ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঞ্ছারামপুরে খাল খনন শেষে ২৮ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও মাদক-কিশোর গ্যাং দমনে সামাজিক প্রতিরোধের আহ্বান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এমপি-এসপির কঠোর বার্তা বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার ডুয়েট শিক্ষার্থী নাহিদ।। মুক্তিপণ আদায়ের পর মুক্ত  ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে জেলা পরিষদ প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নানা অনিয়মের দায়ে অচি মেমোরিয়াল ও পদ্মা মা ও শিশু হাসপাতালকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা হাইকোর্টের নির্দেশে বন্ধ হলো বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৬৫টি কচ্ছপ উদ্ধার, সালদানদীতে অবমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজীপাড়ায় মাদকবিরোধী সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত নদী-খাল-বিলে মাছ রক্ষায় অবৈধ রিংজাল বন্ধে সচেতনতার আহ্বান জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের এফ এ টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে জেলা পরিষদের আর্থিক অনুদান প্রদান
যেকোনো সময় ঘটতে পারে মারাত্মক দূর্ঘটনা 

বাঞ্ছারামপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সাবষ্টেশনের পাশেই গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি!! 

ফয়সল আহমেদ খান, বিশেষ প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০২:৫১:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫
  • / ৫৪১ বার পড়া হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর সদর উপজেলার মাতু বাড়ির মোড়ে প্রায় ৪০ শতক ভূমির উপর অবস্থিত ৫০-৬০ কোটি টাকার কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩  বাঞ্ছারামপুর জোনাল এর সাবষ্টেশনটি চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সরকার ঘোষিত কে,পি, আই ( রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা) এর অন্তর্ভুক্ত হলেও বৈধ/ অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সীমানা ঘেসে তৈরি হয়েছে এলপিজি গ্যাস বিক্রির দোকান,বিভিন্ন গ্যাস চালিত চা ষ্টলসহ বিভিন্ন দোকান পাট।এর কোনটি নিজস্ব জায়গায় আবার কোনটি সরকারি রাস্তার জায়গা দখল করে গড়ে তোলা এসব দোকানপাট। এতে হুমকির মুখে পড়েছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি।যেকোনো সময় ঘটতে পারে মারাত্মক দূর্ঘটনা।সম্পদ সহ প্রাণহানিও হতে পারে।
অভিজ্ঞ মহল মনে করেন,বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে গ্যাস সিলিন্ডার থাকলে তা খুবই বিপজ্জনক হতে পারে। গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঝুঁকিপূর্ণ এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে এই ধরনের বিস্ফোরণ মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। তাই, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে গ্যাস সিলিন্ডার রাখা উচিত নয়।
বাঞ্ছারামপুর পল্লী বিদ্যুৎ এর সাব স্টেশনের আশেপাশে বসবাস করেন,এমন একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন,”বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে সিলিন্ডার থাকাটা ভয়াবহ বিপদ হতে পারে।কারন,গ্যাস সিলিন্ডার সাধারণত দাহ্য পদার্থ দিয়ে তৈরি এবং উচ্চ চাপে গ্যাস ধারণ করে। সামান্য ত্রুটি বা উত্তাপের কারণে সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হতে পারে, যা আশেপাশে থাকা মানুষ এবং সম্পত্তির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।”
বাঞ্ছারামপুর ফায়ার সার্ভিসের স্থানীয় কমান্ডার আ.কাদের মুঠোফোন বলেন,
“গ্যাস লিক হয়ে আগুন লাগতে পারে, যা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভেতরে বা আশেপাশে থাকা অন্যান্য দাহ্য পদার্থে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং বড় অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি করতে পারে।আমরা তাদের লাইসেন্স আছে কিনা খতিয়ে দেখব।”
বাঞ্ছারামপুর পল্লী বিদ্যুৎ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) প্রকৌশলী গোলাম মর্তুজা বলেন,”গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ বা অগ্নিকাণ্ডের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে, যার ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে।”
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা আজ বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই)  বলেন, “বিস্ফোরণ বা অগ্নিকাণ্ডের কারণে আশেপাশে থাকা মানুষ আহত বা নিহত হতে পারে এবং মূল্যবান সম্পদ নষ্ট হতে পারে।
অতএব, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে গ্যাস সিলিন্ডার রাখা একটি ঝুঁকিপূর্ণ কাজ এবং এটি এড়িয়ে চলা উচিত। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য, গ্যাস সিলিন্ডার সহ যেকোনো দাহ্য পদার্থ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে রাখা উচিত নয়।
আমি এবিষয় খুব শীঘ্রই খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিবো”।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

যেকোনো সময় ঘটতে পারে মারাত্মক দূর্ঘটনা 

বাঞ্ছারামপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সাবষ্টেশনের পাশেই গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি!! 

আপডেট সময় : ০২:৫১:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর সদর উপজেলার মাতু বাড়ির মোড়ে প্রায় ৪০ শতক ভূমির উপর অবস্থিত ৫০-৬০ কোটি টাকার কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩  বাঞ্ছারামপুর জোনাল এর সাবষ্টেশনটি চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। সরকার ঘোষিত কে,পি, আই ( রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা) এর অন্তর্ভুক্ত হলেও বৈধ/ অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সীমানা ঘেসে তৈরি হয়েছে এলপিজি গ্যাস বিক্রির দোকান,বিভিন্ন গ্যাস চালিত চা ষ্টলসহ বিভিন্ন দোকান পাট।এর কোনটি নিজস্ব জায়গায় আবার কোনটি সরকারি রাস্তার জায়গা দখল করে গড়ে তোলা এসব দোকানপাট। এতে হুমকির মুখে পড়েছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি।যেকোনো সময় ঘটতে পারে মারাত্মক দূর্ঘটনা।সম্পদ সহ প্রাণহানিও হতে পারে।
অভিজ্ঞ মহল মনে করেন,বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে গ্যাস সিলিন্ডার থাকলে তা খুবই বিপজ্জনক হতে পারে। গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঝুঁকিপূর্ণ এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে এই ধরনের বিস্ফোরণ মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। তাই, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে গ্যাস সিলিন্ডার রাখা উচিত নয়।
বাঞ্ছারামপুর পল্লী বিদ্যুৎ এর সাব স্টেশনের আশেপাশে বসবাস করেন,এমন একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন,”বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে সিলিন্ডার থাকাটা ভয়াবহ বিপদ হতে পারে।কারন,গ্যাস সিলিন্ডার সাধারণত দাহ্য পদার্থ দিয়ে তৈরি এবং উচ্চ চাপে গ্যাস ধারণ করে। সামান্য ত্রুটি বা উত্তাপের কারণে সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হতে পারে, যা আশেপাশে থাকা মানুষ এবং সম্পত্তির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।”
বাঞ্ছারামপুর ফায়ার সার্ভিসের স্থানীয় কমান্ডার আ.কাদের মুঠোফোন বলেন,
“গ্যাস লিক হয়ে আগুন লাগতে পারে, যা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভেতরে বা আশেপাশে থাকা অন্যান্য দাহ্য পদার্থে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং বড় অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি করতে পারে।আমরা তাদের লাইসেন্স আছে কিনা খতিয়ে দেখব।”
বাঞ্ছারামপুর পল্লী বিদ্যুৎ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) প্রকৌশলী গোলাম মর্তুজা বলেন,”গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ বা অগ্নিকাণ্ডের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে, যার ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে।”
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা আজ বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই)  বলেন, “বিস্ফোরণ বা অগ্নিকাণ্ডের কারণে আশেপাশে থাকা মানুষ আহত বা নিহত হতে পারে এবং মূল্যবান সম্পদ নষ্ট হতে পারে।
অতএব, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে গ্যাস সিলিন্ডার রাখা একটি ঝুঁকিপূর্ণ কাজ এবং এটি এড়িয়ে চলা উচিত। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য, গ্যাস সিলিন্ডার সহ যেকোনো দাহ্য পদার্থ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশে রাখা উচিত নয়।
আমি এবিষয় খুব শীঘ্রই খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিবো”।