ঢাকা ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার ডুয়েট শিক্ষার্থী নাহিদ।। মুক্তিপণ আদায়ের পর মুক্ত  ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে জেলা পরিষদ প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নানা অনিয়মের দায়ে অচি মেমোরিয়াল ও পদ্মা মা ও শিশু হাসপাতালকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা হাইকোর্টের নির্দেশে বন্ধ হলো বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৬৫টি কচ্ছপ উদ্ধার, সালদানদীতে অবমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজীপাড়ায় মাদকবিরোধী সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত নদী-খাল-বিলে মাছ রক্ষায় অবৈধ রিংজাল বন্ধে সচেতনতার আহ্বান জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের এফ এ টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে জেলা পরিষদের আর্থিক অনুদান প্রদান ঢেউ’র আহবায়ক সোহেল সদস্য সচিব আইফাত  তিতাস তীরের কৃষিজমি ও জলাশয় দখলমুক্তে উচ্ছেদ অভিযান

স্মরণ সভায় ইঞ্জি. শ্যামল: ফ্যাসিস্ট ও মওদুদী ইসলামের বিরুদ্ধে আলেমদের সজাগ থাকতে হবে

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ১১:৩৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২১৫ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক বিন নূরী রহ. এর স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় সুর সম্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গনের সরোদ মঞ্চে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন হাফেজ মাওলানা রশিদ আহমেদ, পরিচালনা করেন মাওলানা ইয়াছিন। প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জি. খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, প্রধান বক্তা মাওলানা কাজী সেলিম রেজা।

ইঞ্জি. শ্যামল সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া চেয়ে বলেন, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর আমরা সংকটের মধ্যে ছিলাম। তৎকালীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্বে স্বৈরাচারী এরশাদের পতন ঘটিয়েছিলাম। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে ফ্যাসিস্ট সরকার ও জামায়াতে ইসলামী অংশগ্রহণ করে স্বৈরাচারকে বৈধতা দিয়েছিল, কিন্তু আমাদের দল অংশগ্রহণ করেনি।

তিনি আরও বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে আলেম ওলামাদের ওপর গত ১৭ বছরে যে নির্যাতন হয়েছে, তা দেশের অন্য কোথাও কম নয়। প্রায় ১৭ জন আলেম শহিদ হয়েছেন। মোদী বিরোধী আন্দোলন, ফতোয়া বিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন সময়ে ফ্যাসিস্টের প্রতিনিধি রবিউল আলেমদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। জামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসায় পুলিশের হামলা ও বিভিন্নভাবে হুমকি চালানো ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায়।

শ্যামল বলেন, আমাদের সমাজের আলেম, শিক্ষক, মুয়াজ্জিনরা ফ্যাসিস্টের চাপ থেকে মুক্ত নয়। বর্তমানে আমাদের ফ্যাসিস্ট এবং মওদুদী ইসলামের বিরুদ্ধে লড়তে হবে। তিনি গ্রামের মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে কোরআন তিলাওয়াত করেন মাওলানা কাজী নাজিম উদ্দীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সাবেক মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, জেলা যুবদলের সভাপতি শামীম মোল্লা ও অন্যান্যরা।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

স্মরণ সভায় ইঞ্জি. শ্যামল: ফ্যাসিস্ট ও মওদুদী ইসলামের বিরুদ্ধে আলেমদের সজাগ থাকতে হবে

আপডেট সময় : ১১:৩৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক বিন নূরী রহ. এর স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় সুর সম্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গনের সরোদ মঞ্চে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন হাফেজ মাওলানা রশিদ আহমেদ, পরিচালনা করেন মাওলানা ইয়াছিন। প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জি. খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, প্রধান বক্তা মাওলানা কাজী সেলিম রেজা।

ইঞ্জি. শ্যামল সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া চেয়ে বলেন, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর আমরা সংকটের মধ্যে ছিলাম। তৎকালীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্বে স্বৈরাচারী এরশাদের পতন ঘটিয়েছিলাম। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে ফ্যাসিস্ট সরকার ও জামায়াতে ইসলামী অংশগ্রহণ করে স্বৈরাচারকে বৈধতা দিয়েছিল, কিন্তু আমাদের দল অংশগ্রহণ করেনি।

তিনি আরও বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে আলেম ওলামাদের ওপর গত ১৭ বছরে যে নির্যাতন হয়েছে, তা দেশের অন্য কোথাও কম নয়। প্রায় ১৭ জন আলেম শহিদ হয়েছেন। মোদী বিরোধী আন্দোলন, ফতোয়া বিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন সময়ে ফ্যাসিস্টের প্রতিনিধি রবিউল আলেমদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। জামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসায় পুলিশের হামলা ও বিভিন্নভাবে হুমকি চালানো ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায়।

শ্যামল বলেন, আমাদের সমাজের আলেম, শিক্ষক, মুয়াজ্জিনরা ফ্যাসিস্টের চাপ থেকে মুক্ত নয়। বর্তমানে আমাদের ফ্যাসিস্ট এবং মওদুদী ইসলামের বিরুদ্ধে লড়তে হবে। তিনি গ্রামের মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে কোরআন তিলাওয়াত করেন মাওলানা কাজী নাজিম উদ্দীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সাবেক মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, জেলা যুবদলের সভাপতি শামীম মোল্লা ও অন্যান্যরা।