ঢাকা ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইমারত নির্মাণ কমিটিতে না রাখায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীকে শাসালেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কুয়েতে বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আমিনুলসহ চার বাংলাদেশি আহত শহীদ জিয়াউর রহমান ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা খামেনির মৃত্যুতে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা সৃজনশীল চর্চায় মেধার বিকাশ, প্রযুক্তি প্রশিক্ষণে দক্ষ প্রজন্ম গড়ার আহ্বান- ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপি কাজীপাড়ায় পাওয়ার অফ ইউনিটির ক্রিকেট প্রিমিয়ার লিগ-২৬ সিজন-১ উদ্বোধন বুড়িগঙ্গার আদলে দখল ও দূষণমুক্ত করা হবে তিতাস নদী সাংবাদিকদের জন্য শিগগিরই অবসর সুবিধা ঘোষণা হবে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন নবীনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে গ্রামবাসীর সঙ্গে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৭ মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

ইমারত নির্মাণ কমিটিতে না রাখায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীকে শাসালেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
  • / ৮ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ইমারত নির্মাণ কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত না করায় পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কাউসার আহমেদ-কে শাসিয়েছেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান। সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা-এর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

পৌরসভা সূত্র জানায়, কয়েকদিন আগে পৌরসভার ইমারত নির্মাণ কমিটির তালিকা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলাকালে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী নির্বাহী প্রকৌশলী কাউসার আহমেদের কক্ষে প্রবেশ করেন। এ সময় কমিটিতে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমানের নাম অন্তর্ভুক্ত না করায় প্রকৌশলীর সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, একপর্যায়ে বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান বলেন, “গত ৫ আগস্টের পর আমরা আপনাদের বাঁচিয়েছি। তা না হলে লাথি দিয়ে বের করে দিত। আমাদের কারণেই এখনো চেয়ারে আছেন।”

ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজম, যুবদল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল নেতা মো. আতিকুল হক জালাল, জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের ভাই ও পৌরসভার ঠিকাদার সাত্তার।

এ বিষয়ে কথা বলতে অনিচ্ছুক হলেও নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ কাউসার আহমেদ বলেন, “আমি কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করব না। করলে পরে আমাকে দোষারোপ করা হবে।”

অন্যদিকে, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “ওই প্রকৌশলীর সঙ্গে আমার কোনো সমস্যা হয়নি। বিষয়টি সত্য নয়। আমরা মজা করে কথা বলছিলাম। সেটি ভিডিও করে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। আমাদের ব্যক্তিগত ইমেজ নষ্ট করার জন্য একটি মহল এ কাজ করেছে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ইমারত নির্মাণ কমিটিতে না রাখায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীকে শাসালেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক

আপডেট সময় : ০৬:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ইমারত নির্মাণ কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত না করায় পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কাউসার আহমেদ-কে শাসিয়েছেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান। সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা-এর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

পৌরসভা সূত্র জানায়, কয়েকদিন আগে পৌরসভার ইমারত নির্মাণ কমিটির তালিকা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলাকালে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী নির্বাহী প্রকৌশলী কাউসার আহমেদের কক্ষে প্রবেশ করেন। এ সময় কমিটিতে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমানের নাম অন্তর্ভুক্ত না করায় প্রকৌশলীর সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, একপর্যায়ে বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান বলেন, “গত ৫ আগস্টের পর আমরা আপনাদের বাঁচিয়েছি। তা না হলে লাথি দিয়ে বের করে দিত। আমাদের কারণেই এখনো চেয়ারে আছেন।”

ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজম, যুবদল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল নেতা মো. আতিকুল হক জালাল, জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের ভাই ও পৌরসভার ঠিকাদার সাত্তার।

এ বিষয়ে কথা বলতে অনিচ্ছুক হলেও নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ কাউসার আহমেদ বলেন, “আমি কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করব না। করলে পরে আমাকে দোষারোপ করা হবে।”

অন্যদিকে, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “ওই প্রকৌশলীর সঙ্গে আমার কোনো সমস্যা হয়নি। বিষয়টি সত্য নয়। আমরা মজা করে কথা বলছিলাম। সেটি ভিডিও করে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। আমাদের ব্যক্তিগত ইমেজ নষ্ট করার জন্য একটি মহল এ কাজ করেছে।”