ঢাকা ০৬:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক-চাঁদাবাজ মুক্ত রাজশাহী গড়ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সন্তান পুলিশ কমিশনার ফয়েজুল কবির নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় বাঞ্ছারামপুরে সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ৩০ টি কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে জোড়াতালি দিয়ে।। পরিত্যক্ত ভবনে চলে মাদকসেবন কসবায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আখাউড়ায় ৪ মাসপর জামিন মিললো মানসিক ভারসাম্যহীন তিন সন্তানের জননীর। বিজয়নগরে কিশোরীর বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০ সরাইল থানার ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, পুলিশের জিডি সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে ইজারার নামে যুবদল নেতার চাঁদা আদায়ের চেষ্টা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল মণ্ডপে শোভিত প্রতিমা, কানে কানে উৎসব পৌঁছে দিচ্ছে ঢাক

নাটাই উত্তরের রাজঘর-থলিয়ারায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ

মোঃ আবু নাছের রতন
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • / ১৬৮ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের রাজঘর ও থলিয়ারা গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ এবং মসজিদে হামলার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।

সোমবার (৯ জুন) সকাল ১১টায় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগের বিষয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর ও হামলার শিকার স্থাপনাগুলো ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান শাহীন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজম, কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান, জেলা যুবদলের সভাপতি শামীম মোল্লা, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আলমগীর হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে আলহাজ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, “এই ভয়াবহ লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। যারা এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মানুষ কতটা জঘন্য মানসিকতার হলে আল্লাহর ঘর মসজিদেও হামলা চালাতে পারে। সঠিক আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমন করতে হবে।

এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির সঠিক মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের দাবি জানান। স্থানীয়দের মধ্যে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বানও জানানো হয়।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নাটাই উত্তরের রাজঘর-থলিয়ারায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ

আপডেট সময় : ০৪:০৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের রাজঘর ও থলিয়ারা গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ এবং মসজিদে হামলার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।

সোমবার (৯ জুন) সকাল ১১টায় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগের বিষয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর ও হামলার শিকার স্থাপনাগুলো ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান শাহীন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজম, কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান, জেলা যুবদলের সভাপতি শামীম মোল্লা, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আলমগীর হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে আলহাজ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, “এই ভয়াবহ লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। যারা এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মানুষ কতটা জঘন্য মানসিকতার হলে আল্লাহর ঘর মসজিদেও হামলা চালাতে পারে। সঠিক আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমন করতে হবে।

এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির সঠিক মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের দাবি জানান। স্থানীয়দের মধ্যে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বানও জানানো হয়।