ঢাকা ১২:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক-চাঁদাবাজ মুক্ত রাজশাহী গড়ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সন্তান পুলিশ কমিশনার ফয়েজুল কবির নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় বাঞ্ছারামপুরে সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ৩০ টি কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে জোড়াতালি দিয়ে।। পরিত্যক্ত ভবনে চলে মাদকসেবন কসবায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আখাউড়ায় ৪ মাসপর জামিন মিললো মানসিক ভারসাম্যহীন তিন সন্তানের জননীর। বিজয়নগরে কিশোরীর বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০ সরাইল থানার ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, পুলিশের জিডি সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে ইজারার নামে যুবদল নেতার চাঁদা আদায়ের চেষ্টা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল মণ্ডপে শোভিত প্রতিমা, কানে কানে উৎসব পৌঁছে দিচ্ছে ঢাক
ধর্মঘটসহ কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মীর আনোয়ারের অপসারণ ও অনিয়ম বন্ধসহ  সাত দফা দাবিতে পরিবহন শ্রমিকদের মানববন্ধন

মো. আবু নাছের (রতন)
  • আপডেট সময় : ০৫:০৬:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৫৪ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাফিক বিভাগের অনিয়ম বন্ধ ও ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মীর আনোয়ারের অপসারণসহ সাত দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে পরিবহন ধর্মঘটসহ কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে জেলা সড়ক পরিবহন মালিক–শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।

আজ সোমবার দুপুরে কুমিল্লা–সিলেট মহাসড়কের কাউতলী এলাকায় আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এই হুশিয়ারি দেয়া হয়। মানববন্ধনে জেলার সড়ক পরিবহনের ১১ টি সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

এতে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ নিয়ামত খান, সদস্য সচিব মো. মেরাজ ইসলাম, সিএনজি অটোরিকশা পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বাহার চৌধুরী, জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হানিফ মিয়া, সহ-সভাপতি ছোট্টু মিয়াসহ অন্যান্য শ্রমিক নেতারা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জেলার পরিবহন মালিক শ্রমিকরা নিরবিচ্ছিন্নভাবে জনগণকে পরিবহন সেবা দিয়ে আসছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে ট্রাফিক বিভাগের অনিয়ম, দুর্নীতি ও হয়রানির কারণে পরিবহন খাতে এখন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মীর আনোয়ার নিয়ম বহির্ভূতভাবে জেলার শত শত সিএনজি অটোরিক্সা ও চারটি বাস আটক করে রেখে বিভিন্নভাবে নাজেহাল ও হয়রানি করছে। পাশাপাশি তার স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে অযাচিত বেআইনি ও দুর্নীতি কার্যক্রমের ফলে জেলার পরিবহন মালিক শ্রমিকরা আজ ক্ষোভো ফুসে উঠেছে। এছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলেও নানা রকম উৎকোচ দিতে হয়। এ অবস্থায়

এসব বন্ধ করে সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। এ সময় বক্তারা, আটকৃত সকল যানবাহন মালিকদের জিম্মায় ফিরিয়ে দেওয়া, পরিবহন মালিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার, রিকুইজিশনের নামে হয়রানি বন্ধসহ ৭ দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান। দ্রুত দাবি পূরণ করা না হলে আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে পরিবহন ধর্মঘটসহ কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তারা।

পরে সাত দফা দাবির স্মারকলিপি জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করেন পরিবহন মালিক–শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ধর্মঘটসহ কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মীর আনোয়ারের অপসারণ ও অনিয়ম বন্ধসহ  সাত দফা দাবিতে পরিবহন শ্রমিকদের মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৫:০৬:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাফিক বিভাগের অনিয়ম বন্ধ ও ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মীর আনোয়ারের অপসারণসহ সাত দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে পরিবহন ধর্মঘটসহ কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে জেলা সড়ক পরিবহন মালিক–শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।

আজ সোমবার দুপুরে কুমিল্লা–সিলেট মহাসড়কের কাউতলী এলাকায় আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এই হুশিয়ারি দেয়া হয়। মানববন্ধনে জেলার সড়ক পরিবহনের ১১ টি সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

এতে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ নিয়ামত খান, সদস্য সচিব মো. মেরাজ ইসলাম, সিএনজি অটোরিকশা পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বাহার চৌধুরী, জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হানিফ মিয়া, সহ-সভাপতি ছোট্টু মিয়াসহ অন্যান্য শ্রমিক নেতারা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জেলার পরিবহন মালিক শ্রমিকরা নিরবিচ্ছিন্নভাবে জনগণকে পরিবহন সেবা দিয়ে আসছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে ট্রাফিক বিভাগের অনিয়ম, দুর্নীতি ও হয়রানির কারণে পরিবহন খাতে এখন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মীর আনোয়ার নিয়ম বহির্ভূতভাবে জেলার শত শত সিএনজি অটোরিক্সা ও চারটি বাস আটক করে রেখে বিভিন্নভাবে নাজেহাল ও হয়রানি করছে। পাশাপাশি তার স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে অযাচিত বেআইনি ও দুর্নীতি কার্যক্রমের ফলে জেলার পরিবহন মালিক শ্রমিকরা আজ ক্ষোভো ফুসে উঠেছে। এছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলেও নানা রকম উৎকোচ দিতে হয়। এ অবস্থায়

এসব বন্ধ করে সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। এ সময় বক্তারা, আটকৃত সকল যানবাহন মালিকদের জিম্মায় ফিরিয়ে দেওয়া, পরিবহন মালিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার, রিকুইজিশনের নামে হয়রানি বন্ধসহ ৭ দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান। দ্রুত দাবি পূরণ করা না হলে আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে পরিবহন ধর্মঘটসহ কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তারা।

পরে সাত দফা দাবির স্মারকলিপি জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করেন পরিবহন মালিক–শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ।