ঢাকা ০৩:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজনৈতিক ও পারিবারিক সদিচ্ছা ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয় বিজয়নগরে সড়ক সংস্কারে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে কাজ বন্ধ প্রকৃত শ্রমিকদের প্রতি অন্যায় আচরণ মেনে নেওয়া হবে না- ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল এমপি পুশইনের আশঙ্কায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তে সতর্ক অবস্থায় বিজিবি এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকাই কাল হলো আবু সাঈদের মাদক একটি সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধী ব্যাধি-মাওলানা মোবারক হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভুল ইনজেকশন দেয়ায় শিশু মৃত্যু অসহায় নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করালেন জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তূর্ণা এক্সপ্রেসে পাথর নিক্ষেপ: চোখ হারালো আয়কর আইনজীবী ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৮০ কেজি গাঁজা ও গাড়িসহ এক মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকাই কাল হলো আবু সাঈদের

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • / ২৩ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় নিখোঁজের দুই দিন পর মো. আবু ছায়েদ (৬০) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের সদস্যদের দাবি, এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে থাকতে পারেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে উপজেলার শাহজাদাপুর ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামের মিতালী ক্লাবের পূর্ব পাশের হাওরের একটি নালার ঝোপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আবু ছায়েদ চারুহাটি গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত নয়টার দিকে আবু ছায়েদ নিখোঁজ হন। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। আজ দুপুরে স্থানীয় লোকজন হাওরের একটি নালার ঝোপে মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, আবু ছায়েদ এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। তিনি বিভিন্ন সময় ইয়াবা সেবন ও বিক্রিতে বাধা দিতেন। এ নিয়ে কিছুদিন আগে এলাকার কয়েকজনের সঙ্গে তার ছোট ভাই লাল মিয়ার কথা–কাটাকাটি হয়। তাদের ধারণা, ওই ঘটনার জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে একই গ্রামের সাবেক মেম্বার লতু মিয়ার ছেলে তানভীরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

সরাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকাই কাল হলো আবু সাঈদের

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় নিখোঁজের দুই দিন পর মো. আবু ছায়েদ (৬০) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের সদস্যদের দাবি, এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে থাকতে পারেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে উপজেলার শাহজাদাপুর ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামের মিতালী ক্লাবের পূর্ব পাশের হাওরের একটি নালার ঝোপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আবু ছায়েদ চারুহাটি গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত নয়টার দিকে আবু ছায়েদ নিখোঁজ হন। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। আজ দুপুরে স্থানীয় লোকজন হাওরের একটি নালার ঝোপে মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, আবু ছায়েদ এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। তিনি বিভিন্ন সময় ইয়াবা সেবন ও বিক্রিতে বাধা দিতেন। এ নিয়ে কিছুদিন আগে এলাকার কয়েকজনের সঙ্গে তার ছোট ভাই লাল মিয়ার কথা–কাটাকাটি হয়। তাদের ধারণা, ওই ঘটনার জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে একই গ্রামের সাবেক মেম্বার লতু মিয়ার ছেলে তানভীরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

সরাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।