ঢাকা ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢোলভাঙ্গায় পানি নেই, আছে দূষন,দখল আর আবর্জনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ওষুধ ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগীরা

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ১১:১০:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৩১১ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজ মার্কেটের বরাদ্দ করা বৈধ বাণিজ্যিক স্থাপনা অবৈধ বলে উচ্ছেদ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট শুরু করেছে কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি। ধর্মঘটের ফলে শহরের প্রায় সব ওষুধের দোকান বন্ধ রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগী ও সাধারণ মানুষ।

জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজ মার্কেটের বরাদ্দকৃত বৈধ বাণিজ্যিক স্থাপনাগুলোকে সম্প্রতি অবৈধ ঘোষণা করে উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং নিজেদের বৈধ দোকানগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিতের দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দেয় কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি।

ধর্মঘটের কারণে শহরের সহস্রাধিক ওষুধের দোকান বন্ধ রয়েছে। ফলে রোগী ও স্বজনরা চিকিৎসা শেষে প্রেসক্রিপশনে দেওয়া ওষুধ কিনতে পারছেন না। অনেককে শহরের বাইরে থেকে জরুরি ওষুধ সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এতে জরুরি চিকিৎসাসেবাও ব্যাহত হচ্ছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি পৌর শাখার সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “১৯৮৩ সাল থেকে মহিলা কলেজ মার্কেটে ১৪টি দোকান বৈধভাবে ভাড়া নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছি। নিয়মিত ভাড়াও প্রদান করছি। অথচ সম্প্রতি আমাদের বৈধ দোকানগুলোকে অবৈধ ঘোষণা করে জোরপূর্বক উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে, যা অমানবিক ও অবৈধ।”

তিনি আরও বলেন, “দোকান স্থানান্তরের জন্য আমরা ছয় মাস সময় চেয়েছিলাম, কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ তা আমলে নেয়নি। এ অবস্থায় উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ন্যায্য সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমাদের ধর্মঘট চলবে।”

অন্যদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা কলেজের সামনে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করে নতুন গেট নির্মাণের দাবিতে কয়েকদিন ধরেই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন।

ধর্মঘটের কারণে শহরের ফার্মেসি নির্ভর চিকিৎসাসেবা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ দ্রুত এ সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান চান।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ওষুধ ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগীরা

আপডেট সময় : ১১:১০:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজ মার্কেটের বরাদ্দ করা বৈধ বাণিজ্যিক স্থাপনা অবৈধ বলে উচ্ছেদ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট শুরু করেছে কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি। ধর্মঘটের ফলে শহরের প্রায় সব ওষুধের দোকান বন্ধ রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগী ও সাধারণ মানুষ।

জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজ মার্কেটের বরাদ্দকৃত বৈধ বাণিজ্যিক স্থাপনাগুলোকে সম্প্রতি অবৈধ ঘোষণা করে উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং নিজেদের বৈধ দোকানগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিতের দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দেয় কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি।

ধর্মঘটের কারণে শহরের সহস্রাধিক ওষুধের দোকান বন্ধ রয়েছে। ফলে রোগী ও স্বজনরা চিকিৎসা শেষে প্রেসক্রিপশনে দেওয়া ওষুধ কিনতে পারছেন না। অনেককে শহরের বাইরে থেকে জরুরি ওষুধ সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এতে জরুরি চিকিৎসাসেবাও ব্যাহত হচ্ছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি পৌর শাখার সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, “১৯৮৩ সাল থেকে মহিলা কলেজ মার্কেটে ১৪টি দোকান বৈধভাবে ভাড়া নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছি। নিয়মিত ভাড়াও প্রদান করছি। অথচ সম্প্রতি আমাদের বৈধ দোকানগুলোকে অবৈধ ঘোষণা করে জোরপূর্বক উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে, যা অমানবিক ও অবৈধ।”

তিনি আরও বলেন, “দোকান স্থানান্তরের জন্য আমরা ছয় মাস সময় চেয়েছিলাম, কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ তা আমলে নেয়নি। এ অবস্থায় উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ন্যায্য সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমাদের ধর্মঘট চলবে।”

অন্যদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা কলেজের সামনে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করে নতুন গেট নির্মাণের দাবিতে কয়েকদিন ধরেই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন।

ধর্মঘটের কারণে শহরের ফার্মেসি নির্ভর চিকিৎসাসেবা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষ দ্রুত এ সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান চান।