্জের উন্নয়ন বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরে তিনি প্রশ্ন রাখেন, “আশুগঞ্জে বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে, সার কারখানা আছে, গ্যাস আছে, অসংখ্য চালকল আছে—তবুও কেন আজও আশুগঞ্জ পৌরসভা হয়নি? কেন সরাইল ও আশুগঞ্জের মানুষ এখনও গ্যাস সুবিধা থেকে বঞ্চিত?”
রাজনীতির চরিত্র নিয়ে তিনি বলেন, “রাজনীতি মানুষের সেবা করার জন্য, জুলুম করার জন্য নয়। আমরা এমন নেতৃত্ব চাই, যারা দলীয় পদ ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের ওপর জোর-জবরদস্তি করবে না, ভয় দেখাবে না।”

নিজের নির্বাচনী প্রতীক সম্পর্কে রুমিন ফারহানা বলেন, “হাঁস মার্কা শুধু একটি প্রতীক নয়—এটি পরিবর্তনের মার্কা, গণতন্ত্রের মার্কা ও সাহসের মার্কা। এটি দুর্নীতির বিরুদ্ধে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং সততার পক্ষে কথা বলার প্রতীক।”

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আল্লাহ যদি আপনাদের দোয়ায় আমাকে বিজয়ী করেন, তাহলে আমি সরাইল ও আশুগঞ্জকে আমার স্বপ্নের মতো করে সাজাবো। আপনারা আমার পাশে থাকুন, আমার হাত শক্তিশালী করুন।”

তিনি আরও বলেন, “জনগণ এবার এমন এমপি চায়, যারা ক্ষমতায় গিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করবে না, টাকা নিয়ে মামলায় নাম ঢোকাবে না এবং অবৈধ বালু ও মাটি ব্যবসার সঙ্গে জড়াবে না।”

জনসভায় স্থানীয় নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

৫৫ বছরে সরাইল-আশুগঞ্জে হয়নি ভাগ্যের পরিবর্তন, এবার বৃত্ত ভাঙার ডাক রুমিন ফারহানার

আপডেট সময় : ০২:০৭:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও সরাইল ও আশুগঞ্জের মানুষের ভাগ্যের মৌলিক কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, “এই অঞ্চলের মানুষ বারবার আশ্বাস পেয়েছে, কিন্তু উন্নয়ন পায়নি। এবার সেই বৃত্ত ভাঙার সময় এসেছে।”

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের আশুগঞ্জ উপজেলার মৈইশাল গ্রামে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্র পাহারার বিষয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, “১১ তারিখ বিকাল থেকে ১২ তারিখ বিকাল পর্যন্ত, ফলাফল ঘোষণা ও স্বাক্ষর সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কেউ কেন্দ্র ছাড়বেন না। কেউ যদি ফাউল করার চেষ্টা করে, কেউ যদি হাঁস চুরি বা হাঁসের ডিম খাওয়ার স্বপ্ন দেখে—তাদের উচিত জবাব দিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “এখন থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত মার্কা একটাই—হাঁস মার্কা। পরিবর্তনের সূচনা এই মাটি থেকেই শুরু হবে, ইনশাআল্লাহ।”

আশুগঞ্জের উন্নয়ন বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরে তিনি প্রশ্ন রাখেন, “আশুগঞ্জে বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে, সার কারখানা আছে, গ্যাস আছে, অসংখ্য চালকল আছে—তবুও কেন আজও আশুগঞ্জ পৌরসভা হয়নি? কেন সরাইল ও আশুগঞ্জের মানুষ এখনও গ্যাস সুবিধা থেকে বঞ্চিত?”
রাজনীতির চরিত্র নিয়ে তিনি বলেন, “রাজনীতি মানুষের সেবা করার জন্য, জুলুম করার জন্য নয়। আমরা এমন নেতৃত্ব চাই, যারা দলীয় পদ ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের ওপর জোর-জবরদস্তি করবে না, ভয় দেখাবে না।”

নিজের নির্বাচনী প্রতীক সম্পর্কে রুমিন ফারহানা বলেন, “হাঁস মার্কা শুধু একটি প্রতীক নয়—এটি পরিবর্তনের মার্কা, গণতন্ত্রের মার্কা ও সাহসের মার্কা। এটি দুর্নীতির বিরুদ্ধে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং সততার পক্ষে কথা বলার প্রতীক।”

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আল্লাহ যদি আপনাদের দোয়ায় আমাকে বিজয়ী করেন, তাহলে আমি সরাইল ও আশুগঞ্জকে আমার স্বপ্নের মতো করে সাজাবো। আপনারা আমার পাশে থাকুন, আমার হাত শক্তিশালী করুন।”

তিনি আরও বলেন, “জনগণ এবার এমন এমপি চায়, যারা ক্ষমতায় গিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করবে না, টাকা নিয়ে মামলায় নাম ঢোকাবে না এবং অবৈধ বালু ও মাটি ব্যবসার সঙ্গে জড়াবে না।”

জনসভায় স্থানীয় নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।