ঢাকা ০৫:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক-চাঁদাবাজ মুক্ত রাজশাহী গড়ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সন্তান পুলিশ কমিশনার ফয়েজুল কবির নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় বাঞ্ছারামপুরে সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ৩০ টি কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে জোড়াতালি দিয়ে।। পরিত্যক্ত ভবনে চলে মাদকসেবন কসবায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আখাউড়ায় ৪ মাসপর জামিন মিললো মানসিক ভারসাম্যহীন তিন সন্তানের জননীর। বিজয়নগরে কিশোরীর বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০ সরাইল থানার ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, পুলিশের জিডি সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে ইজারার নামে যুবদল নেতার চাঁদা আদায়ের চেষ্টা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল মণ্ডপে শোভিত প্রতিমা, কানে কানে উৎসব পৌঁছে দিচ্ছে ঢাক

এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকাই কাল হলো আবু সাঈদের

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • / ১০২ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় নিখোঁজের দুই দিন পর মো. আবু ছায়েদ (৬০) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের সদস্যদের দাবি, এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে থাকতে পারেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে উপজেলার শাহজাদাপুর ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামের মিতালী ক্লাবের পূর্ব পাশের হাওরের একটি নালার ঝোপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আবু ছায়েদ চারুহাটি গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত নয়টার দিকে আবু ছায়েদ নিখোঁজ হন। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। আজ দুপুরে স্থানীয় লোকজন হাওরের একটি নালার ঝোপে মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, আবু ছায়েদ এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। তিনি বিভিন্ন সময় ইয়াবা সেবন ও বিক্রিতে বাধা দিতেন। এ নিয়ে কিছুদিন আগে এলাকার কয়েকজনের সঙ্গে তার ছোট ভাই লাল মিয়ার কথা–কাটাকাটি হয়। তাদের ধারণা, ওই ঘটনার জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে একই গ্রামের সাবেক মেম্বার লতু মিয়ার ছেলে তানভীরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

সরাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকাই কাল হলো আবু সাঈদের

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় নিখোঁজের দুই দিন পর মো. আবু ছায়েদ (৬০) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের সদস্যদের দাবি, এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে থাকতে পারেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে উপজেলার শাহজাদাপুর ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামের মিতালী ক্লাবের পূর্ব পাশের হাওরের একটি নালার ঝোপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আবু ছায়েদ চারুহাটি গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত নয়টার দিকে আবু ছায়েদ নিখোঁজ হন। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। আজ দুপুরে স্থানীয় লোকজন হাওরের একটি নালার ঝোপে মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, আবু ছায়েদ এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। তিনি বিভিন্ন সময় ইয়াবা সেবন ও বিক্রিতে বাধা দিতেন। এ নিয়ে কিছুদিন আগে এলাকার কয়েকজনের সঙ্গে তার ছোট ভাই লাল মিয়ার কথা–কাটাকাটি হয়। তাদের ধারণা, ওই ঘটনার জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে একই গ্রামের সাবেক মেম্বার লতু মিয়ার ছেলে তানভীরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

সরাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।