ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পাবলিক লাইব্রেরিকে জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করতে হবে — জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ মায়ের দল আওয়ামী লীগ, মেয়ের পথ বিএনপি।। মনোনয়ন ঘিরে কৌতূহল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈশাখী উৎসবের সমাপনী: আবৃত্তি, সঙ্গীত ও আলোচনা সভায় সংস্কৃতিচর্চার আহ্বান টিকেট কালোবাজারি রোধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন রেলওয়ে ফাঁড়ি ইনচার্জ শাহ আলম তিতাসে দেশের সর্বোচ্চ গভীর কূপ ‘তিতাস-৩১’ খনন শুরু, প্রতিদিন মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পিবিআইয়ের চৌকস তদন্তে উন্মোচিত নিশাত হত্যা রহস্য: ‘ঘুরতে নেওয়ার প্রলোভন’, তারপর শ্বাসরোধে নৃশংস হত্যার চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের দুইদিন পর স্কুলছাত্রীর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজের মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা প্রবর্তক একাডেমি ও ঢেউ আয়োজিত আনন্দ শোভাযাত্রা যেমন খুশি তেমন সাজে লোকজ পুরস্কার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজকে গণসংবর্ধনা
২৪ কি.মি. সড়কে ১২০ ও ৩৬ কি. মিটারের জন্য ২০০ টাকা ভাড়া আদায়!

বাঞ্ছারামপুর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কে গলাকাটা ভাড়া!!যাত্রীদের ক্ষোভ, দেখার কেউ নেই?

সালমা আহমেদ বাঞ্ছারামপুর ( ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৯:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ১০৪৩ বার পড়া হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন সড়কে চলাচলরত সিএনজি চালিত অটো রিক্সাগুলো যাত্রীদের কাছ থেকে ইচ্ছেমত মাত্রাতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বলে যাত্রীদের অভিযোগ। বছরের পর বছর ধরে নির্ধারিত ভাড়ার দ্বিগুণ হারে প্রকাশ্যে এসব অনিয়ম চললেও, স্থানীয় প্রশাসন যেন অনেকটাই নির্বিকার!
সম্প্রতি জেলার নবীনগর ও বাঞ্ছারামপুর এ দুটি উপজেলার কয়েকটি পাকা সড়কে সরজমিনে ঘুরে যাত্রী ও পথচারীদের সঙ্গে  কথা বলে এসব সড়কে দ্বিগুণ ভাড়া আদায়ের এ অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরজমিনে দুটো জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জেলা সদরের সঙ্গে নবীনগর ও বাঞ্ছারামপুরের যোগাযোগের অন্যতম সড়ক হল ‘রাধিকা সড়ক’। প্রায় সাড়ে চারশ কোটি টাকা ব্যয়ে মাত্র ১৮ কি. মিটার দীর্ঘ এই মসৃণ রাধিকা সড়কের নির্মাণ কাজ গত দু’বছর আগে শেষ হয়। ফলে নবীনগর থেকে জেলা সদরে কিংবা জেলা থেকে নবীনগর সদরে অতীতের  লঞ্চ, স্পীডবোট ও ট্রলারের পরিবর্তে এখন সড়কপথে মাত্র আধ ঘন্টায় যাওয়া যায়।
কিন্তু ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ, নবীনগর সদর থেকে রাধিকা পর্যন্ত ১৮ ও রাধিকা থেকে  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরের বাকী ৬ অর্থাৎ মোট ২৪ কি.মি. দীর্ঘ সড়কে সিএনজি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ১২০ টাকা। যা কয়েকমাস আগেও নেয়া হত ১৫০ টাকা।
অপরদিকে নবীনগর থেকে পাশ্ববর্তী বাঞ্ছারামপুর সড়কে নবীনগর থেকে ফেরিঘাট পর্যন্ত ৩৬ কি. মিটার দীর্ঘ পাকা সড়কে সিএনজি ভাড়া নেয়া হচ্ছে জনপ্রতি ২০০ টাকা।
সরজমিনে ঘুরে এ নিয়ে ভুক্তভোগী যাত্রীদের সঙ্গে কথা বললে, আবুল হোসেন, চন্দন দাস, লাকী বেগমসহ অসংখ্য সিএনজির যাত্রীরা ক্ষোভের সঙ্গে বলেন”মাত্র ২৪ কি.মিটারের লাইগ্যা ১২০ টেহা আর ৩৬ কি. মিটারের লাইগ্যা আমরা ২০০ টেহা ভাড়া দেই। কুন দেশে আছি সাম্বাদিক (সাংবাদিক) ভাই?
বিভিন্ন রোডে ভাড়া কমানো নিয়ে ফেসবুকে সবচেয়ে সোচ্চার থাকা অনলাইন এ্যাক্টিভিস্ট ওবায়দুর রহমান বাদল বলেন,’আমরা মনে করি, ২৪ কি.মি. ভাড়া সর্বোচ্চ ৭০ আর ৩৬ কি মি. ভাড়া সর্বোচ্চ ১২০ টাকা হতে পারে। কারণ, নবীনগর থেকে কুমিল্লার কোম্পানীগঞ্জে ৩০ কি. মিটারের জন্য  ভাড়া নিচ্ছে ৮০ টাকা। সেখানে ২৪ কি. ১২০ আর ৩৬ কি. ২০০ টাকা ভাড়া নেয়ার সাহস পায় কি করে চালকেরা?
তাহলে কি বিগত দলীয় সরকারে সিন্ডিকেট এখনও আছে? নাকি প্রশাসনের কেউ কেউ মাত্রাতিরিক্ত নেয়া ভাড়ার ওই টাকা থেকে এখনও নিয়মিত মাসোয়ার পেয়ে ‘চুপ’ থাকছেন?’
তবে সিএনজি চালক আলীম মিয়া, অহিদ মিয়াসহ প্রায় সকল সিএনজি চালকই ভাড়া বেশী নেয়ার কারণ জানিয়ে বলেন’ ‘আমরা জেলা সদর কিংবা বাঞ্ছারামপুর ফেরিঘাটে যাওয়ার সময় যাত্রী পেলেও, ফেরার সময় প্রায়ই খালি (যাত্রীবিহীন) আসতে হয়। বিশেষ করে জেলা সদরে থাকা স্থানীয় চালকেরা আমাদেরকে যাত্রী আনতেই দেয় না। সম্প্রতি ইউএনও স্যারের গণশুনানীতে আমরা এসব  কথা তুলে ধরে এর প্রতিকার চেয়েছি। প্রতিকার পেলে আমরা অবশ্যই ভাড়া কমিয়ে নেবো।’
নবীনগরের  নবাগত ইউএনও রাজীব চৌধুরী বলেন,’দেখুন, আমি এখানে যোগ দেয়ার দু’মাসের মধ্যে ভাড়া কমানো নিয়ে বিভিন্ন মহলে কথা বলে, সভা করে মাইকিং করে  অনেক কাজ করছি। সম্প্রতি এক সপ্তাহ ধরে গণশুনানীও করেছি। ডিসি স্যারকেও সব কর্মযজ্ঞ অবগত করেছি।’
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা বলেন, “আমরা দ্রুত এই নিয়ে পদক্ষেপ নিবো।অভিযোগ গুলো দীর্ঘদিন ধরে আসছে।কোন চালক যদি কিলোমিটার হিসেবে বেশী ভাড়া আদায় করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলমের সঙ্গে আজ দুপুরে এ নিয়ে কথা বললে, তিনি  বলেন,’গত পরশু আমি রাধিকা সড়ক দিয়ে নবীনগরে গিয়েছিলাম। সেখানে ভাড়া কমানোর জনগুরুত্বপূর্ণ এ  বিষয়টি বিভিন্ন মহল থেকে আমার কাছে তুলে ধরা হয়েছে। আমি এ সড়কে বাস চলাচলসহ এর প্রতিকারে (বৃহস্পতিবার) সংশ্লিষ্ট সকলকে আমার কার্যালয়ে ডেকেছি।
আশা করি, শিগগীরই আপনারা এর সমাধান পাবেন।’

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

One thought on “বাঞ্ছারামপুর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কে গলাকাটা ভাড়া!!যাত্রীদের ক্ষোভ, দেখার কেউ নেই?

  1. ধন্যবাদ জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি তুলে ধরার জন্য।

Leave a Reply to চন্দন কুমার চ Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

২৪ কি.মি. সড়কে ১২০ ও ৩৬ কি. মিটারের জন্য ২০০ টাকা ভাড়া আদায়!

বাঞ্ছারামপুর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কে গলাকাটা ভাড়া!!যাত্রীদের ক্ষোভ, দেখার কেউ নেই?

আপডেট সময় : ০৩:৫৯:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন সড়কে চলাচলরত সিএনজি চালিত অটো রিক্সাগুলো যাত্রীদের কাছ থেকে ইচ্ছেমত মাত্রাতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বলে যাত্রীদের অভিযোগ। বছরের পর বছর ধরে নির্ধারিত ভাড়ার দ্বিগুণ হারে প্রকাশ্যে এসব অনিয়ম চললেও, স্থানীয় প্রশাসন যেন অনেকটাই নির্বিকার!
সম্প্রতি জেলার নবীনগর ও বাঞ্ছারামপুর এ দুটি উপজেলার কয়েকটি পাকা সড়কে সরজমিনে ঘুরে যাত্রী ও পথচারীদের সঙ্গে  কথা বলে এসব সড়কে দ্বিগুণ ভাড়া আদায়ের এ অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরজমিনে দুটো জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জেলা সদরের সঙ্গে নবীনগর ও বাঞ্ছারামপুরের যোগাযোগের অন্যতম সড়ক হল ‘রাধিকা সড়ক’। প্রায় সাড়ে চারশ কোটি টাকা ব্যয়ে মাত্র ১৮ কি. মিটার দীর্ঘ এই মসৃণ রাধিকা সড়কের নির্মাণ কাজ গত দু’বছর আগে শেষ হয়। ফলে নবীনগর থেকে জেলা সদরে কিংবা জেলা থেকে নবীনগর সদরে অতীতের  লঞ্চ, স্পীডবোট ও ট্রলারের পরিবর্তে এখন সড়কপথে মাত্র আধ ঘন্টায় যাওয়া যায়।
কিন্তু ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ, নবীনগর সদর থেকে রাধিকা পর্যন্ত ১৮ ও রাধিকা থেকে  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরের বাকী ৬ অর্থাৎ মোট ২৪ কি.মি. দীর্ঘ সড়কে সিএনজি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ১২০ টাকা। যা কয়েকমাস আগেও নেয়া হত ১৫০ টাকা।
অপরদিকে নবীনগর থেকে পাশ্ববর্তী বাঞ্ছারামপুর সড়কে নবীনগর থেকে ফেরিঘাট পর্যন্ত ৩৬ কি. মিটার দীর্ঘ পাকা সড়কে সিএনজি ভাড়া নেয়া হচ্ছে জনপ্রতি ২০০ টাকা।
সরজমিনে ঘুরে এ নিয়ে ভুক্তভোগী যাত্রীদের সঙ্গে কথা বললে, আবুল হোসেন, চন্দন দাস, লাকী বেগমসহ অসংখ্য সিএনজির যাত্রীরা ক্ষোভের সঙ্গে বলেন”মাত্র ২৪ কি.মিটারের লাইগ্যা ১২০ টেহা আর ৩৬ কি. মিটারের লাইগ্যা আমরা ২০০ টেহা ভাড়া দেই। কুন দেশে আছি সাম্বাদিক (সাংবাদিক) ভাই?
বিভিন্ন রোডে ভাড়া কমানো নিয়ে ফেসবুকে সবচেয়ে সোচ্চার থাকা অনলাইন এ্যাক্টিভিস্ট ওবায়দুর রহমান বাদল বলেন,’আমরা মনে করি, ২৪ কি.মি. ভাড়া সর্বোচ্চ ৭০ আর ৩৬ কি মি. ভাড়া সর্বোচ্চ ১২০ টাকা হতে পারে। কারণ, নবীনগর থেকে কুমিল্লার কোম্পানীগঞ্জে ৩০ কি. মিটারের জন্য  ভাড়া নিচ্ছে ৮০ টাকা। সেখানে ২৪ কি. ১২০ আর ৩৬ কি. ২০০ টাকা ভাড়া নেয়ার সাহস পায় কি করে চালকেরা?
তাহলে কি বিগত দলীয় সরকারে সিন্ডিকেট এখনও আছে? নাকি প্রশাসনের কেউ কেউ মাত্রাতিরিক্ত নেয়া ভাড়ার ওই টাকা থেকে এখনও নিয়মিত মাসোয়ার পেয়ে ‘চুপ’ থাকছেন?’
তবে সিএনজি চালক আলীম মিয়া, অহিদ মিয়াসহ প্রায় সকল সিএনজি চালকই ভাড়া বেশী নেয়ার কারণ জানিয়ে বলেন’ ‘আমরা জেলা সদর কিংবা বাঞ্ছারামপুর ফেরিঘাটে যাওয়ার সময় যাত্রী পেলেও, ফেরার সময় প্রায়ই খালি (যাত্রীবিহীন) আসতে হয়। বিশেষ করে জেলা সদরে থাকা স্থানীয় চালকেরা আমাদেরকে যাত্রী আনতেই দেয় না। সম্প্রতি ইউএনও স্যারের গণশুনানীতে আমরা এসব  কথা তুলে ধরে এর প্রতিকার চেয়েছি। প্রতিকার পেলে আমরা অবশ্যই ভাড়া কমিয়ে নেবো।’
নবীনগরের  নবাগত ইউএনও রাজীব চৌধুরী বলেন,’দেখুন, আমি এখানে যোগ দেয়ার দু’মাসের মধ্যে ভাড়া কমানো নিয়ে বিভিন্ন মহলে কথা বলে, সভা করে মাইকিং করে  অনেক কাজ করছি। সম্প্রতি এক সপ্তাহ ধরে গণশুনানীও করেছি। ডিসি স্যারকেও সব কর্মযজ্ঞ অবগত করেছি।’
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌস আরা বলেন, “আমরা দ্রুত এই নিয়ে পদক্ষেপ নিবো।অভিযোগ গুলো দীর্ঘদিন ধরে আসছে।কোন চালক যদি কিলোমিটার হিসেবে বেশী ভাড়া আদায় করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলমের সঙ্গে আজ দুপুরে এ নিয়ে কথা বললে, তিনি  বলেন,’গত পরশু আমি রাধিকা সড়ক দিয়ে নবীনগরে গিয়েছিলাম। সেখানে ভাড়া কমানোর জনগুরুত্বপূর্ণ এ  বিষয়টি বিভিন্ন মহল থেকে আমার কাছে তুলে ধরা হয়েছে। আমি এ সড়কে বাস চলাচলসহ এর প্রতিকারে (বৃহস্পতিবার) সংশ্লিষ্ট সকলকে আমার কার্যালয়ে ডেকেছি।
আশা করি, শিগগীরই আপনারা এর সমাধান পাবেন।’