বাঞ্ছারামপুরে খাল খনন শেষে ২৮ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও
- আপডেট সময় : ১০:৪৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
- / ২৩ বার পড়া হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ শেষে সাশ্রয় হওয়া প্রায় ২৮ লাখ টাকা( ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৩১ টাকা) রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।আজ মঙ্গলবার বরাদ্দের পুরো অর্থ ব্যয় না হওয়ায় অতিরিক্ত অর্থ সংশ্লিষ্ট সরকারি তহবিলে জমা দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, খাল খননের
প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে ০.৭৫০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের কাটাখালী (কুমাইরা) খাল এবং তেজখালী ইউনিয়নে ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে ১ দশমিক ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের লটিয়ার খাল খনন করা শুরু হয় ।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়।
গত ২৫ এপ্রিল স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন।
প্রকল্পের আওতায় খালের দখলমুক্তকরণ, সরকারি নকশা অনুযায়ী খনন, দুই পাড় বাঁধাই এবং বৃক্ষরোপণের কাজ সম্পন্ন করা হয়।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, কাজ শেষে মোট ২৮৭৮২৩৮ টাকা ব্যয় হয়। ফলে বরাদ্দের ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৩১ টাকা উদ্বৃত্ত থাকে, যা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ‘সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ২টি স্থানে মোট ১দশমিক ৯০ কি: মি: খাল গড়ে ৭-৮ ফুট গভীর এবং ৩০থেকে ৪০ ফুট প্রস্থে খনন করা হয়েছে। বৃষ্টির কারণে একাধিকবার পাড় মেরামতের পাশাপাশি একটি খালের একপাশে বিভিন্ন প্রজাতির২২০টি বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো তারিকুল ইসলাম বলেন,খাল খনন প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রকল্প। বাঞ্ছারামপুরের দুইটি ইউনিয়নে ১টিখালসম্পূর্ণভাবে ডিজাইন অনুযায়ী করা হয় আরেকটি খাল আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ সমাপ্ত করা সম্ভব হয় নাই। যারকারনে বেশকিছু টাকা উদ্বৃত্ত থাকে।যা আজ রাষ্টীয় কোষাগারে ফেরত দেয়া হয়েছে।
সংবাদটি শেয়ার করুন






















