ঢাকা ০১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তিতাসের বুকে দুই বছর পর নৌকা বাইচ, অর্ধলক্ষাধিক দর্শকের উচ্ছ্বাস বিজয়নগর মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি মাইনুদ্দিন রুবেল,সাধারণ সম্পাদক এস এম টিপু চৌধুরী পলিথিন বর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে শাহীন ভাইস চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমান সেক্রেটারি বণিকপাড়ার সড়কে জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা আনন্দ মিছিল মৎস্য অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নদী-প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপির বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ গ্যাস সংকটে বন্ধ সার কারখানা চালুর দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্দন ও বিক্ষোভ

শরিয়াহভিত্তিক রাষ্ট্রের মূলনীতি থেকে সরে গেছে জামায়াত—চরমোনাই পীর

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৩:০৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৯ বার পড়া হয়েছে

শরিয়াহভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি থেকে জামায়াতে ইসলামী সরে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। তিনি বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে জামায়াতের নেতৃত্ব ‘আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই’—এই মৌলিক নীতি থেকে বিচ্যুত হয়েছে।

সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মওলানা নেছার উদ্দিন নাছিরির আয়োজনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, বাংলাদেশের মানুষ গত পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে একই ধরনের শাসনের পুনরাবৃত্তি দেখেছে, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত কল্যাণ পায়নি। গত ৫৪ বছরে যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তারা দেশের প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছেন। দেশের জন্য নতুন উন্নয়নের গল্প নয়, প্রয়োজন সৎ, যোগ্য ও আল্লাহভীরু নেতৃত্ব।

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট ভাঙার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ইসলামপন্থিদের নিয়ে ‘এক বাক্স নীতি’র ভিত্তিতে পাঁচ দল গঠিত হয়েছিল, যা পরে ১১ দলে রূপ নেয়। কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার আকাঙ্ক্ষায় জামায়াত ইসলামী শরীয়াহভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি থেকে সরে যাওয়ায় মতবিরোধ তৈরি হয়। এ কারণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আস্থাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি জানান, এ অবস্থায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে ২৬৮টি আসনে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দলটির ঘোষিত ইশতেহারের অন্যতম অঙ্গীকার হলো রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বস্তরে শরীয়াহর প্রাধান্য নিশ্চিত করা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্রে উল্লিখিত সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।

জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মওলানা মুফতি হেদায়েতুল্লাহ আজাদী, মুফতি মোস্তাকুন্নবী, মুফতি তৌহিদুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের প্রার্থী মওলানা জসিম উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের প্রার্থী মওলানা গাজী নিয়াজুল কারীম এবং মুফতি রেজাউল ইসলাম আবরারসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

শরিয়াহভিত্তিক রাষ্ট্রের মূলনীতি থেকে সরে গেছে জামায়াত—চরমোনাই পীর

আপডেট সময় : ০৩:০৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শরিয়াহভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি থেকে জামায়াতে ইসলামী সরে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। তিনি বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে জামায়াতের নেতৃত্ব ‘আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই’—এই মৌলিক নীতি থেকে বিচ্যুত হয়েছে।

সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মওলানা নেছার উদ্দিন নাছিরির আয়োজনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, বাংলাদেশের মানুষ গত পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে একই ধরনের শাসনের পুনরাবৃত্তি দেখেছে, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত কল্যাণ পায়নি। গত ৫৪ বছরে যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তারা দেশের প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছেন। দেশের জন্য নতুন উন্নয়নের গল্প নয়, প্রয়োজন সৎ, যোগ্য ও আল্লাহভীরু নেতৃত্ব।

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট ভাঙার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ইসলামপন্থিদের নিয়ে ‘এক বাক্স নীতি’র ভিত্তিতে পাঁচ দল গঠিত হয়েছিল, যা পরে ১১ দলে রূপ নেয়। কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার আকাঙ্ক্ষায় জামায়াত ইসলামী শরীয়াহভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি থেকে সরে যাওয়ায় মতবিরোধ তৈরি হয়। এ কারণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আস্থাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি জানান, এ অবস্থায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে ২৬৮টি আসনে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দলটির ঘোষিত ইশতেহারের অন্যতম অঙ্গীকার হলো রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বস্তরে শরীয়াহর প্রাধান্য নিশ্চিত করা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্রে উল্লিখিত সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।

জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মওলানা মুফতি হেদায়েতুল্লাহ আজাদী, মুফতি মোস্তাকুন্নবী, মুফতি তৌহিদুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের প্রার্থী মওলানা জসিম উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের প্রার্থী মওলানা গাজী নিয়াজুল কারীম এবং মুফতি রেজাউল ইসলাম আবরারসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।