ঢাকা ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক-চাঁদাবাজ মুক্ত রাজশাহী গড়ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সন্তান পুলিশ কমিশনার ফয়েজুল কবির নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় বাঞ্ছারামপুরে সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ৩০ টি কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে জোড়াতালি দিয়ে।। পরিত্যক্ত ভবনে চলে মাদকসেবন কসবায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আখাউড়ায় ৪ মাসপর জামিন মিললো মানসিক ভারসাম্যহীন তিন সন্তানের জননীর। বিজয়নগরে কিশোরীর বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০ সরাইল থানার ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, পুলিশের জিডি সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে ইজারার নামে যুবদল নেতার চাঁদা আদায়ের চেষ্টা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল মণ্ডপে শোভিত প্রতিমা, কানে কানে উৎসব পৌঁছে দিচ্ছে ঢাক

নবীনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ২ নিহত, ৪ গুলিবিদ্ধ — রিফাত বাহিনীর প্রধানসহ ২ জন অস্ত্রসহ গ্রেফতার

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৪:০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৩৫৮ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সশস্ত্র হামলায় ৪ জন গুলিবিদ্ধ ও ২ জন নিহত হওয়ার ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে রিফাত বাহিনীর প্রধান রিফাত আহমেদ (২৫) ও তার সহযোগী লিমান মিয়া (১৯) কে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯ এর সদস্যরা।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, র‌্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকে ধর্ষণ, অপহরণ, মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে র‌্যাব নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় নবীনগরের সাম্প্রতিক এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
র‌্যাব জানায়, নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের গণিশাহ মাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে থোল্লাকান্দি গ্রামের রিফাত বাহিনী ও নুরজাহানপুর গ্রামের শিপন বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
গত ১ নভেম্বর রাতে শিপন গনিশাহ মাজার সংলগ্ন এক রেস্তোরাঁয় খাবার খাওয়ার সময় রিফাত তার বাহিনীসহ অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এতে শিপন, ইয়াসিন ও নুর আলম গুলিবিদ্ধ হন। পরে শিপন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং পরদিন ইয়াসিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

এ ঘটনার পর থেকে রিফাত পলাতক ছিলেন। র‌্যাব-৯ এর গোয়েন্দা নজরদারিতে ৭ নভেম্বর বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দি এলাকায় অভিযান চালানো হয়, তবে রিফাত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ওই স্থানে তল্লাশি চালিয়ে ৮টি পাইপগানের মূলবডি ও ৪৫টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তীতে র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারিতে ১০ নভেম্বর রাত ৩টার দিকে বাঞ্ছারামপুরের উজানচর খোসকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে রিফাতকে গ্রেফতার করা হয়। তার স্বীকারোক্তিতে থোল্লাকান্দি গ্রামের লিমান মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও সাত রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন — রিফাত আহমেদ (২৫), পিতা মৃত মোস্তাক আহমেদ, গ্রাম থোল্লাকান্দি, নবীনগর, মো. লিমান মিয়া (১৯), পিতা মো. সেলিম মিয়া, একই গ্রামের বাসিন্দা।

র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নবীনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ২ নিহত, ৪ গুলিবিদ্ধ — রিফাত বাহিনীর প্রধানসহ ২ জন অস্ত্রসহ গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৪:০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সশস্ত্র হামলায় ৪ জন গুলিবিদ্ধ ও ২ জন নিহত হওয়ার ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে রিফাত বাহিনীর প্রধান রিফাত আহমেদ (২৫) ও তার সহযোগী লিমান মিয়া (১৯) কে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯ এর সদস্যরা।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, র‌্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকে ধর্ষণ, অপহরণ, মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে র‌্যাব নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় নবীনগরের সাম্প্রতিক এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
র‌্যাব জানায়, নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের গণিশাহ মাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে থোল্লাকান্দি গ্রামের রিফাত বাহিনী ও নুরজাহানপুর গ্রামের শিপন বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
গত ১ নভেম্বর রাতে শিপন গনিশাহ মাজার সংলগ্ন এক রেস্তোরাঁয় খাবার খাওয়ার সময় রিফাত তার বাহিনীসহ অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এতে শিপন, ইয়াসিন ও নুর আলম গুলিবিদ্ধ হন। পরে শিপন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং পরদিন ইয়াসিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

এ ঘটনার পর থেকে রিফাত পলাতক ছিলেন। র‌্যাব-৯ এর গোয়েন্দা নজরদারিতে ৭ নভেম্বর বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দি এলাকায় অভিযান চালানো হয়, তবে রিফাত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ওই স্থানে তল্লাশি চালিয়ে ৮টি পাইপগানের মূলবডি ও ৪৫টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তীতে র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারিতে ১০ নভেম্বর রাত ৩টার দিকে বাঞ্ছারামপুরের উজানচর খোসকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে রিফাতকে গ্রেফতার করা হয়। তার স্বীকারোক্তিতে থোল্লাকান্দি গ্রামের লিমান মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও সাত রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন — রিফাত আহমেদ (২৫), পিতা মৃত মোস্তাক আহমেদ, গ্রাম থোল্লাকান্দি, নবীনগর, মো. লিমান মিয়া (১৯), পিতা মো. সেলিম মিয়া, একই গ্রামের বাসিন্দা।

র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।