ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ প্রশাসক এর উদ্যোগে ঈদকে সামনে রেখে কালীবাড়ি মোড়–ঈদগাহ সড়ক সংস্কার কাজ শুরু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মুক্তির পথ যুব সংগঠনের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে যাকাত বিতরণ ঈদ উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় দুই বাস মালিককে জরিমানা প্রধানমন্ত্রীর আসন ঢাকা-১৭: প্রতিনিধিত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সানী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদে নবনিযুক্ত প্রশাসককে যুক্তরাজ্য প্রবাসী ইব্রাহিম মিয়ার অভিনন্দন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসককে মাইনুল হোসেন চপল এর অভিনন্দন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেলেন সিরাজুল ইসলাম সিরাজ আখাউড়া প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক কল্যাণ সোসাইটির আয়োজনে ইফতার মাহফিল। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদ সামগ্রী পেল ৫শ দুঃস্থ পরিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সরিষার তেল উৎপাদন, যমুনা ওয়েল মিলকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা

নদীর ব্যাপারে ভারত অবিশ্বস্ত বন্ধু- ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী

প্রতিনিধির নামঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ২৯৫ বার পড়া হয়েছে

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট ।। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী বলেছেন, নদীর ব্যাপারে ভারত অবিশ্বস্ত বন্ধু। ভারতকে নদীর ব্যাপারে বিশ্বাস করা যায় না। তাই বাংলাদেশের পানির ব্যাপারে সেল্ফসাফিশিয়ান হতে হবে। বর্ষাকালে পানি ধরে রাখতে হবে। ভারতের ওপর ভরসা করে থাকা যাবে না।

শনিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর পূর্বপাড় কাশিনগর এলাকায় নদী ও প্রকৃতি সুরক্ষা বিষয়ক সংগঠন তরীর আয়োজিত নদী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. মনজুর  আহমেদ চৌধুরী আরও বলেন, ব্রহ্মপুত্রের পানি ভারত তার পশ্চিমাঞ্চলে ট্রান্সফার করতে চায়, যেটি বাংলাদেশের জন্য সমূহ বিপদ। ভারত থেকে যেসব নদীর শাখা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে তাদের মধ্যে ব্যাপক পরিমাণ পানি বঙ্গোপসাগরে জমে। বর্ষাকালে ১ লাখ ৪০ হাজার  কিউবিক মিটার পানি এসব নদী দিয়ে বহমান হয়। তবে সেসব নদী থেকে গ্রীষ্মকালে ৫ শতাংশ পানি বাংলাদেশে আসে। আর এগুলো নিয়ে ভারত জিও পলিটিক্সকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে। তিনি আরও বলেন, গ্রীষ্মকালে ভারত পানি তো দেয়ই না, উল্টো গঙ্গার পানি তারা ব্যাপকভাবে নিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া বাংলাদেশ-ভারত নদী সীমান্তে ভারতে কমপক্ষে ৫০টি ড্যাম অথবা বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের পানি যখন বেশি দরকার তখন কম দেয়, যখন কম দরকার তখন বেশি পানি দিয়ে জটিলতা সৃষ্টি করে। সিলেট এবং ফেনীর বন্যা সেগুলোর প্রমাণ। নদীর ব্যাপারে ভারত অবিশ্বস্ত বন্ধু। তাই ভারতকে নদীর ব্যাপারে বিশ্বাস করা যায় না। তাই বাংলাদেশের পানির ব্যাপারে সেল্ফসাফিশিয়ান হতে হবে। ভারতের ওপর ভরসা করে থাকা যাবে না।

নদী সম্মিলনে তরীর আহ্বায়ক শামীম আহমেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসাইন সাংবাদিক ও লেখক আমিন আল রশীদ, বাংলােদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনির হোসেন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট এ.কিউ.এম সোহেল রানা।

 

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নদীর ব্যাপারে ভারত অবিশ্বস্ত বন্ধু- ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী

আপডেট সময় : ০২:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৫

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট ।। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী বলেছেন, নদীর ব্যাপারে ভারত অবিশ্বস্ত বন্ধু। ভারতকে নদীর ব্যাপারে বিশ্বাস করা যায় না। তাই বাংলাদেশের পানির ব্যাপারে সেল্ফসাফিশিয়ান হতে হবে। বর্ষাকালে পানি ধরে রাখতে হবে। ভারতের ওপর ভরসা করে থাকা যাবে না।

শনিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর পূর্বপাড় কাশিনগর এলাকায় নদী ও প্রকৃতি সুরক্ষা বিষয়ক সংগঠন তরীর আয়োজিত নদী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. মনজুর  আহমেদ চৌধুরী আরও বলেন, ব্রহ্মপুত্রের পানি ভারত তার পশ্চিমাঞ্চলে ট্রান্সফার করতে চায়, যেটি বাংলাদেশের জন্য সমূহ বিপদ। ভারত থেকে যেসব নদীর শাখা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে তাদের মধ্যে ব্যাপক পরিমাণ পানি বঙ্গোপসাগরে জমে। বর্ষাকালে ১ লাখ ৪০ হাজার  কিউবিক মিটার পানি এসব নদী দিয়ে বহমান হয়। তবে সেসব নদী থেকে গ্রীষ্মকালে ৫ শতাংশ পানি বাংলাদেশে আসে। আর এগুলো নিয়ে ভারত জিও পলিটিক্সকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে। তিনি আরও বলেন, গ্রীষ্মকালে ভারত পানি তো দেয়ই না, উল্টো গঙ্গার পানি তারা ব্যাপকভাবে নিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া বাংলাদেশ-ভারত নদী সীমান্তে ভারতে কমপক্ষে ৫০টি ড্যাম অথবা বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের পানি যখন বেশি দরকার তখন কম দেয়, যখন কম দরকার তখন বেশি পানি দিয়ে জটিলতা সৃষ্টি করে। সিলেট এবং ফেনীর বন্যা সেগুলোর প্রমাণ। নদীর ব্যাপারে ভারত অবিশ্বস্ত বন্ধু। তাই ভারতকে নদীর ব্যাপারে বিশ্বাস করা যায় না। তাই বাংলাদেশের পানির ব্যাপারে সেল্ফসাফিশিয়ান হতে হবে। ভারতের ওপর ভরসা করে থাকা যাবে না।

নদী সম্মিলনে তরীর আহ্বায়ক শামীম আহমেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসাইন সাংবাদিক ও লেখক আমিন আল রশীদ, বাংলােদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনির হোসেন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট এ.কিউ.এম সোহেল রানা।