ঢাকা ০১:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঞ্ছারামপুরে খাল খনন শেষে ২৮ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও মাদক-কিশোর গ্যাং দমনে সামাজিক প্রতিরোধের আহ্বান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এমপি-এসপির কঠোর বার্তা বাড়ি ফেরার পথে অপহরণের শিকার ডুয়েট শিক্ষার্থী নাহিদ।। মুক্তিপণ আদায়ের পর মুক্ত  ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে জেলা পরিষদ প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নানা অনিয়মের দায়ে অচি মেমোরিয়াল ও পদ্মা মা ও শিশু হাসপাতালকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা হাইকোর্টের নির্দেশে বন্ধ হলো বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৬৫টি কচ্ছপ উদ্ধার, সালদানদীতে অবমুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজীপাড়ায় মাদকবিরোধী সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত নদী-খাল-বিলে মাছ রক্ষায় অবৈধ রিংজাল বন্ধে সচেতনতার আহ্বান জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের এফ এ টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীকে জেলা পরিষদের আর্থিক অনুদান প্রদান

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ১৫

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
  • / ৪১১ বার পড়া হয়েছে

সামাজিক আধিপত্য, জমি বিরোধ এবং মাদকের কুপ্রভাব—এই ত্রিমুখী উত্তেজনায় ভয়াবহ রূপ নিলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের এক পুরনো গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব। এতে প্রাণ হারাতে হলো মো. মিয়াজুল হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তি। বুধবার (১৪ মে) উপজেলার নাটাই গ্রামের চান্দের বাড়ি ও ছলিম বাড়ি দুই পক্ষের সংঘর্ষে মারা যান তিনি। এতে আহত হয়েছে অন্তত আরো ১৫ জন মানুষ।

নিহত মিয়াজুল সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের নাটাই গ্রামের বাসিন্দা।

তিনি চান্দের বাড়ি গোষ্ঠীর পক্ষের লোক ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নাটাই গ্রামের চান্দের বাড়ি ও ছলিম বাড়ি গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারে অনেক বছর ধরেই বিরোধ চলছে। গত সোমবার রাতে মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর লোকদের মধ্যে প্রথম ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরদিন মঙ্গলবার ফের সংঘর্ষ হয় তাদের মধ্যে। এ সময় ১৫ জন আহত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। এরই জের ধরে বুধবার দুপুর ২টার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে প্রতিপক্ষের হামলায় মিয়াজুল হোসেন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাজুল ইসলাম জানান, নিহতের বুকের বাঁ পাশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে আনার পর ওই ব্যক্তির শরীরে উচ্চ রক্তচাপ পাওয়া যায়।

সংঘর্ষে একজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাফফর হোসেন। তিনি জানান, গোষ্ঠীগত বিরোধের জেরে চান্দের বাড়ির গোষ্ঠী ও ছলিম বাড়ির গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মিয়াজুল হোসেন নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ১৫

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

সামাজিক আধিপত্য, জমি বিরোধ এবং মাদকের কুপ্রভাব—এই ত্রিমুখী উত্তেজনায় ভয়াবহ রূপ নিলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের এক পুরনো গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব। এতে প্রাণ হারাতে হলো মো. মিয়াজুল হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তি। বুধবার (১৪ মে) উপজেলার নাটাই গ্রামের চান্দের বাড়ি ও ছলিম বাড়ি দুই পক্ষের সংঘর্ষে মারা যান তিনি। এতে আহত হয়েছে অন্তত আরো ১৫ জন মানুষ।

নিহত মিয়াজুল সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের নাটাই গ্রামের বাসিন্দা।

তিনি চান্দের বাড়ি গোষ্ঠীর পক্ষের লোক ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নাটাই গ্রামের চান্দের বাড়ি ও ছলিম বাড়ি গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারে অনেক বছর ধরেই বিরোধ চলছে। গত সোমবার রাতে মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর লোকদের মধ্যে প্রথম ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরদিন মঙ্গলবার ফের সংঘর্ষ হয় তাদের মধ্যে। এ সময় ১৫ জন আহত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। এরই জের ধরে বুধবার দুপুর ২টার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে প্রতিপক্ষের হামলায় মিয়াজুল হোসেন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাজুল ইসলাম জানান, নিহতের বুকের বাঁ পাশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে আনার পর ওই ব্যক্তির শরীরে উচ্চ রক্তচাপ পাওয়া যায়।

সংঘর্ষে একজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাফফর হোসেন। তিনি জানান, গোষ্ঠীগত বিরোধের জেরে চান্দের বাড়ির গোষ্ঠী ও ছলিম বাড়ির গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মিয়াজুল হোসেন নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।