ঢাকা ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার ডুয়েট শিক্ষার্থী নাহিদ।। মুক্তিপণ আদায়ের পর মুক্ত  ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে জেলা পরিষদ প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নানা অনিয়মের দায়ে অচি মেমোরিয়াল ও পদ্মা মা ও শিশু হাসপাতালকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা হাইকোর্টের নির্দেশে বন্ধ হলো বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৬৫টি কচ্ছপ উদ্ধার, সালদানদীতে অবমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজীপাড়ায় মাদকবিরোধী সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত নদী-খাল-বিলে মাছ রক্ষায় অবৈধ রিংজাল বন্ধে সচেতনতার আহ্বান জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের এফ এ টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে জেলা পরিষদের আর্থিক অনুদান প্রদান ঢেউ’র আহবায়ক সোহেল সদস্য সচিব আইফাত  তিতাস তীরের কৃষিজমি ও জলাশয় দখলমুক্তে উচ্ছেদ অভিযান

পালিয়ে বিয়ের জেরে কনের ভাইয়ের ইটের আঘাতে বরের মা নিহত

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৩:০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পালিয়ে বিয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কনের ভাইয়ের ছোড়া ইটের আঘাতে বরের মা দীপালি রাণী দাস (৫৫) নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত দীপালি রাণী দাস ওই এলাকার মৃত শৈলেন চন্দ্র দাসের স্ত্রী।

নিহতের মেয়ে ইতি দাস জানান, প্রায় তিন মাস আগে তার ভাই সবুজ চন্দ্র দাস প্রতিবেশী সুকেশ চন্দ্র দাসের মেয়ে সুইটি রাণী দাসকে পালিয়ে বিয়ে করেন। তবে এই বিয়ে কনের পরিবার মেনে নেয়নি। বিয়ের পর থেকেই বরের পরিবারকে নানা ধরনের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছিল। একপর্যায়ে নিরাপত্তাহীনতার কারণে পরিবারটি বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।

সম্প্রতি তারা নিজ বাড়িতে ফিরে এলে কনেপক্ষ পুনরায় হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় বাজারে সবুজের পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়। দুপুরে ওই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে গেলে কনেপক্ষ আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে সবুজের শ্যালক নিলয় চন্দ্র দাস ইট দিয়ে শাশুড়ি দীপালি রাণীর মাথা ও মুখে আঘাত করেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কনের পরিবারের তিনজনকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তদন্ত শেষে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

পালিয়ে বিয়ের জেরে কনের ভাইয়ের ইটের আঘাতে বরের মা নিহত

আপডেট সময় : ০৩:০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পালিয়ে বিয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কনের ভাইয়ের ছোড়া ইটের আঘাতে বরের মা দীপালি রাণী দাস (৫৫) নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত দীপালি রাণী দাস ওই এলাকার মৃত শৈলেন চন্দ্র দাসের স্ত্রী।

নিহতের মেয়ে ইতি দাস জানান, প্রায় তিন মাস আগে তার ভাই সবুজ চন্দ্র দাস প্রতিবেশী সুকেশ চন্দ্র দাসের মেয়ে সুইটি রাণী দাসকে পালিয়ে বিয়ে করেন। তবে এই বিয়ে কনের পরিবার মেনে নেয়নি। বিয়ের পর থেকেই বরের পরিবারকে নানা ধরনের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছিল। একপর্যায়ে নিরাপত্তাহীনতার কারণে পরিবারটি বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।

সম্প্রতি তারা নিজ বাড়িতে ফিরে এলে কনেপক্ষ পুনরায় হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় বাজারে সবুজের পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়। দুপুরে ওই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে গেলে কনেপক্ষ আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে সবুজের শ্যালক নিলয় চন্দ্র দাস ইট দিয়ে শাশুড়ি দীপালি রাণীর মাথা ও মুখে আঘাত করেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কনের পরিবারের তিনজনকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তদন্ত শেষে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।