ঢাকা ০৮:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক লন্ডনে কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার জন্মদিন পালন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে নেতাকর্মীদের মিলনমেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে চার শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

মসজিদের দোতলায় পাওয়া গেল ৯ বছরের ময়নার নিথর দেহ, এলাকায় শোক ও ক্ষোভ

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৭:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫
  • / ৬১০ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে নিখোঁজের একদিন পর মাইমুনা আখতার ময়না (৯) নামে এক শিক্ষার্থীর মরদেহ মসজিদের দ্বিতীয় তলা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার সকালে উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের ছন্দুমিয়ার পাড়া থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। সে ওই পাড়ার প্রবাসী আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে। সে লতিফ মোস্তারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ও স্থানীয় একটি মাদ্রাসা নূরানী বিভাগে পড়তেন।

নিহতের পরিবার জানায়, গতকাল শনিবার দুপুরে ময়না বাড়ি থেকে খেলাধুলা করার জন্য বের হয়। এরপর তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্ন জায়গায় খুজাঁখুঁজি করার পর মাইকিংও করা হয়। পরে আজ সকালে শিশুরা হাবলিপাড়া জামে মসজিদে গেলে দ্বিতীয় তলায় ময়নার রক্তাত মরদেহ দেখতে পায়। পরে মসজিদের ঈমাম ময়নার মাকে খবর দেয়। পরে গ্রামবাসী মসজিদে গিয়ে ময়নার বিবস্ত্র ও গলায় কাপড় পেছানো অবস্থায় মরদেহ দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ, পিবিআই ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করে।

মরদেহ উদ্ধারের পর ওই মসজিদের ইমাম মো. হামিদুর রহমান (৩৫) ও মুয়াজ্জিন মো. সাইদুল ইসলাম (২১)-কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে এ ঘটনায় এলাকা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। গ্রামবাসী এ ধরনের নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

সরাইল সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তপন সরকার বলেন, খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে পুলিশি হেফাজতে আনা হয়। ঘটনাটির তদন্ত চলছে। তবে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে কিনা বিষয়টি ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর জানা যাবে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

মসজিদের দোতলায় পাওয়া গেল ৯ বছরের ময়নার নিথর দেহ, এলাকায় শোক ও ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে নিখোঁজের একদিন পর মাইমুনা আখতার ময়না (৯) নামে এক শিক্ষার্থীর মরদেহ মসজিদের দ্বিতীয় তলা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার সকালে উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের ছন্দুমিয়ার পাড়া থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। সে ওই পাড়ার প্রবাসী আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে। সে লতিফ মোস্তারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ও স্থানীয় একটি মাদ্রাসা নূরানী বিভাগে পড়তেন।

নিহতের পরিবার জানায়, গতকাল শনিবার দুপুরে ময়না বাড়ি থেকে খেলাধুলা করার জন্য বের হয়। এরপর তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্ন জায়গায় খুজাঁখুঁজি করার পর মাইকিংও করা হয়। পরে আজ সকালে শিশুরা হাবলিপাড়া জামে মসজিদে গেলে দ্বিতীয় তলায় ময়নার রক্তাত মরদেহ দেখতে পায়। পরে মসজিদের ঈমাম ময়নার মাকে খবর দেয়। পরে গ্রামবাসী মসজিদে গিয়ে ময়নার বিবস্ত্র ও গলায় কাপড় পেছানো অবস্থায় মরদেহ দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ, পিবিআই ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করে।

মরদেহ উদ্ধারের পর ওই মসজিদের ইমাম মো. হামিদুর রহমান (৩৫) ও মুয়াজ্জিন মো. সাইদুল ইসলাম (২১)-কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে এ ঘটনায় এলাকা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। গ্রামবাসী এ ধরনের নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

সরাইল সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তপন সরকার বলেন, খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে পুলিশি হেফাজতে আনা হয়। ঘটনাটির তদন্ত চলছে। তবে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে কিনা বিষয়টি ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর জানা যাবে।