ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজনৈতিক ও পারিবারিক সদিচ্ছা ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয় বিজয়নগরে সড়ক সংস্কারে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে কাজ বন্ধ প্রকৃত শ্রমিকদের প্রতি অন্যায় আচরণ মেনে নেওয়া হবে না- ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল এমপি পুশইনের আশঙ্কায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তে সতর্ক অবস্থায় বিজিবি এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকাই কাল হলো আবু সাঈদের মাদক একটি সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধী ব্যাধি-মাওলানা মোবারক হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভুল ইনজেকশন দেয়ায় শিশু মৃত্যু অসহায় নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করালেন জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তূর্ণা এক্সপ্রেসে পাথর নিক্ষেপ: চোখ হারালো আয়কর আইনজীবী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৮০ কেজি গাঁজা ও গাড়িসহ এক মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

রাজনৈতিক ও পারিবারিক সদিচ্ছা ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৪:২৩:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • / ২২ বার পড়া হয়েছে

রাজনৈতিক, সামাজিক ও পারিবারিক সদিচ্ছা ছাড়া সমাজ থেকে মাদক নির্মূল সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিগণ। তাদের মতে, শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ওপর নির্ভর করে মাদকের বিস্তার রোধ করা সম্ভব নয়। এ জন্য প্রচলিত মাদকবিরোধী আইন আরও কার্যকর ও কঠোরভাবে প্রয়োগের পাশাপাশি রাজনৈতিক, সামাজিক এবং পারিবারিক পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।

শুক্রবার (২৬ জুন) বাদ আসর ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া বন্ধুসভার সহযোগিতায় আয়োজিত মাদকবিরোধী মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন।

বক্তারা বলেন, মাদকের ভয়াবহতা এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে সমাজের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পেশার কিছু অসাধু ব্যক্তিও এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন। কোথাও রেলওয়ের লোকোমাস্টারের বিরুদ্ধে ইঞ্জিনে মাদক পরিবহনের অভিযোগ উঠছে, আবার কোথাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ধারীদের বিরুদ্ধেও মাদক কারবারে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তাই মাদকের মূল হোতা ও নেপথ্যের গডফাদারদের আইনের আওতায় আনা না গেলে এ সমস্যা থেকে সমাজকে মুক্ত করা সম্ভব হবে না।

বক্তারা আরও বলেন, মাদক তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একটি সুস্থ ও মাদকমুক্ত প্রজন্ম গড়ে তুলতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যমান আইনের কঠোর ও কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক শাহাদৎ হোসেন সঞ্চালনা করেন। এতে বক্তব্য দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা, ইয়ুথ ইন্টেলেকচুয়াল ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ও অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (অতিরিক্ত পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. আল আমিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনাইটেড কলেজের উদ্যোক্তা ও পরিচালক হারুন অর রশিদ, খেলাঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাধারণ সম্পাদক নেহার রঞ্জন সরকার, তরী বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক শামীম আহমেদ, সদস্য সোহেল রানা ভূঁইয়া, জেলা রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সংস্কৃতিকর্মী হৃদয় কামাল, ঐক্যবদ্ধ সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আহ্বায়ক শেখ আরিফ বিল্লাহ, শিক্ষার্থী শারমিনুল ইসলাম এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া বন্ধুসভার সভাপতি শাহজাহান মিয়াসহ অনেকে। এ সময় মানববন্ধনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে উপস্থিত ছিলেন অশোকা ফেলো ডা. মাতিন আহমেদ।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

রাজনৈতিক ও পারিবারিক সদিচ্ছা ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়

আপডেট সময় : ০৪:২৩:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

রাজনৈতিক, সামাজিক ও পারিবারিক সদিচ্ছা ছাড়া সমাজ থেকে মাদক নির্মূল সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিগণ। তাদের মতে, শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ওপর নির্ভর করে মাদকের বিস্তার রোধ করা সম্ভব নয়। এ জন্য প্রচলিত মাদকবিরোধী আইন আরও কার্যকর ও কঠোরভাবে প্রয়োগের পাশাপাশি রাজনৈতিক, সামাজিক এবং পারিবারিক পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।

শুক্রবার (২৬ জুন) বাদ আসর ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া বন্ধুসভার সহযোগিতায় আয়োজিত মাদকবিরোধী মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন।

বক্তারা বলেন, মাদকের ভয়াবহতা এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে সমাজের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পেশার কিছু অসাধু ব্যক্তিও এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন। কোথাও রেলওয়ের লোকোমাস্টারের বিরুদ্ধে ইঞ্জিনে মাদক পরিবহনের অভিযোগ উঠছে, আবার কোথাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ধারীদের বিরুদ্ধেও মাদক কারবারে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তাই মাদকের মূল হোতা ও নেপথ্যের গডফাদারদের আইনের আওতায় আনা না গেলে এ সমস্যা থেকে সমাজকে মুক্ত করা সম্ভব হবে না।

বক্তারা আরও বলেন, মাদক তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একটি সুস্থ ও মাদকমুক্ত প্রজন্ম গড়ে তুলতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যমান আইনের কঠোর ও কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক শাহাদৎ হোসেন সঞ্চালনা করেন। এতে বক্তব্য দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা, ইয়ুথ ইন্টেলেকচুয়াল ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ও অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (অতিরিক্ত পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. আল আমিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনাইটেড কলেজের উদ্যোক্তা ও পরিচালক হারুন অর রশিদ, খেলাঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাধারণ সম্পাদক নেহার রঞ্জন সরকার, তরী বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক শামীম আহমেদ, সদস্য সোহেল রানা ভূঁইয়া, জেলা রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সংস্কৃতিকর্মী হৃদয় কামাল, ঐক্যবদ্ধ সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আহ্বায়ক শেখ আরিফ বিল্লাহ, শিক্ষার্থী শারমিনুল ইসলাম এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া বন্ধুসভার সভাপতি শাহজাহান মিয়াসহ অনেকে। এ সময় মানববন্ধনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে উপস্থিত ছিলেন অশোকা ফেলো ডা. মাতিন আহমেদ।