ঢাকা ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢোলভাঙ্গায় পানি নেই, আছে দূষন,দখল আর আবর্জনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়— বিদায়ী জেলা প্রশাসকের অভিমত

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৯:১৬:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৯৯ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে মিল নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম।

তিনি বলেন, “ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চেয়ে ভয়াবহ ঘটনা অন্য অনেক জেলাতেই ঘটে। বিশ জেলায় কাজ করেছি সেখানে দেখেছি। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নামেই বেশি হাস্যরস তৈরি করা হয়, যা অনুচিত।”
শনিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিসি আরো বলেন, “অনেকে বলেছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নাকি কাজ করা কঠিন হবে। কিন্তু এখানে এসে দেখলাম সম্পূর্ণ ভিন্ন বাস্তবতা। এখানকার কর্মকর্তারা একবার চলে গেলে আবার ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।”

তিনি নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “আমি সবসময় বলেছি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে যদি কেউ সংসার করে টিকে থাকতে না পারে, তাহলে বাংলাদেশের কোথাও সংসার করতে পারবে না।

যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থাকে জেলার সবচেয়ে বড় সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যোগদানের পর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন এবং একাধিক আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করেছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহমুদা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন কুমার দে, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত মোহাম্মদ ইশতিয়াক ভূঁইয়া এবং এনডিসি শাহরিয়ার হাসান খান।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়— বিদায়ী জেলা প্রশাসকের অভিমত

আপডেট সময় : ০৯:১৬:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে মিল নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম।

তিনি বলেন, “ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চেয়ে ভয়াবহ ঘটনা অন্য অনেক জেলাতেই ঘটে। বিশ জেলায় কাজ করেছি সেখানে দেখেছি। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নামেই বেশি হাস্যরস তৈরি করা হয়, যা অনুচিত।”
শনিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিসি আরো বলেন, “অনেকে বলেছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নাকি কাজ করা কঠিন হবে। কিন্তু এখানে এসে দেখলাম সম্পূর্ণ ভিন্ন বাস্তবতা। এখানকার কর্মকর্তারা একবার চলে গেলে আবার ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।”

তিনি নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “আমি সবসময় বলেছি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে যদি কেউ সংসার করে টিকে থাকতে না পারে, তাহলে বাংলাদেশের কোথাও সংসার করতে পারবে না।

যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থাকে জেলার সবচেয়ে বড় সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যোগদানের পর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন এবং একাধিক আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ করেছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহমুদা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন কুমার দে, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত মোহাম্মদ ইশতিয়াক ভূঁইয়া এবং এনডিসি শাহরিয়ার হাসান খান।