ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক লন্ডনে কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার জন্মদিন পালন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে নেতাকর্মীদের মিলনমেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে চার শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ১৫

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
  • / ৩৯৮ বার পড়া হয়েছে

সামাজিক আধিপত্য, জমি বিরোধ এবং মাদকের কুপ্রভাব—এই ত্রিমুখী উত্তেজনায় ভয়াবহ রূপ নিলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের এক পুরনো গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব। এতে প্রাণ হারাতে হলো মো. মিয়াজুল হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তি। বুধবার (১৪ মে) উপজেলার নাটাই গ্রামের চান্দের বাড়ি ও ছলিম বাড়ি দুই পক্ষের সংঘর্ষে মারা যান তিনি। এতে আহত হয়েছে অন্তত আরো ১৫ জন মানুষ।

নিহত মিয়াজুল সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের নাটাই গ্রামের বাসিন্দা।

তিনি চান্দের বাড়ি গোষ্ঠীর পক্ষের লোক ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নাটাই গ্রামের চান্দের বাড়ি ও ছলিম বাড়ি গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারে অনেক বছর ধরেই বিরোধ চলছে। গত সোমবার রাতে মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর লোকদের মধ্যে প্রথম ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরদিন মঙ্গলবার ফের সংঘর্ষ হয় তাদের মধ্যে। এ সময় ১৫ জন আহত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। এরই জের ধরে বুধবার দুপুর ২টার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে প্রতিপক্ষের হামলায় মিয়াজুল হোসেন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাজুল ইসলাম জানান, নিহতের বুকের বাঁ পাশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে আনার পর ওই ব্যক্তির শরীরে উচ্চ রক্তচাপ পাওয়া যায়।

সংঘর্ষে একজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাফফর হোসেন। তিনি জানান, গোষ্ঠীগত বিরোধের জেরে চান্দের বাড়ির গোষ্ঠী ও ছলিম বাড়ির গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মিয়াজুল হোসেন নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ১৫

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

সামাজিক আধিপত্য, জমি বিরোধ এবং মাদকের কুপ্রভাব—এই ত্রিমুখী উত্তেজনায় ভয়াবহ রূপ নিলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের এক পুরনো গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব। এতে প্রাণ হারাতে হলো মো. মিয়াজুল হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তি। বুধবার (১৪ মে) উপজেলার নাটাই গ্রামের চান্দের বাড়ি ও ছলিম বাড়ি দুই পক্ষের সংঘর্ষে মারা যান তিনি। এতে আহত হয়েছে অন্তত আরো ১৫ জন মানুষ।

নিহত মিয়াজুল সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের নাটাই গ্রামের বাসিন্দা।

তিনি চান্দের বাড়ি গোষ্ঠীর পক্ষের লোক ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নাটাই গ্রামের চান্দের বাড়ি ও ছলিম বাড়ি গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারে অনেক বছর ধরেই বিরোধ চলছে। গত সোমবার রাতে মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর লোকদের মধ্যে প্রথম ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। পরদিন মঙ্গলবার ফের সংঘর্ষ হয় তাদের মধ্যে। এ সময় ১৫ জন আহত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। এরই জের ধরে বুধবার দুপুর ২টার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে প্রতিপক্ষের হামলায় মিয়াজুল হোসেন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাজুল ইসলাম জানান, নিহতের বুকের বাঁ পাশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে আনার পর ওই ব্যক্তির শরীরে উচ্চ রক্তচাপ পাওয়া যায়।

সংঘর্ষে একজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাফফর হোসেন। তিনি জানান, গোষ্ঠীগত বিরোধের জেরে চান্দের বাড়ির গোষ্ঠী ও ছলিম বাড়ির গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মিয়াজুল হোসেন নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।