ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রমজান উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাজার মনিটরিং: ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ প্রতিষ্ঠানকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে প্রেস কাউন্সিলের সেমিনার: বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর জোর ইমারত নির্মাণ কমিটিতে না রাখায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীকে শাসালেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কুয়েতে বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আমিনুলসহ চার বাংলাদেশি আহত শহীদ জিয়াউর রহমান ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা খামেনির মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা সৃজনশীল চর্চায় মেধার বিকাশ, প্রযুক্তি প্রশিক্ষণে দক্ষ প্রজন্ম গড়ার আহ্বান- ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপি কাজীপাড়ায় পাওয়ার অফ ইউনিটির ক্রিকেট প্রিমিয়ার লিগ-২৬ সিজন-১ উদ্বোধন বুড়িগঙ্গার আদলে দখল ও দূষণমুক্ত করা হবে তিতাস নদী সাংবাদিকদের জন্য শিগগিরই অবসর সুবিধা ঘোষণা হবে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন

শরিয়াহভিত্তিক রাষ্ট্রের মূলনীতি থেকে সরে গেছে জামায়াত—চরমোনাই পীর

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৩:০৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৬৫ বার পড়া হয়েছে

শরিয়াহভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি থেকে জামায়াতে ইসলামী সরে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। তিনি বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে জামায়াতের নেতৃত্ব ‘আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই’—এই মৌলিক নীতি থেকে বিচ্যুত হয়েছে।

সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মওলানা নেছার উদ্দিন নাছিরির আয়োজনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, বাংলাদেশের মানুষ গত পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে একই ধরনের শাসনের পুনরাবৃত্তি দেখেছে, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত কল্যাণ পায়নি। গত ৫৪ বছরে যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তারা দেশের প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছেন। দেশের জন্য নতুন উন্নয়নের গল্প নয়, প্রয়োজন সৎ, যোগ্য ও আল্লাহভীরু নেতৃত্ব।

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট ভাঙার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ইসলামপন্থিদের নিয়ে ‘এক বাক্স নীতি’র ভিত্তিতে পাঁচ দল গঠিত হয়েছিল, যা পরে ১১ দলে রূপ নেয়। কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার আকাঙ্ক্ষায় জামায়াত ইসলামী শরীয়াহভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি থেকে সরে যাওয়ায় মতবিরোধ তৈরি হয়। এ কারণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আস্থাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি জানান, এ অবস্থায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে ২৬৮টি আসনে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দলটির ঘোষিত ইশতেহারের অন্যতম অঙ্গীকার হলো রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বস্তরে শরীয়াহর প্রাধান্য নিশ্চিত করা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্রে উল্লিখিত সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।

জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মওলানা মুফতি হেদায়েতুল্লাহ আজাদী, মুফতি মোস্তাকুন্নবী, মুফতি তৌহিদুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের প্রার্থী মওলানা জসিম উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের প্রার্থী মওলানা গাজী নিয়াজুল কারীম এবং মুফতি রেজাউল ইসলাম আবরারসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

শরিয়াহভিত্তিক রাষ্ট্রের মূলনীতি থেকে সরে গেছে জামায়াত—চরমোনাই পীর

আপডেট সময় : ০৩:০৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শরিয়াহভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি থেকে জামায়াতে ইসলামী সরে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। তিনি বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে জামায়াতের নেতৃত্ব ‘আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই’—এই মৌলিক নীতি থেকে বিচ্যুত হয়েছে।

সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মওলানা নেছার উদ্দিন নাছিরির আয়োজনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, বাংলাদেশের মানুষ গত পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে একই ধরনের শাসনের পুনরাবৃত্তি দেখেছে, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত কল্যাণ পায়নি। গত ৫৪ বছরে যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তারা দেশের প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছেন। দেশের জন্য নতুন উন্নয়নের গল্প নয়, প্রয়োজন সৎ, যোগ্য ও আল্লাহভীরু নেতৃত্ব।

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট ভাঙার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ইসলামপন্থিদের নিয়ে ‘এক বাক্স নীতি’র ভিত্তিতে পাঁচ দল গঠিত হয়েছিল, যা পরে ১১ দলে রূপ নেয়। কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার আকাঙ্ক্ষায় জামায়াত ইসলামী শরীয়াহভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি থেকে সরে যাওয়ায় মতবিরোধ তৈরি হয়। এ কারণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আস্থাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি জানান, এ অবস্থায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে ২৬৮টি আসনে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দলটির ঘোষিত ইশতেহারের অন্যতম অঙ্গীকার হলো রাষ্ট্র পরিচালনার সর্বস্তরে শরীয়াহর প্রাধান্য নিশ্চিত করা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্রে উল্লিখিত সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।

জনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মওলানা মুফতি হেদায়েতুল্লাহ আজাদী, মুফতি মোস্তাকুন্নবী, মুফতি তৌহিদুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের প্রার্থী মওলানা জসিম উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের প্রার্থী মওলানা গাজী নিয়াজুল কারীম এবং মুফতি রেজাউল ইসলাম আবরারসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।