ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিজয়নগর মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি মাইনুদ্দিন রুবেল,সাধারণ সম্পাদক এস এম টিপু চৌধুরী পলিথিন বর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে শাহীন ভাইস চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমান সেক্রেটারি বণিকপাড়ার সড়কে জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা আনন্দ মিছিল মৎস্য অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নদী-প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপির বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ গ্যাস সংকটে বন্ধ সার কারখানা চালুর দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্দন ও বিক্ষোভ দুই বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১২ সেপ্টেম্বর নৌকাবাইচ

নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নব অভিযাত্রা শুরু

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৩:১১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৮৭ বার পড়া হয়েছে

‘‘নদী বাঁচাও, দেশ বাঁচাও, প্রকৃতি বাঁচাও’’ ধ্বনি (শ্লোগান) এর ভিত্তিতে অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সংগঠণ অঙ্গিকারে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যাক্তিদের সমন্বয়ে নতুন কমিটি প্রকাশের মাধ্যমে নব অভিযাত্রা শুরু হলো নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার। 

এ উপলক্ষে গত ১০ আগষ্ট সোমবার দিবাগত রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরের জামে মসজিদ রোডস্থ গ্র্যান্ড এ.মালেক চাইনিজ রেষ্টুরেন্টে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। শিক্ষক মোঃ মোশারফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সাংবাদিক মোঃ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া বিল্লাল এর উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন শিক্ষক মোঃ মনির হোসেন, স্বাস্থ্য কর্মী মোঃ মনিরুল ইসলাম, শিক্ষক মোঃ আজিজুর রহমান, সাংবাদিক মোজাম্মেল চৌধুরী, ব্যবসায়ী মোঃ কামাল উদ্দিন, সাংবাদিক মফিজুর রহমান লিমন, শাহাদাৎ হোসেন, মোঃ আবুল হাসনাত অপু, মোঃ আবু নাছের (রতন), আশেক মান্নান হিমেল, মাজহারুল আহমদ চৌধুরী মঞ্জু, আবু সোহেল সরকার, আবদুল্লাহ আল নাঈম, খাইরুল কবির, প্রকৌশলী খলিলুর রহমান, এডঃ আনিছুর রহমান, ব্যবসায়ী শাহীন আহমেদ, নিশাদুল ইসলাম, সমাজ কর্মী কোহিনুর আক্তার, শাহ মাহমুদা আক্তার সখি, শামীমা বাছির স্মৃতি, উম্মে সালমা হেপি, জেসমিন আক্তার, ফেরদৌসি আক্তার, ব্যবসায়ী মোঃ আলম রানা, শামছুর রহমান সজীব, মোঃ সবুজ মিয়া প্রমুখ।

আলোচকগণ তাদের বক্তব্যে বিগত কমিটি নোঙর এর গঠনতন্ত্র নীতি আদর্শ বাদ দিয়ে একটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী কাজে সরাসরি অংশ গ্রহণের তীব্র সমালোচনা করে বর্তমান কমিটি অরাজনৈতিক নীতিতে সকল রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সাংগঠণিক তৎপরতা চালাবে মর্মে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বক্তারা পলি মাটিতে ভরাট হয়ে যাওয়া তিতাস নদী ও মেঘনা নদী যথাযথ ভাবে খনন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত টাউন খাল সম্পূর্ণ খননের পাশাপাশি এতে গাঁথা ফোর লেনের পিলার সরিয়ে নাব্যতা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাক্তি মালিকানার নামে ভরাট করে ফেলা মজা পুকুর গুলো উদ্ধার ও আবর্জনায় ভরে থাকা পুকুর-জলাশয় গুলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার জন্য সরকার, জেলা প্রশাসন, পৌর প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান। তারা নদী জলাশয় পলিথিনসহ আবর্জনা ফেলে ভরাট এবং পানি দূষিত করা হতে বিরত থাকতে জনগণের প্রতি আহবান জানান। অনুষ্ঠানে শিক্ষক মোঃ মনির হোসেনকে সভাপতি, সাংবাদিক মোঃ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া বিল্লালকে সাধারণ সম্পাদক, মোজাম্মেল চৌধুরীকে সহ-সাধারণ সম্পাদক, ব্যবসায়ী মোঃ কামাল উদ্দিনকে সাংগঠণিক সম্পাদক, সাংবাদিক আশেক মান্নান হিমেলকে কোষাধ্যক্ষ, সাংবাদিক মোঃ আবুল হাসনাত অপুকে দপ্তর সম্পাদক মনোনিত করে ৫৫ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটির পাশাপাশি ১৫ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদসহ ৭০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়।

নোঙর সংগঠণের প্রতিষ্ঠাতা সুমন শামস এ বিষয়ে মোবাইল বার্তায় উল্লেখ করেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রাণ। আর সেই প্রাণের স্পন্দন ব্রাহ্মণবাড়িয়া। তিতাস, মেঘনা ও খাল-বিলের জাল দিয়ে বোনা এই জেলার প্রতিটি ইট, প্রতিটি ফসলের সাথে জড়িয়ে আছে নদীর নাম।

ঠিক এই সময়ে ‘‘নোঙর’’ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নবযাত্রা শুধু একটি কমিটি গঠণ নয়, এটি একটি প্রতিজ্ঞা। তিনি আরো বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সকল নদ-নদী, খাল-বিল এবং প্রাণ-প্রকৃতি সুরক্ষায় নবগঠিত জেলা কমিটি একটি উদাহরণ সৃষ্টি করবে। এই প্রতাশা করার কারণও আছে। কারণ একসময়ে খর¯্রােতা তিতাস আজ অনেক জায়গায় নালা হয়ে গেছে। নদীর পাড় দখল করে মার্কেট, বালু উত্তোলন, শিল্পবর্জ্যে খাল-বিল ভরাট হয়ে জলাবদ্ধতা এখন নিত্যসঙ্গী। তিতাস নদী মরলে মাছ মরে, কৃষি মরে, মানুষের জীবিকা মরে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া হাওর-বাঁওড়ের জীববৈচিত্র হুমকির মুখে পড়বে। এই বাস্তবতায় ‘‘নোঙর’’ নামটা নিজেই একটি বার্তা। নোঙর মানে স্থিরতা, মনে আঁকড়ে ধরা। নদীকে, প্রকৃতিকে আঁকড়ে ধরার জন্যই এই নোঙর। তিনি বলেন, শুধু প্রতিবাদ নয়, নদী দখলদারদের তালিকা করে প্রশাসনের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। স্কুল-কলেজে, ইউনিয়নে ইউনিয়নে ‘‘নদী বাঁচাও’’ ক্যাম্পেইন করতে হবে। নদীকে আবর্জনার ভাগাড় না ভাবার সংস্কৃতি গড়তে হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসনের সাথে টেবিলে বসে নদী পুণরুদ্ধারের মাস্টারপ্ল্যানে কাজ করতে হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মানেই প্রতিবাদী মানুষ। সেই প্রতিবাদী শক্তিকে যদি নোঙর সঠিক পথে কাজে লাগাতে পারে, তবে এই জেলা কমিটি সত্যিই ‘‘উদাহরণ’’ সৃষ্টি করবে।

সুমন শামস নোঙর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আহবায়ক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করে নবযাত্রাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, নোঙর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির হাত ধরেই তিতাস আবার তার যৌবন ফিরে পাক। নদী বাঁচালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঁচবে, বাংলাদেশ বাঁচবে। নোঙর ফেলুন। নদীকে বাঁচান।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নব অভিযাত্রা শুরু

আপডেট সময় : ০৩:১১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

‘‘নদী বাঁচাও, দেশ বাঁচাও, প্রকৃতি বাঁচাও’’ ধ্বনি (শ্লোগান) এর ভিত্তিতে অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সংগঠণ অঙ্গিকারে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যাক্তিদের সমন্বয়ে নতুন কমিটি প্রকাশের মাধ্যমে নব অভিযাত্রা শুরু হলো নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার। 

এ উপলক্ষে গত ১০ আগষ্ট সোমবার দিবাগত রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরের জামে মসজিদ রোডস্থ গ্র্যান্ড এ.মালেক চাইনিজ রেষ্টুরেন্টে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। শিক্ষক মোঃ মোশারফ হোসেন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সাংবাদিক মোঃ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া বিল্লাল এর উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন শিক্ষক মোঃ মনির হোসেন, স্বাস্থ্য কর্মী মোঃ মনিরুল ইসলাম, শিক্ষক মোঃ আজিজুর রহমান, সাংবাদিক মোজাম্মেল চৌধুরী, ব্যবসায়ী মোঃ কামাল উদ্দিন, সাংবাদিক মফিজুর রহমান লিমন, শাহাদাৎ হোসেন, মোঃ আবুল হাসনাত অপু, মোঃ আবু নাছের (রতন), আশেক মান্নান হিমেল, মাজহারুল আহমদ চৌধুরী মঞ্জু, আবু সোহেল সরকার, আবদুল্লাহ আল নাঈম, খাইরুল কবির, প্রকৌশলী খলিলুর রহমান, এডঃ আনিছুর রহমান, ব্যবসায়ী শাহীন আহমেদ, নিশাদুল ইসলাম, সমাজ কর্মী কোহিনুর আক্তার, শাহ মাহমুদা আক্তার সখি, শামীমা বাছির স্মৃতি, উম্মে সালমা হেপি, জেসমিন আক্তার, ফেরদৌসি আক্তার, ব্যবসায়ী মোঃ আলম রানা, শামছুর রহমান সজীব, মোঃ সবুজ মিয়া প্রমুখ।

আলোচকগণ তাদের বক্তব্যে বিগত কমিটি নোঙর এর গঠনতন্ত্র নীতি আদর্শ বাদ দিয়ে একটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী কাজে সরাসরি অংশ গ্রহণের তীব্র সমালোচনা করে বর্তমান কমিটি অরাজনৈতিক নীতিতে সকল রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সাংগঠণিক তৎপরতা চালাবে মর্মে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বক্তারা পলি মাটিতে ভরাট হয়ে যাওয়া তিতাস নদী ও মেঘনা নদী যথাযথ ভাবে খনন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত টাউন খাল সম্পূর্ণ খননের পাশাপাশি এতে গাঁথা ফোর লেনের পিলার সরিয়ে নাব্যতা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাক্তি মালিকানার নামে ভরাট করে ফেলা মজা পুকুর গুলো উদ্ধার ও আবর্জনায় ভরে থাকা পুকুর-জলাশয় গুলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার জন্য সরকার, জেলা প্রশাসন, পৌর প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান। তারা নদী জলাশয় পলিথিনসহ আবর্জনা ফেলে ভরাট এবং পানি দূষিত করা হতে বিরত থাকতে জনগণের প্রতি আহবান জানান। অনুষ্ঠানে শিক্ষক মোঃ মনির হোসেনকে সভাপতি, সাংবাদিক মোঃ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া বিল্লালকে সাধারণ সম্পাদক, মোজাম্মেল চৌধুরীকে সহ-সাধারণ সম্পাদক, ব্যবসায়ী মোঃ কামাল উদ্দিনকে সাংগঠণিক সম্পাদক, সাংবাদিক আশেক মান্নান হিমেলকে কোষাধ্যক্ষ, সাংবাদিক মোঃ আবুল হাসনাত অপুকে দপ্তর সম্পাদক মনোনিত করে ৫৫ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটির পাশাপাশি ১৫ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদসহ ৭০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়।

নোঙর সংগঠণের প্রতিষ্ঠাতা সুমন শামস এ বিষয়ে মোবাইল বার্তায় উল্লেখ করেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রাণ। আর সেই প্রাণের স্পন্দন ব্রাহ্মণবাড়িয়া। তিতাস, মেঘনা ও খাল-বিলের জাল দিয়ে বোনা এই জেলার প্রতিটি ইট, প্রতিটি ফসলের সাথে জড়িয়ে আছে নদীর নাম।

ঠিক এই সময়ে ‘‘নোঙর’’ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার নবযাত্রা শুধু একটি কমিটি গঠণ নয়, এটি একটি প্রতিজ্ঞা। তিনি আরো বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সকল নদ-নদী, খাল-বিল এবং প্রাণ-প্রকৃতি সুরক্ষায় নবগঠিত জেলা কমিটি একটি উদাহরণ সৃষ্টি করবে। এই প্রতাশা করার কারণও আছে। কারণ একসময়ে খর¯্রােতা তিতাস আজ অনেক জায়গায় নালা হয়ে গেছে। নদীর পাড় দখল করে মার্কেট, বালু উত্তোলন, শিল্পবর্জ্যে খাল-বিল ভরাট হয়ে জলাবদ্ধতা এখন নিত্যসঙ্গী। তিতাস নদী মরলে মাছ মরে, কৃষি মরে, মানুষের জীবিকা মরে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া হাওর-বাঁওড়ের জীববৈচিত্র হুমকির মুখে পড়বে। এই বাস্তবতায় ‘‘নোঙর’’ নামটা নিজেই একটি বার্তা। নোঙর মানে স্থিরতা, মনে আঁকড়ে ধরা। নদীকে, প্রকৃতিকে আঁকড়ে ধরার জন্যই এই নোঙর। তিনি বলেন, শুধু প্রতিবাদ নয়, নদী দখলদারদের তালিকা করে প্রশাসনের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। স্কুল-কলেজে, ইউনিয়নে ইউনিয়নে ‘‘নদী বাঁচাও’’ ক্যাম্পেইন করতে হবে। নদীকে আবর্জনার ভাগাড় না ভাবার সংস্কৃতি গড়তে হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসনের সাথে টেবিলে বসে নদী পুণরুদ্ধারের মাস্টারপ্ল্যানে কাজ করতে হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মানেই প্রতিবাদী মানুষ। সেই প্রতিবাদী শক্তিকে যদি নোঙর সঠিক পথে কাজে লাগাতে পারে, তবে এই জেলা কমিটি সত্যিই ‘‘উদাহরণ’’ সৃষ্টি করবে।

সুমন শামস নোঙর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আহবায়ক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করে নবযাত্রাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, নোঙর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির হাত ধরেই তিতাস আবার তার যৌবন ফিরে পাক। নদী বাঁচালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঁচবে, বাংলাদেশ বাঁচবে। নোঙর ফেলুন। নদীকে বাঁচান।