ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢোলভাঙ্গায় পানি নেই, আছে দূষন,দখল আর আবর্জনা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান সাত মাসের অপেক্ষার অবসান, ফিরলেন না মানুষটি, ফিরল শুধু নিথর দেহ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন আশুগঞ্জের রাফে মোহাম্মদ ছড়া  আখাউড়ায় সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মিশনের মতবিনিময় জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দোয়া মাহফিল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ঈদের দিনেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাতিঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আলোচনা জেলা পরিষদর প্রশাসক  আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর ঈদ শুভেচ্ছা শাহ্ মোঃ ইব্রাহিম মিয়ার পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে প্রেস কাউন্সিলের সেমিনার: বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর জোর

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • / ১১৭ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণমাধ্যমে অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধ এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের গুরুত্ব তুলে ধরতে সেমিনার ও কর্মশালা আয়োজন করেছে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল। এতে জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ৪৫ জন সাংবাদিক অংশ নেন।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা সার্কিট হাউস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ও প্রধান আলোচক ছিলেন প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম। শারমিন আক্তার জাহান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আবু সাঈদ মো. গাওছাল আজম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন কুমার দে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব-এর সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন ও সাধারণ সম্পাদক মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা তথ্য কর্মকর্তা দীপক চন্দ্র দাস। আলোচনায় অংশ নেন প্রেস কাউন্সিলের সচিব (উপ-সচিব) মো. আব্দুস সবুর।

আলোচকরা বলেন, দ্রুত সংবাদ পরিবেশনের প্রতিযোগিতায় অনেক সময় ভুল ও অপবাদমূলক খবর প্রকাশিত হয়, যা গণমাধ্যমের দীর্ঘদিনের বিশ্বাসযোগ্যতা ও অর্জনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই সংবাদ প্রকাশে বস্তুনিষ্ঠতা, যাচাই-বাছাই ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিচারপতি আব্দুল হাকিম বলেন, সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় সবাইকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বিভাজন দূর করে পেশাগত মানোন্নয়নে কাজ করাই সময়ের দাবি। তিনি আরও বলেন, অপসাংবাদিকতার ক্ষেত্রে জেল-জরিমানাই একমাত্র সমাধান নয়; পেশাগত নীতিবোধ, আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক চর্চাই সবচেয়ে বড় শক্তি।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে প্রেস কাউন্সিলের সেমিনার: বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর জোর

আপডেট সময় : ০৭:৩৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণমাধ্যমে অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধ এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের গুরুত্ব তুলে ধরতে সেমিনার ও কর্মশালা আয়োজন করেছে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল। এতে জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ৪৫ জন সাংবাদিক অংশ নেন।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা সার্কিট হাউস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ও প্রধান আলোচক ছিলেন প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম। শারমিন আক্তার জাহান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আবু সাঈদ মো. গাওছাল আজম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন কুমার দে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব-এর সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন ও সাধারণ সম্পাদক মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা তথ্য কর্মকর্তা দীপক চন্দ্র দাস। আলোচনায় অংশ নেন প্রেস কাউন্সিলের সচিব (উপ-সচিব) মো. আব্দুস সবুর।

আলোচকরা বলেন, দ্রুত সংবাদ পরিবেশনের প্রতিযোগিতায় অনেক সময় ভুল ও অপবাদমূলক খবর প্রকাশিত হয়, যা গণমাধ্যমের দীর্ঘদিনের বিশ্বাসযোগ্যতা ও অর্জনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই সংবাদ প্রকাশে বস্তুনিষ্ঠতা, যাচাই-বাছাই ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিচারপতি আব্দুল হাকিম বলেন, সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় সবাইকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বিভাজন দূর করে পেশাগত মানোন্নয়নে কাজ করাই সময়ের দাবি। তিনি আরও বলেন, অপসাংবাদিকতার ক্ষেত্রে জেল-জরিমানাই একমাত্র সমাধান নয়; পেশাগত নীতিবোধ, আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক চর্চাই সবচেয়ে বড় শক্তি।