ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় বাঞ্ছারামপুরে সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ৩০ টি কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে জোড়াতালি দিয়ে।। পরিত্যক্ত ভবনে চলে মাদকসেবন কসবায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আখাউড়ায় ৪ মাসপর জামিন মিললো মানসিক ভারসাম্যহীন তিন সন্তানের জননীর। বিজয়নগরে কিশোরীর বিয়ে নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০ সরাইল থানার ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাদানুবাদ, পুলিশের জিডি সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে ইজারার নামে যুবদল নেতার চাঁদা আদায়ের চেষ্টা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল মণ্ডপে শোভিত প্রতিমা, কানে কানে উৎসব পৌঁছে দিচ্ছে ঢাক সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নজরুলের বাড়িতে শোকের মাতম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রেমিকার ভাইয়ের হাতে প্রেমিক খুন

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৮:০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৩০৮ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে প্রেমঘটিত বিরোধের জেরে প্রেমিকার বড় ভাইয়ের হাতে মুক্তার মিয়া (২২) নামে এক যুবক খুন হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত মুক্তার কাঠালকান্দি গ্রামের ইসলাম উদ্দিনের ছেলে।

ঘটনার পর পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থল ও আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ সন্ধ্যায় ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে কচুয়া গ্রামের রাব্বান মিয়ার মেয়ে শেউলা আক্তার ও মুক্তার মিয়ার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি দুই পরিবারে জানাজানি হলে ছেলের পরিবার মেয়ের বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব পাঠায়। তবে মেয়ের পরিবার এ সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় বিয়েতে রাজি হয়নি।
এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। একপর্যায়ে আদালত পর্যন্ত বিষয়টি গড়ায়; পরে স্থানীয়ভাবে সমঝোতায় বিষয়টি মীমাংসা হয়।
এরই মাঝে বৃহস্পতিবার দুপুরে মুক্তার মিয়া অটোরিকশা নিয়ে কচুয়া গ্রামের দিকে যাওয়ার সময় রাস্তার সামনে তাকে আটকে ফেলে একদল যুবক। স্থানীয়রা জানান, শেউলার বড় ভাই শাহ আলমের নেতৃত্বে ১০–১৫ জনের একটি দল মুক্তারের হাত–পা ও পেটে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বড় ভাই আক্তার হোসেন অভিযোগ করে বলেন,
“আমার ভাই শেউলা আক্তার নামে এক মেয়েকে পছন্দ করত। আমরা বিয়ের প্রস্তাব পাঠালেও মেয়ের পরিবার রাজি হয়নি। এর আগেও মেয়ের বড় ভাই একাধিকবার আমার ভাইকে মারধর করেছে। আজও অটোরিকশা নিয়ে যাওয়ার সময় আগে থেকে উৎপেতে থাকা আলমগীরের নির্দেশে একদল সন্ত্রাসী আমার ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।”

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকছুদ আহাম্মদ বলেন, “ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রেমিকার ভাইয়ের হাতে প্রেমিক খুন

আপডেট সময় : ০৮:০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে প্রেমঘটিত বিরোধের জেরে প্রেমিকার বড় ভাইয়ের হাতে মুক্তার মিয়া (২২) নামে এক যুবক খুন হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত মুক্তার কাঠালকান্দি গ্রামের ইসলাম উদ্দিনের ছেলে।

ঘটনার পর পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থল ও আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ সন্ধ্যায় ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে কচুয়া গ্রামের রাব্বান মিয়ার মেয়ে শেউলা আক্তার ও মুক্তার মিয়ার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি দুই পরিবারে জানাজানি হলে ছেলের পরিবার মেয়ের বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব পাঠায়। তবে মেয়ের পরিবার এ সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় বিয়েতে রাজি হয়নি।
এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। একপর্যায়ে আদালত পর্যন্ত বিষয়টি গড়ায়; পরে স্থানীয়ভাবে সমঝোতায় বিষয়টি মীমাংসা হয়।
এরই মাঝে বৃহস্পতিবার দুপুরে মুক্তার মিয়া অটোরিকশা নিয়ে কচুয়া গ্রামের দিকে যাওয়ার সময় রাস্তার সামনে তাকে আটকে ফেলে একদল যুবক। স্থানীয়রা জানান, শেউলার বড় ভাই শাহ আলমের নেতৃত্বে ১০–১৫ জনের একটি দল মুক্তারের হাত–পা ও পেটে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বড় ভাই আক্তার হোসেন অভিযোগ করে বলেন,
“আমার ভাই শেউলা আক্তার নামে এক মেয়েকে পছন্দ করত। আমরা বিয়ের প্রস্তাব পাঠালেও মেয়ের পরিবার রাজি হয়নি। এর আগেও মেয়ের বড় ভাই একাধিকবার আমার ভাইকে মারধর করেছে। আজও অটোরিকশা নিয়ে যাওয়ার সময় আগে থেকে উৎপেতে থাকা আলমগীরের নির্দেশে একদল সন্ত্রাসী আমার ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।”

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকছুদ আহাম্মদ বলেন, “ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।