ঢাকা ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিজয়নগর মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি মাইনুদ্দিন রুবেল,সাধারণ সম্পাদক এস এম টিপু চৌধুরী পলিথিন বর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে শাহীন ভাইস চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমান সেক্রেটারি বণিকপাড়ার সড়কে জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা আনন্দ মিছিল মৎস্য অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নদী-প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপির বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ গ্যাস সংকটে বন্ধ সার কারখানা চালুর দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্দন ও বিক্ষোভ দুই বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১২ সেপ্টেম্বর নৌকাবাইচ

জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ যুবকের পাশে উপজেলা প্রশাসন, পেলেন নতুন ঘর

ফয়সল আহমেদ খান (বিশেষ প্রতিনিধি):
  • আপডেট সময় : ০৫:০১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৯৩ বার পড়া হয়েছে

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ঢাকার রামপুরায় কানিশে যুলে থাকা পুলিশের গুলিতে আহত যুবক আমীর হোসেন এক যুবকের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) জুলাই আন্দোলন স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে ও তার পরিবারের জন্য একটি নতুন ঘর হস্তান্তর করা হয়।

জানা যায়, আন্দোলনের সময় ঢাকার রামপুরা এলাকায় পুলিশের ধাওয়ার মুখে প্রাণ বাঁচাতে একটি বহুতল ভবনে উঠে কার্নিশে ঝুলে ছিলেন ওই যুবক। সে সময় পুলিশ তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে তার পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। এরপর দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেও এখনো তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। শারীরিক অক্ষমতার কারণে জীবিকার তাগিদে গ্রামে ফিরে এলেও তার নিজের থাকার মতো কোনো নিরাপদ ঘর ছিল না। পরিবারের আর্থিক অবস্থাও অত্যন্ত দুর্বল। কষ্টের মধ্যেই চলছিল তাদের জীবনযাপন।

তার অসহায় জীবনের বিষয়টি কালের কন্ঠে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। পরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তার পরিবারের জন্য একটি বসতঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়।নতুন ঘর পেয়ে ওই যুবক ও তার পরিবারের সদস্যরা আবেগাপ্লুত হয়ে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, মাথা গোঁজার একটি নিরাপদ আশ্রয় পাওয়ায় তাদের দীর্ঘদিনের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘরের চাবি ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পরিবারের হাতে তুলে দেন। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, “জুলাই আন্দোলনে আহতদের ত্যাগ জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাদের পুনর্বাসন ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে উপজেলা প্রশাসন মানবিক দায়িত্ব থেকে কাজ করে যাচ্ছে।”

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ যুবকের পাশে উপজেলা প্রশাসন, পেলেন নতুন ঘর

আপডেট সময় : ০৫:০১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ঢাকার রামপুরায় কানিশে যুলে থাকা পুলিশের গুলিতে আহত যুবক আমীর হোসেন এক যুবকের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) জুলাই আন্দোলন স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে ও তার পরিবারের জন্য একটি নতুন ঘর হস্তান্তর করা হয়।

জানা যায়, আন্দোলনের সময় ঢাকার রামপুরা এলাকায় পুলিশের ধাওয়ার মুখে প্রাণ বাঁচাতে একটি বহুতল ভবনে উঠে কার্নিশে ঝুলে ছিলেন ওই যুবক। সে সময় পুলিশ তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে তার পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। এরপর দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেও এখনো তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। শারীরিক অক্ষমতার কারণে জীবিকার তাগিদে গ্রামে ফিরে এলেও তার নিজের থাকার মতো কোনো নিরাপদ ঘর ছিল না। পরিবারের আর্থিক অবস্থাও অত্যন্ত দুর্বল। কষ্টের মধ্যেই চলছিল তাদের জীবনযাপন।

তার অসহায় জীবনের বিষয়টি কালের কন্ঠে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। পরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তার পরিবারের জন্য একটি বসতঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়।নতুন ঘর পেয়ে ওই যুবক ও তার পরিবারের সদস্যরা আবেগাপ্লুত হয়ে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, মাথা গোঁজার একটি নিরাপদ আশ্রয় পাওয়ায় তাদের দীর্ঘদিনের কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘরের চাবি ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পরিবারের হাতে তুলে দেন। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, “জুলাই আন্দোলনে আহতদের ত্যাগ জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাদের পুনর্বাসন ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে উপজেলা প্রশাসন মানবিক দায়িত্ব থেকে কাজ করে যাচ্ছে।”