ঢাকা ০৮:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পৌরসভার বিধি না মেনে ভবন নির্মাণের অভিযোগ, কাজ বন্ধে লাল ব্যানার টানাল পৌর কর্তৃপক্ষ চার বছর পর শিপ্রা রানী হত্যা রহস্যের উন্মোচন, পিবিআইয়ের জালে মূল ঘাতক কাজল ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শ্রদ্ধা নিবেদন সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট হারুন-আল-রশিদের মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের শোক মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হলো বিএনপি নেতা হারুন আল রশিদকে আশুগঞ্জে বিষাক্ত সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদের ইন্তেকাল কসবায় জেলা প্রশাসকের পরিদর্শন: নাগরিক সেবা, আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে গুরুত্বারোপ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালের কণ্ঠের সাংবাদিককে সংবর্ধনা সালিশি বৈঠকে সংঘর্ষ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শ্রমিক দল নেতার মৃত্যু

মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হলো বিএনপি নেতা হারুন আল রশিদকে

আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ১১:০০:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • / ১৭ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও পাঁচবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট হারুন আল রশিদকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের শেরপুর কবরস্থানে তাঁর মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে। শনিবার বিকেল ৩টায় তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

দাফনের আগে দুপুর সোয়া ২টায় নিয়াজ মুহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাঁর তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও তাঁর নির্বাচনী এলাকা সদর, বিজয়নগর এবং আশুগঞ্জ থেকে আগত হাজারো মানুষ অংশ নেন।

বিপুল উপস্থিতির কারণে অনেক মুসল্লিকে মাঠের বাইরে অবস্থান করে নামাজ আদায় করতে দেখা যায়। জানাজার ইমামতি করেন মৌলভীপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা জাকারিয়া।
জানাজা পূর্ব শোকসভায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান, এম এ হান্নান, জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ, পুলিশ সুপার শাহ মো. আবদুর রউফ, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য সায়েদুল হক সাঈদ, হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জহিরুল হক খোকন ও প্রেসক্লাব সভাপতি জাবেদ রহিম বিজনসহ অনেকে। এ সময় বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

হারুন আল রশিদ দীর্ঘদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মৌলভীপাড়ায় নিজ বাসভবনে বসবাস করতেন। রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় তিনি সেখান থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁর বাড়িতে দলীয় নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও স্বজনদের ঢল নামে। শনিবার সকালে ঢাকা থেকে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে সেখানে শোকের আবহ তৈরি হয়।

১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত জাগদলে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। পরে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

সংসদীয় জীবনে তিনি পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, ত্রাণ ও নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।

পেশায় আইনজীবী হারুন আল রশিদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ঢাকার একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ১৫ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন। এর আগে শুক্রবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা ও নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তাঁর প্রথম ও দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হলো বিএনপি নেতা হারুন আল রশিদকে

আপডেট সময় : ১১:০০:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও পাঁচবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট হারুন আল রশিদকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের শেরপুর কবরস্থানে তাঁর মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে। শনিবার বিকেল ৩টায় তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

দাফনের আগে দুপুর সোয়া ২টায় নিয়াজ মুহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাঁর তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও তাঁর নির্বাচনী এলাকা সদর, বিজয়নগর এবং আশুগঞ্জ থেকে আগত হাজারো মানুষ অংশ নেন।

বিপুল উপস্থিতির কারণে অনেক মুসল্লিকে মাঠের বাইরে অবস্থান করে নামাজ আদায় করতে দেখা যায়। জানাজার ইমামতি করেন মৌলভীপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা জাকারিয়া।
জানাজা পূর্ব শোকসভায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান, এম এ হান্নান, জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ, পুলিশ সুপার শাহ মো. আবদুর রউফ, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য সায়েদুল হক সাঈদ, হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জহিরুল হক খোকন ও প্রেসক্লাব সভাপতি জাবেদ রহিম বিজনসহ অনেকে। এ সময় বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

হারুন আল রশিদ দীর্ঘদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মৌলভীপাড়ায় নিজ বাসভবনে বসবাস করতেন। রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় তিনি সেখান থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁর বাড়িতে দলীয় নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও স্বজনদের ঢল নামে। শনিবার সকালে ঢাকা থেকে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে সেখানে শোকের আবহ তৈরি হয়।

১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত জাগদলে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। পরে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

সংসদীয় জীবনে তিনি পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, ত্রাণ ও নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।

পেশায় আইনজীবী হারুন আল রশিদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ঢাকার একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ১৫ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন। এর আগে শুক্রবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা ও নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তাঁর প্রথম ও দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।