ঢাকা ১১:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক লন্ডনে কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার জন্মদিন পালন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে নেতাকর্মীদের মিলনমেলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য সিএনজি চালকদের কর্মবিরতির ঘোষণা

আবু নাছের (রতন), আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • আপডেট সময় : ০২:২২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫
  • / ৪৩৬ বার পড়া হয়েছে

সড়কে ট্রাফিক পুলিশের হয়রানি, ঘুষ এবং ড্রাইভিং ও গাড়ির লাইসেন্স সংক্রান্ত দুর্নীতির প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিএনজি চালিত অটোরিকশা মালিক ও চালকদের সংগঠন “ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সিএনজি অটোরিকশা মালিক ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদ”।

রবিবার (২৭ জুলাই ২০২৫) থেকে এই কর্মবিরতি কার্যকর হবে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

শনিবার (২৬ জুলাই) জেলা শহরে আয়োজিত এক জরুরি সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন হাজী মিজানুর রহমান, সভাপতি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সিএনজি পরিবহন মালিক সমিতি। সঞ্চালনায় ছিলেন হেবজুল করিম, সভাপতি, জেলা সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়ন।

নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, ট্রাফিক পুলিশ অহেতুক গাড়ি জব্দ করছে, মামলা ও জরিমানার ভয় দেখিয়ে চালকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছে। একজন নেতা বলেন, একটি গাড়ি জব্দ হলে তা ছাড়াতে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়। বর্তমানে ১০০টিরও বেশি সিএনজি অটোরিকশা ট্রাফিক পুলিশের হেফাজতে আটক রয়েছে বলে জানানো হয়।

এছাড়া, বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স বা সিএনজি লাইসেন্স করার জন্য গেলেও নানা জটিলতা ও দুর্নীতির মুখে পড়তে হচ্ছে। সিএনজি লাইসেন্স কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনেকেই আইনি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

নেতাদের অভিযোগ, এই পরিস্থিতি সমাধানে প্রশাসনের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে তারা আন্দোলনের পথে হাঁটছেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, মো. বাহার চৌধুরী (বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কার্যকরী সভাপতি, জেলা সিএনজি মালিক সমিতি), মো. স্বপন মিয়া (সাধারণ সম্পাদক, জেলা সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়ন), আক্তারুজ্জামান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), মো. কাদ্দুছ মিয়া (সাধারণ সম্পাদক, জেলা মালিক সমিতি), মো. আব্দুল্লাহ ও মো. সেলিম মিয়া (প্রতিনিধি, কাউতলী মালিক সমিতি), মো. মহসিন মিয়া (সাধারণ সম্পাদক, লালপুর মালিক সমিতি) এছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলার নেতৃবৃন্দ সভায় অংশ নেন।

নেতারা জানান, এই আন্দোলন সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও অহিংস থাকবে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চলবে।

এ বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ মীর আনোয়ার হোসেন এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সিএনজি মালিক ও শ্রমিকরা যে অভিযোগ করছে তা সঠিক নয়। আইনের পরিপন্থী কাজ করছে বলে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য সিএনজি চালকদের কর্মবিরতির ঘোষণা

আপডেট সময় : ০২:২২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫

সড়কে ট্রাফিক পুলিশের হয়রানি, ঘুষ এবং ড্রাইভিং ও গাড়ির লাইসেন্স সংক্রান্ত দুর্নীতির প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিএনজি চালিত অটোরিকশা মালিক ও চালকদের সংগঠন “ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সিএনজি অটোরিকশা মালিক ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদ”।

রবিবার (২৭ জুলাই ২০২৫) থেকে এই কর্মবিরতি কার্যকর হবে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

শনিবার (২৬ জুলাই) জেলা শহরে আয়োজিত এক জরুরি সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন হাজী মিজানুর রহমান, সভাপতি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সিএনজি পরিবহন মালিক সমিতি। সঞ্চালনায় ছিলেন হেবজুল করিম, সভাপতি, জেলা সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়ন।

নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, ট্রাফিক পুলিশ অহেতুক গাড়ি জব্দ করছে, মামলা ও জরিমানার ভয় দেখিয়ে চালকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছে। একজন নেতা বলেন, একটি গাড়ি জব্দ হলে তা ছাড়াতে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়। বর্তমানে ১০০টিরও বেশি সিএনজি অটোরিকশা ট্রাফিক পুলিশের হেফাজতে আটক রয়েছে বলে জানানো হয়।

এছাড়া, বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স বা সিএনজি লাইসেন্স করার জন্য গেলেও নানা জটিলতা ও দুর্নীতির মুখে পড়তে হচ্ছে। সিএনজি লাইসেন্স কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনেকেই আইনি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

নেতাদের অভিযোগ, এই পরিস্থিতি সমাধানে প্রশাসনের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে তারা আন্দোলনের পথে হাঁটছেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, মো. বাহার চৌধুরী (বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কার্যকরী সভাপতি, জেলা সিএনজি মালিক সমিতি), মো. স্বপন মিয়া (সাধারণ সম্পাদক, জেলা সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়ন), আক্তারুজ্জামান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), মো. কাদ্দুছ মিয়া (সাধারণ সম্পাদক, জেলা মালিক সমিতি), মো. আব্দুল্লাহ ও মো. সেলিম মিয়া (প্রতিনিধি, কাউতলী মালিক সমিতি), মো. মহসিন মিয়া (সাধারণ সম্পাদক, লালপুর মালিক সমিতি) এছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলার নেতৃবৃন্দ সভায় অংশ নেন।

নেতারা জানান, এই আন্দোলন সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও অহিংস থাকবে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চলবে।

এ বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ মীর আনোয়ার হোসেন এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সিএনজি মালিক ও শ্রমিকরা যে অভিযোগ করছে তা সঠিক নয়। আইনের পরিপন্থী কাজ করছে বলে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।