ঢাকা ১১:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক লন্ডনে কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার জন্মদিন পালন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে নেতাকর্মীদের মিলনমেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে চার শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

জুলাই-আগস্টের ৩৬ দিনের আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা- আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৪:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ৩৪৩ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর মুক্ত মঞ্চেকেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি আয়োজিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের দাবির সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকারের কাছে আর কোনো প্রত্যাশা নেই। দ্রব্যমূল্য ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে আমাদের এমন একটি রাজনৈতিক সরকার দরকার যারা জনগণের সমর্থিত, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এবং জবাবদিহিমূলক।

তিনি আরও বলেন, নতুন বয়ান শুনেছি কিন্তু এতে গত ১৬ বছরের কথা নেই, আন্দোলনের ৩৬ দিনের বিএনপি নেতা কর্মীদের অবদানের কথা নেই। কিছু ছাত্রনেতার কথায় মনে হয়, আন্দোলনটাকে তারা হাইজ্যাক করে নিয়ে গেছে।


কিন্তু আমরা এ আন্দোলনকে হাইজ্যাক করতে চাই না। আমরা বলছি যে এ আন্দোলনের সফলতা বাংলাদেশের মানুষের সফলতা।

তিনি দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানিয়ে বলেন, নির্বাচন হলো গণতন্ত্রের বাহক। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে আপনারা দেখবেন সবকিছু ক্রমান্বয়ে সহিষ্ণু অবস্থায় ফিরে আসবে। যেমনটা আমরা বিএনপির সময় দেখেছি তবে আওয়ামী লীগের সময় দেখিনি। কেননা শেখ হাসিনা নির্বাচিত ছিলেন না।

অন্তবর্তী সরকারের দায়িত্ব একটাই নির্বাচিত সরকারের হাতে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা তুলে দিয়ে বাংলাদেশে আবার গণতন্ত্র পুন: প্রবর্তন করা।

জুলাই-আগস্টের ৩৬ দিনের আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। শেখ হাসিনার পতনের পেছনে আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করেছি, বলেন তিনি। নির্বাচনের জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও জানান যে এরই মধ্যে দলের ৬০০ নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান।

জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. সিরাজুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, অর্থনীতিবিষয়ক সম্পাদক খালেদ হোসেন মাহমুদ শ্যামল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, জেলা বিএনপির সদস্য কবীর আহমেদ ভূঁইয়া এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সায়েদুল হক সাঈদ, মো. তকদির হোসেন, হাফিজুর রহমান মোল্লা, মেহেদী হাসান পলাশ, মো. জয়নাল আবেদীন, আলমগীর মিয়া প্রমুখ।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

জুলাই-আগস্টের ৩৬ দিনের আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা- আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

আপডেট সময় : ০৩:৩৪:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর মুক্ত মঞ্চেকেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি আয়োজিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের দাবির সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকারের কাছে আর কোনো প্রত্যাশা নেই। দ্রব্যমূল্য ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে আমাদের এমন একটি রাজনৈতিক সরকার দরকার যারা জনগণের সমর্থিত, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এবং জবাবদিহিমূলক।

তিনি আরও বলেন, নতুন বয়ান শুনেছি কিন্তু এতে গত ১৬ বছরের কথা নেই, আন্দোলনের ৩৬ দিনের বিএনপি নেতা কর্মীদের অবদানের কথা নেই। কিছু ছাত্রনেতার কথায় মনে হয়, আন্দোলনটাকে তারা হাইজ্যাক করে নিয়ে গেছে।


কিন্তু আমরা এ আন্দোলনকে হাইজ্যাক করতে চাই না। আমরা বলছি যে এ আন্দোলনের সফলতা বাংলাদেশের মানুষের সফলতা।

তিনি দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানিয়ে বলেন, নির্বাচন হলো গণতন্ত্রের বাহক। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে আপনারা দেখবেন সবকিছু ক্রমান্বয়ে সহিষ্ণু অবস্থায় ফিরে আসবে। যেমনটা আমরা বিএনপির সময় দেখেছি তবে আওয়ামী লীগের সময় দেখিনি। কেননা শেখ হাসিনা নির্বাচিত ছিলেন না।

অন্তবর্তী সরকারের দায়িত্ব একটাই নির্বাচিত সরকারের হাতে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা তুলে দিয়ে বাংলাদেশে আবার গণতন্ত্র পুন: প্রবর্তন করা।

জুলাই-আগস্টের ৩৬ দিনের আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। শেখ হাসিনার পতনের পেছনে আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করেছি, বলেন তিনি। নির্বাচনের জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও জানান যে এরই মধ্যে দলের ৬০০ নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান।

জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. সিরাজুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, অর্থনীতিবিষয়ক সম্পাদক খালেদ হোসেন মাহমুদ শ্যামল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, জেলা বিএনপির সদস্য কবীর আহমেদ ভূঁইয়া এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সায়েদুল হক সাঈদ, মো. তকদির হোসেন, হাফিজুর রহমান মোল্লা, মেহেদী হাসান পলাশ, মো. জয়নাল আবেদীন, আলমগীর মিয়া প্রমুখ।