ঢাকা ১২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক-চাঁদাবাজ মুক্ত রাজশাহী গড়ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সন্তান পুলিশ কমিশনার ফয়েজুল কবির নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় বাঞ্ছারামপুরে সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ৩০ টি কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে জোড়াতালি দিয়ে।। পরিত্যক্ত ভবনে চলে মাদকসেবন কসবায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আখাউড়ায় ৪ মাসপর জামিন মিললো মানসিক ভারসাম্যহীন তিন সন্তানের জননীর। বিজয়নগরে কিশোরীর বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০ সরাইল থানার ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, পুলিশের জিডি সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে ইজারার নামে যুবদল নেতার চাঁদা আদায়ের চেষ্টা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল মণ্ডপে শোভিত প্রতিমা, কানে কানে উৎসব পৌঁছে দিচ্ছে ঢাক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়— বিদায়ী জেলা প্রশাসকের অভিমত

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৯:১৬:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৪২ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে মিল নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম।

তিনি বলেন, “ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চেয়ে ভয়াবহ ঘটনা অন্য অনেক জেলাতেই ঘটে। বিশ জেলায় কাজ করেছি সেখানে দেখেছি। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নামেই বেশি হাস্যরস তৈরি করা হয়, যা অনুচিত।”
শনিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিসি আরো বলেন, “অনেকে বলেছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নাকি কাজ করা কঠিন হবে। কিন্তু এখানে এসে দেখলাম সম্পূর্ণ ভিন্ন বাস্তবতা। এখানকার কর্মকর্তারা একবার চলে গেলে আবার ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।”

তিনি নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “আমি সবসময় বলেছি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে যদি কেউ সংসার করে টিকে থাকতে না পারে, তাহলে বাংলাদেশের কোথাও সংসার করতে পারবে না।

যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থাকে জেলার সবচেয়ে বড় সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যোগদানের পর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন এবং একাধিক আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করেছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহমুদা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন কুমার দে, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত মোহাম্মদ ইশতিয়াক ভূঁইয়া এবং এনডিসি শাহরিয়ার হাসান খান।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়— বিদায়ী জেলা প্রশাসকের অভিমত

আপডেট সময় : ০৯:১৬:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে মিল নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম।

তিনি বলেন, “ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চেয়ে ভয়াবহ ঘটনা অন্য অনেক জেলাতেই ঘটে। বিশ জেলায় কাজ করেছি সেখানে দেখেছি। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নামেই বেশি হাস্যরস তৈরি করা হয়, যা অনুচিত।”
শনিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিসি আরো বলেন, “অনেকে বলেছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নাকি কাজ করা কঠিন হবে। কিন্তু এখানে এসে দেখলাম সম্পূর্ণ ভিন্ন বাস্তবতা। এখানকার কর্মকর্তারা একবার চলে গেলে আবার ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।”

তিনি নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “আমি সবসময় বলেছি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে যদি কেউ সংসার করে টিকে থাকতে না পারে, তাহলে বাংলাদেশের কোথাও সংসার করতে পারবে না।

যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থাকে জেলার সবচেয়ে বড় সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যোগদানের পর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন এবং একাধিক আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করেছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহমুদা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন কুমার দে, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত মোহাম্মদ ইশতিয়াক ভূঁইয়া এবং এনডিসি শাহরিয়ার হাসান খান।