ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঞ্ছারামপুরে খাল খনন শেষে ২৮ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও মাদক-কিশোর গ্যাং দমনে সামাজিক প্রতিরোধের আহ্বান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এমপি-এসপির কঠোর বার্তা বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার ডুয়েট শিক্ষার্থী নাহিদ।। মুক্তিপণ আদায়ের পর মুক্ত  ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে জেলা পরিষদ প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নানা অনিয়মের দায়ে অচি মেমোরিয়াল ও পদ্মা মা ও শিশু হাসপাতালকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা হাইকোর্টের নির্দেশে বন্ধ হলো বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৬৫টি কচ্ছপ উদ্ধার, সালদানদীতে অবমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজীপাড়ায় মাদকবিরোধী সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত নদী-খাল-বিলে মাছ রক্ষায় অবৈধ রিংজাল বন্ধে সচেতনতার আহ্বান জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের এফ এ টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে জেলা পরিষদের আর্থিক অনুদান প্রদান

নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ে শর্টসার্কিটে অগ্নিকাণ্ড, আতঙ্কে আহত শিক্ষার্থীরা

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ১১:০১:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৩৪৭ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানাগারে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে অন্তত ১২-২৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তৃতীয় তলার বিজ্ঞানাগারে ‘বিজ্ঞান মেলা’ উপলক্ষে একটি প্রজেক্ট তৈরি করছিল শিক্ষার্থীরা। এ সময় একটি মাল্টিপ্লাগে শর্টসার্কিট হয়ে ধোঁয়া ও আগুনের স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই সেখানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

চিৎকার শুনে অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বেরিয়ে আসতে গেলে সিঁড়িতে ভিড়ের মধ্যে পড়ে অনেকেই আহত হন। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে ১০-১২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আহতের সংখ্যা ২০-২৫ জনের মতো হতে পারে।

আহতদের মধ্যে নয়জনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত রোহান নামের এক শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

ঘটনার পরপরই হাসপাতালে ছুটে যান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. মো. নোমান মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) তাহমিনা আক্তার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত মো. ইশতিয়াক ভূঁইয়া এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. সায়েমুল হুদা জানান, “আহতদের কেউ অগ্নিদগ্ধ হয়নি। অধিকাংশই আতঙ্ক ও ছোটখাটো শারীরিক আঘাত পেয়েছে। সবার অবস্থাই এখন স্থিতিশীল।”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সহিদুল ইসলাম বলেন, “বিজ্ঞানাগারে আগুন লাগার ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে দ্রুত বের হওয়ার সময় কিছুজন আহত হয়। আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি।”

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, “আতঙ্কের কারণেই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। আমরা তদন্ত করছি।”

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ে শর্টসার্কিটে অগ্নিকাণ্ড, আতঙ্কে আহত শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : ১১:০১:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানাগারে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে অন্তত ১২-২৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তৃতীয় তলার বিজ্ঞানাগারে ‘বিজ্ঞান মেলা’ উপলক্ষে একটি প্রজেক্ট তৈরি করছিল শিক্ষার্থীরা। এ সময় একটি মাল্টিপ্লাগে শর্টসার্কিট হয়ে ধোঁয়া ও আগুনের স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই সেখানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

চিৎকার শুনে অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বেরিয়ে আসতে গেলে সিঁড়িতে ভিড়ের মধ্যে পড়ে অনেকেই আহত হন। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে ১০-১২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আহতের সংখ্যা ২০-২৫ জনের মতো হতে পারে।

আহতদের মধ্যে নয়জনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত রোহান নামের এক শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

ঘটনার পরপরই হাসপাতালে ছুটে যান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. মো. নোমান মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) তাহমিনা আক্তার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত মো. ইশতিয়াক ভূঁইয়া এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. সায়েমুল হুদা জানান, “আহতদের কেউ অগ্নিদগ্ধ হয়নি। অধিকাংশই আতঙ্ক ও ছোটখাটো শারীরিক আঘাত পেয়েছে। সবার অবস্থাই এখন স্থিতিশীল।”

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সহিদুল ইসলাম বলেন, “বিজ্ঞানাগারে আগুন লাগার ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে দ্রুত বের হওয়ার সময় কিছুজন আহত হয়। আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি।”

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, “আতঙ্কের কারণেই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। আমরা তদন্ত করছি।”