ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নদী দখল, দূষণ ও অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলার আহ্বান অসহায় পাপনের জীবনে আশার আলো হয়ে পাশে দাঁড়ালেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা বিএনপির ১৪ ইউনিটের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের সৌজন্য সাক্ষাৎ তিতাসের বুকে দুই বছর পর নৌকা বাইচ, অর্ধলক্ষাধিক দর্শকের উচ্ছ্বাস বিজয়নগর মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি মাইনুদ্দিন রুবেল,সাধারণ সম্পাদক এস এম টিপু চৌধুরী পলিথিন বর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে শাহীন ভাইস চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমান সেক্রেটারি বণিকপাড়ার সড়কে জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা

ইমারত নির্মাণ কমিটিতে না রাখায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীকে শাসালেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
  • / ২১০ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ইমারত নির্মাণ কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত না করায় পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কাউসার আহমেদ-কে শাসিয়েছেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান। সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা-এর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

পৌরসভা সূত্র জানায়, কয়েকদিন আগে পৌরসভার ইমারত নির্মাণ কমিটির তালিকা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলাকালে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী নির্বাহী প্রকৌশলী কাউসার আহমেদের কক্ষে প্রবেশ করেন। এ সময় কমিটিতে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমানের নাম অন্তর্ভুক্ত না করায় প্রকৌশলীর সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, একপর্যায়ে বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান বলেন, “গত ৫ আগস্টের পর আমরা আপনাদের বাঁচিয়েছি। তা না হলে লাথি দিয়ে বের করে দিত। আমাদের কারণেই এখনো চেয়ারে আছেন।”

ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজম, যুবদল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল নেতা মো. আতিকুল হক জালাল, জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ এবং পৌরসভার ঠিকাদার সাত্তার।

এ বিষয়ে কথা বলতে অনিচ্ছুক হলেও নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ কাউসার আহমেদ বলেন, “আমি কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করব না। করলে পরে আমাকে দোষারোপ করা হবে।”

অন্যদিকে, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “ওই প্রকৌশলীর সঙ্গে আমার কোনো সমস্যা হয়নি। বিষয়টি সত্য নয়। আমরা মজা করে কথা বলছিলাম। সেটি ভিডিও করে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। আমাদের ব্যক্তিগত ইমেজ নষ্ট করার জন্য একটি মহল এ কাজ করেছে।”

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ইমারত নির্মাণ কমিটিতে না রাখায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীকে শাসালেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক

আপডেট সময় : ০৬:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ইমারত নির্মাণ কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত না করায় পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কাউসার আহমেদ-কে শাসিয়েছেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান। সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা-এর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

পৌরসভা সূত্র জানায়, কয়েকদিন আগে পৌরসভার ইমারত নির্মাণ কমিটির তালিকা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলাকালে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী নির্বাহী প্রকৌশলী কাউসার আহমেদের কক্ষে প্রবেশ করেন। এ সময় কমিটিতে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমানের নাম অন্তর্ভুক্ত না করায় প্রকৌশলীর সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, একপর্যায়ে বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান বলেন, “গত ৫ আগস্টের পর আমরা আপনাদের বাঁচিয়েছি। তা না হলে লাথি দিয়ে বের করে দিত। আমাদের কারণেই এখনো চেয়ারে আছেন।”

ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজম, যুবদল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল নেতা মো. আতিকুল হক জালাল, জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ এবং পৌরসভার ঠিকাদার সাত্তার।

এ বিষয়ে কথা বলতে অনিচ্ছুক হলেও নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ কাউসার আহমেদ বলেন, “আমি কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করব না। করলে পরে আমাকে দোষারোপ করা হবে।”

অন্যদিকে, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “ওই প্রকৌশলীর সঙ্গে আমার কোনো সমস্যা হয়নি। বিষয়টি সত্য নয়। আমরা মজা করে কথা বলছিলাম। সেটি ভিডিও করে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। আমাদের ব্যক্তিগত ইমেজ নষ্ট করার জন্য একটি মহল এ কাজ করেছে।”