ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঞ্ছারামপুরে বিশ্বব্যাংক সহায়তাপ্রাপ্ত ল্যাট্রিন প্রকল্পে অনিয়ম: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত কমিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন নিয়াজ মোহাম্মদ স্টেডিয়ামের প্রধান ফটক নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন পাবলিক লাইব্রেরিকে জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করতে হবে — জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ মায়ের দল আওয়ামী লীগ, মেয়ের পথ বিএনপি।। মনোনয়ন ঘিরে কৌতূহল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈশাখী উৎসবের সমাপনী: আবৃত্তি, সঙ্গীত ও আলোচনা সভায় সংস্কৃতিচর্চার আহ্বান টিকেট কালোবাজারি রোধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন রেলওয়ে ফাঁড়ি ইনচার্জ শাহ আলম তিতাসে দেশের সর্বোচ্চ গভীর কূপ ‘তিতাস-৩১’ খনন শুরু, প্রতিদিন মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পিবিআইয়ের চৌকস তদন্তে উন্মোচিত নিশাত হত্যা রহস্য: ‘ঘুরতে নেওয়ার প্রলোভন’, তারপর শ্বাসরোধে নৃশংস হত্যার চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের দুইদিন পর স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ১৫

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
  • / ৩৭৭ বার পড়া হয়েছে

সামাজিক আধিপত্য, জমি বিরোধ এবং মাদকের কুপ্রভাব—এই ত্রিমুখী উত্তেজনায় ভয়াবহ রূপ নিলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের এক পুরনো গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব। এতে প্রাণ হারাতে হলো মো. মিয়াজুল হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তি। বুধবার (১৪ মে) উপজেলার নাটাই গ্রামের চান্দের বাড়ি ও ছলিম বাড়ি দুই পক্ষের সংঘর্ষে মারা যান তিনি। এতে আহত হয়েছে অন্তত আরো ১৫ জন মানুষ।

নিহত মিয়াজুল সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের নাটাই গ্রামের বাসিন্দা।

তিনি চান্দের বাড়ি গোষ্ঠীর পক্ষের লোক ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নাটাই গ্রামের চান্দের বাড়ি ও ছলিম বাড়ি গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারে অনেক বছর ধরেই বিরোধ চলছে। গত সোমবার রাতে মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর লোকদের মধ্যে প্রথম ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরদিন মঙ্গলবার ফের সংঘর্ষ হয় তাদের মধ্যে। এ সময় ১৫ জন আহত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। এরই জের ধরে বুধবার দুপুর ২টার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে প্রতিপক্ষের হামলায় মিয়াজুল হোসেন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাজুল ইসলাম জানান, নিহতের বুকের বাঁ পাশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে আনার পর ওই ব্যক্তির শরীরে উচ্চ রক্তচাপ পাওয়া যায়।

সংঘর্ষে একজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাফফর হোসেন। তিনি জানান, গোষ্ঠীগত বিরোধের জেরে চান্দের বাড়ির গোষ্ঠী ও ছলিম বাড়ির গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মিয়াজুল হোসেন নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ১৫

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

সামাজিক আধিপত্য, জমি বিরোধ এবং মাদকের কুপ্রভাব—এই ত্রিমুখী উত্তেজনায় ভয়াবহ রূপ নিলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের এক পুরনো গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব। এতে প্রাণ হারাতে হলো মো. মিয়াজুল হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তি। বুধবার (১৪ মে) উপজেলার নাটাই গ্রামের চান্দের বাড়ি ও ছলিম বাড়ি দুই পক্ষের সংঘর্ষে মারা যান তিনি। এতে আহত হয়েছে অন্তত আরো ১৫ জন মানুষ।

নিহত মিয়াজুল সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের নাটাই গ্রামের বাসিন্দা।

তিনি চান্দের বাড়ি গোষ্ঠীর পক্ষের লোক ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নাটাই গ্রামের চান্দের বাড়ি ও ছলিম বাড়ি গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারে অনেক বছর ধরেই বিরোধ চলছে। গত সোমবার রাতে মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর লোকদের মধ্যে প্রথম ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরদিন মঙ্গলবার ফের সংঘর্ষ হয় তাদের মধ্যে। এ সময় ১৫ জন আহত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। এরই জের ধরে বুধবার দুপুর ২টার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে প্রতিপক্ষের হামলায় মিয়াজুল হোসেন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাজুল ইসলাম জানান, নিহতের বুকের বাঁ পাশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে আনার পর ওই ব্যক্তির শরীরে উচ্চ রক্তচাপ পাওয়া যায়।

সংঘর্ষে একজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাফফর হোসেন। তিনি জানান, গোষ্ঠীগত বিরোধের জেরে চান্দের বাড়ির গোষ্ঠী ও ছলিম বাড়ির গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মিয়াজুল হোসেন নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।