ঢাকা ০৬:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা বিএনপির ১৪ ইউনিটের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের সৌজন্য সাক্ষাৎ তিতাসের বুকে দুই বছর পর নৌকা বাইচ, অর্ধলক্ষাধিক দর্শকের উচ্ছ্বাস বিজয়নগর মডেল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি মাইনুদ্দিন রুবেল,সাধারণ সম্পাদক এস এম টিপু চৌধুরী পলিথিন বর্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসকের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে শাহীন ভাইস চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমান সেক্রেটারি বণিকপাড়ার সড়কে জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা আনন্দ মিছিল মৎস্য অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নদী-প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপির
বাঞ্ছারামপুর পৌরসভায় জন ভোগান্তি চরমে ।। পদ সংখ্যা ১১৪ জন, আছে মাত্র

 “ওরা ১১জন !! “

ফয়সল আহমেদ খান, বিশেষ প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৫:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ৪০৪ বার পড়া হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর  পৌরসভায় সহকারী  প্রকৌশলী, সার্ভেয়ারসহ গুরুত্বপূর্ণ ১১১ টি পদ শূন্য রয়েছে দীর্ঘদিন যাবত।বাঞ্ছারামপুর পৌরসভায় মোট পদের সংখ্যা ১১৪টি। বর্তমানে মাত্র ১১জন কর্মকর্তা- কর্মচারী দিয়ে জোড়াতালি দিয়ে নিজস্ব জমি থাকা সত্বেও  ভাড়াবাড়ীতে  চলছে ‘খ’ শ্রেনীর বাঞ্ছারামপুর পৌরসভা।
 ফলে পৌর এলাকায় সব উন্নয়ন কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। কয়েকশ’ ফাইল জমেছে বাড়ি নির্মাতাদের। অনুমোদন হচ্ছে না। করা যাচ্ছে না রাস্তা, ড্রেন নির্মাণ কাজ। এমনকি টেন্ডারও আহ্বান করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে একদিকে যেমন ভোগান্তি পোহাচ্ছেন নাগরিকরা,তেমনি যে ১১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে তাদের কাজ করতে রীতিমতো হিমশিম খেতে  হচ্ছে ।
 পৌর কর্তৃপক্ষ জানায়, পৌরসভার সহকারী  প্রকৌশলী বদলী হয়ে যান প্রায় এক বছর আগে। সার্ভেয়ার  ও উপসহকারী প্রকৌশলী বদলি হয়েছেন ৬ মাস আগে। সহকারী প্রকৌশলী ও শহর পরিকল্পনাবিদ নেই দীর্ঘদিন ধরে।  প্রকৌশলী ও শহর পরিকল্পনাবিদ না থাকায় পৌর এলাকার বাড়ি নির্মাতারা প্ল্যান অনুমোদন নিতে পারছেন না। কয়েকশ’ ফাইল জমে আছে। রাস্তা, ড্রেনসহ উন্নয়ন কাজগুলোর টেন্ডার করা যাচ্ছে না।
এ ব্যাপারে পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) নজরুল ইসলাম আজ রবিবার ( ২ ফেব্রুয়ারী)  জানান, প্রায় ১ বছর আগে সহকারী প্রকৌশলী বদলী হয়ে  গেলেও এখন পর্যন্ত কাউকে পদায়ন করা হয়নি। বর্তমানে একজন উপ সহকারী প্রকৌশলী ছাড়া পৌরসভায় কোনো প্রকৌশলী নেই। ফলে বিএমডিএফ, ইউজিএফ-৩, এডিবিসহ পৌরসভার নিজস্ব অর্থায়নে যে কাজ করার কথা সব মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। তিনি বলেন, এ সব কাজ বন্ধ থাকায় জনমনে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। সরকারেরও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। কয়েকশ’ বিল্ডিং নির্মাণের ফাইল পড়ে আছে অনুমোদনের জন্য। প্রকৌশলী না থাকায় তাও করা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় অনেক বিল্ডিং নির্মাতা অনুমোদন না নিয়েই কাজ শুরু করেছেন। এতে পৌরসভা রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পাশাপাশি যথাযথ তদারকি না থাকায় জনজীবনের ঝুঁকিও বাড়ছে।
 পৌরসভার কাগজপত্র পর্যালোচনা করে জানা গেছে, পৌরসভাটি ২০১৩ সালে  প্রতিষ্ঠাকালে মাত্র ৩২ হাজার ১০৫ জন পৌর নাগরিক ছিলেন। দিনে দিনে বেড়েছে এর আয়তন, বেড়েছে এর জনসংখ্যাও। ‘খ’ শ্রেণীর  এ পৌরসভা বর্তমানে ১৬ দশমিক ৮ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃতি লাভ করেছে।৯ টি ওয়ার্ডের প্রায় ৬০  হাজার মানুষ বসবাস করছেন এখানে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

বাঞ্ছারামপুর পৌরসভায় জন ভোগান্তি চরমে ।। পদ সংখ্যা ১১৪ জন, আছে মাত্র

 “ওরা ১১জন !! “

আপডেট সময় : ০৫:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর  পৌরসভায় সহকারী  প্রকৌশলী, সার্ভেয়ারসহ গুরুত্বপূর্ণ ১১১ টি পদ শূন্য রয়েছে দীর্ঘদিন যাবত।বাঞ্ছারামপুর পৌরসভায় মোট পদের সংখ্যা ১১৪টি। বর্তমানে মাত্র ১১জন কর্মকর্তা- কর্মচারী দিয়ে জোড়াতালি দিয়ে নিজস্ব জমি থাকা সত্বেও  ভাড়াবাড়ীতে  চলছে ‘খ’ শ্রেনীর বাঞ্ছারামপুর পৌরসভা।
 ফলে পৌর এলাকায় সব উন্নয়ন কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। কয়েকশ’ ফাইল জমেছে বাড়ি নির্মাতাদের। অনুমোদন হচ্ছে না। করা যাচ্ছে না রাস্তা, ড্রেন নির্মাণ কাজ। এমনকি টেন্ডারও আহ্বান করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে একদিকে যেমন ভোগান্তি পোহাচ্ছেন নাগরিকরা,তেমনি যে ১১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে তাদের কাজ করতে রীতিমতো হিমশিম খেতে  হচ্ছে ।
 পৌর কর্তৃপক্ষ জানায়, পৌরসভার সহকারী  প্রকৌশলী বদলী হয়ে যান প্রায় এক বছর আগে। সার্ভেয়ার  ও উপসহকারী প্রকৌশলী বদলি হয়েছেন ৬ মাস আগে। সহকারী প্রকৌশলী ও শহর পরিকল্পনাবিদ নেই দীর্ঘদিন ধরে।  প্রকৌশলী ও শহর পরিকল্পনাবিদ না থাকায় পৌর এলাকার বাড়ি নির্মাতারা প্ল্যান অনুমোদন নিতে পারছেন না। কয়েকশ’ ফাইল জমে আছে। রাস্তা, ড্রেনসহ উন্নয়ন কাজগুলোর টেন্ডার করা যাচ্ছে না।
এ ব্যাপারে পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) নজরুল ইসলাম আজ রবিবার ( ২ ফেব্রুয়ারী)  জানান, প্রায় ১ বছর আগে সহকারী প্রকৌশলী বদলী হয়ে  গেলেও এখন পর্যন্ত কাউকে পদায়ন করা হয়নি। বর্তমানে একজন উপ সহকারী প্রকৌশলী ছাড়া পৌরসভায় কোনো প্রকৌশলী নেই। ফলে বিএমডিএফ, ইউজিএফ-৩, এডিবিসহ পৌরসভার নিজস্ব অর্থায়নে যে কাজ করার কথা সব মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। তিনি বলেন, এ সব কাজ বন্ধ থাকায় জনমনে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। সরকারেরও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। কয়েকশ’ বিল্ডিং নির্মাণের ফাইল পড়ে আছে অনুমোদনের জন্য। প্রকৌশলী না থাকায় তাও করা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় অনেক বিল্ডিং নির্মাতা অনুমোদন না নিয়েই কাজ শুরু করেছেন। এতে পৌরসভা রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পাশাপাশি যথাযথ তদারকি না থাকায় জনজীবনের ঝুঁকিও বাড়ছে।
 পৌরসভার কাগজপত্র পর্যালোচনা করে জানা গেছে, পৌরসভাটি ২০১৩ সালে  প্রতিষ্ঠাকালে মাত্র ৩২ হাজার ১০৫ জন পৌর নাগরিক ছিলেন। দিনে দিনে বেড়েছে এর আয়তন, বেড়েছে এর জনসংখ্যাও। ‘খ’ শ্রেণীর  এ পৌরসভা বর্তমানে ১৬ দশমিক ৮ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃতি লাভ করেছে।৯ টি ওয়ার্ডের প্রায় ৬০  হাজার মানুষ বসবাস করছেন এখানে।