ঢাকা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নব অভিযাত্রা শুরু অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে অ্যাসিড নিক্ষেপকারী স্বামী আটক অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর গোপনাঙ্গে এসিড নিক্ষেপের অভিযোগ, স্বামী পলাতক বিরল রোগে আক্রান্ত জিদনী, টাকার অভাবে হচ্ছে না চিকিৎসা ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের আজীবন সদস্য হলেন সমাজসেবক খায়রুল হাসান ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সুবর্ণজয়ন্তীর লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে ‘উপজেলাগুলোতে কোনটি মূল প্রেসক্লাব’—বিভ্রান্তি দূর করে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ করার আহ্বান এমপি শ্যামলের জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ যুবকের পাশে উপজেলা প্রশাসন, পেলেন নতুন ঘর জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা, পরিবার ও আহতদের সংবর্ধনা আখাউড়ার স্বনামধন্য প্রয়াত শিক্ষক আওয়াল খাদেমের ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত আখাউড়ায় মাদকের প্রতিবাদ করায় যুবককে কুপিয়ে জখম

নাসিরনগরে দুই দিন ব্যাপী শুঁটকি মেলা, চলে আসছে ৩০০ বছর ধরে

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৪:৪০:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৩৮১ বার পড়া হয়েছে

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে দুই দিন ব্যাপী শুঁটকি মেলা শুরু হয়েছে। মেলায় স্থানীয়সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন ধরণের শুঁটকি মাছের পসরা নিয়ে বসেছেন। এবার মেলাতে নদী, হাওরের শুঁটকির পাশাপাশি সামুদ্রিক শুঁটকিও পাওয়া যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) থেকে উপজেলার কুলিকুন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই মেলা শুরু হয়েছে। জনশ্রুতি রয়েছে, মুঘল শাসন আমলে পণ্য বিনিময় প্রথার মাধ্যমে কুলিকুন্ডা গ্রামে এই মেলা শুরু হয়। যার ধারা অব্যাহত রয়েছে ৩০০ বছরের বেশি সময় ধরে। ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে প্রথম এক ঘণ্টা পণ্য বিনিময়ের মাধ্যমে মেলা শুরু হয়। এরপর টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ক্রেতারা তাদের পছন্দের শুঁটকি কেনেন।

সরেজমিন, মেলায় প্রতি কেজি নাইল্লা মাছের শুটকি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা, বোয়াল ১৫০০ থেকে ১৮০০ টাকা, কাইক্কা ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাঁচকি শুটকি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, শোল ১৫০০ থেকে ১৮০০ টাকা এবং বাইম মাছের শুটকি প্রকার ভেদে ১৬০০ থেকে ১৮০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া এ বছর সামুদ্রিক কিছু মাছের শুটকিও এনেছেন দোকানিরা।

মেলায় শুঁটকি কিনতে আসা কয়েকজন জানান, বাজারের শুঁটকিতে কেমিক্যাল থাকে। কিন্তু শুঁটকি মেলায় হাওরাঞ্চলের দেশীয় নানা প্রজাতির মাছের শুটকি পাওয়া যায়। যার গুণগত মান ভালো। বিক্রেতা জানান, শুটকির মান ভালো হওয়ায় বিক্রিও অনেক বেশি। দুই দিন ব্যাপী মেলায় ইজারার জন্য কোনো টাকা দিতে হয় না। সবাই পসরা সাজিয়ে বিক্রি করছেন।

তবে এ মেলায় শুধু শুটকিই নয়, গ্রামীণ-লোকজ নানা পণ্যের পসরাও সাজিয়েছেন দোকানিরা। শিশুদের জন্য রয়েছে মাটির তৈরি বিভিন্ন খেলনার জিনিস। রয়েছে হরেক স্বাদের বাহারী খাবারও।

নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. খাইরুল আলম বলেন, মেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নাসিরনগরে দুই দিন ব্যাপী শুঁটকি মেলা, চলে আসছে ৩০০ বছর ধরে

আপডেট সময় : ০৪:৪০:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে দুই দিন ব্যাপী শুঁটকি মেলা শুরু হয়েছে। মেলায় স্থানীয়সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন ধরণের শুঁটকি মাছের পসরা নিয়ে বসেছেন। এবার মেলাতে নদী, হাওরের শুঁটকির পাশাপাশি সামুদ্রিক শুঁটকিও পাওয়া যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) থেকে উপজেলার কুলিকুন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই মেলা শুরু হয়েছে। জনশ্রুতি রয়েছে, মুঘল শাসন আমলে পণ্য বিনিময় প্রথার মাধ্যমে কুলিকুন্ডা গ্রামে এই মেলা শুরু হয়। যার ধারা অব্যাহত রয়েছে ৩০০ বছরের বেশি সময় ধরে। ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে প্রথম এক ঘণ্টা পণ্য বিনিময়ের মাধ্যমে মেলা শুরু হয়। এরপর টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ক্রেতারা তাদের পছন্দের শুঁটকি কেনেন।

সরেজমিন, মেলায় প্রতি কেজি নাইল্লা মাছের শুটকি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা, বোয়াল ১৫০০ থেকে ১৮০০ টাকা, কাইক্কা ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাঁচকি শুটকি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, শোল ১৫০০ থেকে ১৮০০ টাকা এবং বাইম মাছের শুটকি প্রকার ভেদে ১৬০০ থেকে ১৮০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া এ বছর সামুদ্রিক কিছু মাছের শুটকিও এনেছেন দোকানিরা।

মেলায় শুঁটকি কিনতে আসা কয়েকজন জানান, বাজারের শুঁটকিতে কেমিক্যাল থাকে। কিন্তু শুঁটকি মেলায় হাওরাঞ্চলের দেশীয় নানা প্রজাতির মাছের শুটকি পাওয়া যায়। যার গুণগত মান ভালো। বিক্রেতা জানান, শুটকির মান ভালো হওয়ায় বিক্রিও অনেক বেশি। দুই দিন ব্যাপী মেলায় ইজারার জন্য কোনো টাকা দিতে হয় না। সবাই পসরা সাজিয়ে বিক্রি করছেন।

তবে এ মেলায় শুধু শুটকিই নয়, গ্রামীণ-লোকজ নানা পণ্যের পসরাও সাজিয়েছেন দোকানিরা। শিশুদের জন্য রয়েছে মাটির তৈরি বিভিন্ন খেলনার জিনিস। রয়েছে হরেক স্বাদের বাহারী খাবারও।

নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. খাইরুল আলম বলেন, মেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে।