ঢাকা ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢোলভাঙ্গায় পানি নেই, আছে দূষন,দখল আর আবর্জনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক

নবীনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ২ নিহত, ৪ গুলিবিদ্ধ — রিফাত বাহিনীর প্রধানসহ ২ জন অস্ত্রসহ গ্রেফতার

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৪:০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৩০৩ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সশস্ত্র হামলায় ৪ জন গুলিবিদ্ধ ও ২ জন নিহত হওয়ার ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে রিফাত বাহিনীর প্রধান রিফাত আহমেদ (২৫) ও তার সহযোগী লিমান মিয়া (১৯) কে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯ এর সদস্যরা।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, র‌্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকে ধর্ষণ, অপহরণ, মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে র‌্যাব নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় নবীনগরের সাম্প্রতিক এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
র‌্যাব জানায়, নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের গণিশাহ মাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে থোল্লাকান্দি গ্রামের রিফাত বাহিনী ও নুরজাহানপুর গ্রামের শিপন বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
গত ১ নভেম্বর রাতে শিপন গনিশাহ মাজার সংলগ্ন এক রেস্তোরাঁয় খাবার খাওয়ার সময় রিফাত তার বাহিনীসহ অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এতে শিপন, ইয়াসিন ও নুর আলম গুলিবিদ্ধ হন। পরে শিপন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং পরদিন ইয়াসিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

এ ঘটনার পর থেকে রিফাত পলাতক ছিলেন। র‌্যাব-৯ এর গোয়েন্দা নজরদারিতে ৭ নভেম্বর বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দি এলাকায় অভিযান চালানো হয়, তবে রিফাত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ওই স্থানে তল্লাশি চালিয়ে ৮টি পাইপগানের মূলবডি ও ৪৫টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তীতে র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারিতে ১০ নভেম্বর রাত ৩টার দিকে বাঞ্ছারামপুরের উজানচর খোসকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে রিফাতকে গ্রেফতার করা হয়। তার স্বীকারোক্তিতে থোল্লাকান্দি গ্রামের লিমান মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও সাত রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন — রিফাত আহমেদ (২৫), পিতা মৃত মোস্তাক আহমেদ, গ্রাম থোল্লাকান্দি, নবীনগর, মো. লিমান মিয়া (১৯), পিতা মো. সেলিম মিয়া, একই গ্রামের বাসিন্দা।

র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নবীনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ২ নিহত, ৪ গুলিবিদ্ধ — রিফাত বাহিনীর প্রধানসহ ২ জন অস্ত্রসহ গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৪:০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সশস্ত্র হামলায় ৪ জন গুলিবিদ্ধ ও ২ জন নিহত হওয়ার ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে রিফাত বাহিনীর প্রধান রিফাত আহমেদ (২৫) ও তার সহযোগী লিমান মিয়া (১৯) কে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯ এর সদস্যরা।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, র‌্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকে ধর্ষণ, অপহরণ, মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে র‌্যাব নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় নবীনগরের সাম্প্রতিক এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
র‌্যাব জানায়, নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের গণিশাহ মাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে থোল্লাকান্দি গ্রামের রিফাত বাহিনী ও নুরজাহানপুর গ্রামের শিপন বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
গত ১ নভেম্বর রাতে শিপন গনিশাহ মাজার সংলগ্ন এক রেস্তোরাঁয় খাবার খাওয়ার সময় রিফাত তার বাহিনীসহ অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এতে শিপন, ইয়াসিন ও নুর আলম গুলিবিদ্ধ হন। পরে শিপন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং পরদিন ইয়াসিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

এ ঘটনার পর থেকে রিফাত পলাতক ছিলেন। র‌্যাব-৯ এর গোয়েন্দা নজরদারিতে ৭ নভেম্বর বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দি এলাকায় অভিযান চালানো হয়, তবে রিফাত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ওই স্থানে তল্লাশি চালিয়ে ৮টি পাইপগানের মূলবডি ও ৪৫টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তীতে র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারিতে ১০ নভেম্বর রাত ৩টার দিকে বাঞ্ছারামপুরের উজানচর খোসকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে রিফাতকে গ্রেফতার করা হয়। তার স্বীকারোক্তিতে থোল্লাকান্দি গ্রামের লিমান মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও সাত রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন — রিফাত আহমেদ (২৫), পিতা মৃত মোস্তাক আহমেদ, গ্রাম থোল্লাকান্দি, নবীনগর, মো. লিমান মিয়া (১৯), পিতা মো. সেলিম মিয়া, একই গ্রামের বাসিন্দা।

র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।