ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজনৈতিক ও পারিবারিক সদিচ্ছা ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয় বিজয়নগরে সড়ক সংস্কারে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে কাজ বন্ধ প্রকৃত শ্রমিকদের প্রতি অন্যায় আচরণ মেনে নেওয়া হবে না- ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল এমপি পুশইনের আশঙ্কায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তে সতর্ক অবস্থায় বিজিবি এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকাই কাল হলো আবু সাঈদের মাদক একটি সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধী ব্যাধি-মাওলানা মোবারক হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভুল ইনজেকশন দেয়ায় শিশু মৃত্যু অসহায় নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করালেন জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তূর্ণা এক্সপ্রেসে পাথর নিক্ষেপ: চোখ হারালো আয়কর আইনজীবী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৮০ কেজি গাঁজা ও গাড়িসহ এক মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

প্রকৃত শ্রমিকদের প্রতি অন্যায় আচরণ মেনে নেওয়া হবে না- ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল এমপি

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৪:০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • / ১৫ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির অঙ্গসংগঠন ও শ্রমিক দলের উদ্যোগে রিকশা, ভ্যান, ইজিবাইক চালক ও বিভিন্ন শ্রেণির শ্রমিকদের অংশগ্রহণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর পৌর এলাকার ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের বাসভবনে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মাহবুব শ্যামল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।

ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, রিকশার লাইসেন্স নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম চলে আসছে। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীকে এসব অনিয়ম থেকে মুক্ত করার অঙ্গীকার করা হয়েছে এবং সেই লক্ষ্যেই কাজ চলছে।
তিনি আরো বলেন, আমাদের অবস্থান পরিষ্কার, যারা প্রকৃত রিকশার মালিক ও চালক, তারাই লাইসেন্স পাবেন। অতিতে একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে একজনের নামে ৩০০ থেকে ৫০০ পর্যন্ত লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে এবং সেগুলো উচ্চমূল্যে বিক্রিও হয়েছে। এসব অনিয়মের অবসান ঘটানো হবে।

বর্তমানে অবৈধ লাইসেন্স চিহ্নিত করার কাজ চলছে। পাশাপাশি ফ্যাসিস্ট আমলে একজনের নামে নেওয়া বিপুল সংখ্যক লাইসেন্স এবং পরবর্তীতে কেনাবেচা হওয়া লাইসেন্সও যাচাই করা হবে। ৫ আগস্টের পর যেসব লাইসেন্স অনিয়মের মাধ্যমে কেনা হয়েছে, সেগুলোও বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হবে, তা যে-ই অধিকারী হোক না কেন।

হ্যান্ডেল যার, রিকশা তার লাইসেন্সও তার এই নীতির ভিত্তিতে প্রকৃত রিকশা মালিক ও চালকদের লাইসেন্স নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে অবৈধ লাইসেন্স বাতিল ও নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রিকশা চালকদের জরিমানার বিষয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে দেখা হবে কী প্রক্রিয়ায় জরিমানা করা হচ্ছে। প্রকৃত শ্রমিকদের প্রতি অন্যায় আচরণ মেনে নেওয়া হবে না।

সবশেষে তিনি রিকশা শ্রমিকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা আমাদের ওপর আস্থা রাখুন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর ও প্রকৃত শ্রমিকদের স্বার্থে যে সিদ্ধান্ত সঠিক, আমরা সেটিই বাস্তবায়ন করব।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জহিরুল হক খোকন, সাবেক পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচিসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

প্রকৃত শ্রমিকদের প্রতি অন্যায় আচরণ মেনে নেওয়া হবে না- ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল এমপি

আপডেট সময় : ০৪:০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির অঙ্গসংগঠন ও শ্রমিক দলের উদ্যোগে রিকশা, ভ্যান, ইজিবাইক চালক ও বিভিন্ন শ্রেণির শ্রমিকদের অংশগ্রহণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর পৌর এলাকার ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের বাসভবনে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মাহবুব শ্যামল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।

ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, রিকশার লাইসেন্স নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম চলে আসছে। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীকে এসব অনিয়ম থেকে মুক্ত করার অঙ্গীকার করা হয়েছে এবং সেই লক্ষ্যেই কাজ চলছে।
তিনি আরো বলেন, আমাদের অবস্থান পরিষ্কার, যারা প্রকৃত রিকশার মালিক ও চালক, তারাই লাইসেন্স পাবেন। অতিতে একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে একজনের নামে ৩০০ থেকে ৫০০ পর্যন্ত লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে এবং সেগুলো উচ্চমূল্যে বিক্রিও হয়েছে। এসব অনিয়মের অবসান ঘটানো হবে।

বর্তমানে অবৈধ লাইসেন্স চিহ্নিত করার কাজ চলছে। পাশাপাশি ফ্যাসিস্ট আমলে একজনের নামে নেওয়া বিপুল সংখ্যক লাইসেন্স এবং পরবর্তীতে কেনাবেচা হওয়া লাইসেন্সও যাচাই করা হবে। ৫ আগস্টের পর যেসব লাইসেন্স অনিয়মের মাধ্যমে কেনা হয়েছে, সেগুলোও বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হবে, তা যে-ই অধিকারী হোক না কেন।

হ্যান্ডেল যার, রিকশা তার লাইসেন্সও তার এই নীতির ভিত্তিতে প্রকৃত রিকশা মালিক ও চালকদের লাইসেন্স নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে অবৈধ লাইসেন্স বাতিল ও নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রিকশা চালকদের জরিমানার বিষয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে দেখা হবে কী প্রক্রিয়ায় জরিমানা করা হচ্ছে। প্রকৃত শ্রমিকদের প্রতি অন্যায় আচরণ মেনে নেওয়া হবে না।

সবশেষে তিনি রিকশা শ্রমিকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা আমাদের ওপর আস্থা রাখুন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর ও প্রকৃত শ্রমিকদের স্বার্থে যে সিদ্ধান্ত সঠিক, আমরা সেটিই বাস্তবায়ন করব।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জহিরুল হক খোকন, সাবেক পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচিসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।